- Home
- West Bengal
- Kolkata
- নবান্নের বড় ঘোষণা! বাংলার সরকারি কর্মীদের জন্য সপ্তম বেতন কমিশন কবে থেকে? মিলল বড় আপডেট
নবান্নের বড় ঘোষণা! বাংলার সরকারি কর্মীদের জন্য সপ্তম বেতন কমিশন কবে থেকে? মিলল বড় আপডেট
বিধানসভা নির্বাচনের আগেই কি ঘোষণা হতে চলেছে সপ্তম বেতন কমিশন? দিনের পর দিন একাধিক দাবি জানালেও বাংলা সরকার নীরব, তবে এবার আশার আলো দেখছেন কর্মীদের একাংশ। তাঁরা মনে করছেন ২০২৬ এই রাজ্য সরকার সপ্তম বেতন কমিশনের (WB 7th Pay Commission) ঘোষণা করতে পারে।

নতুন বছর পড়লেও এখনও ভাগ্য পরিবর্তন হল না রাজ্য সরকারি কর্মীদের। তাঁরা এখন ষষ্ঠ বেতন কমিশনের আওতায় ১৮ শতাংশ হারে মহার্ঘ ভাতা বা DA পাচ্ছেন। এদিকে কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারীরা অষ্টম বেতন কমিশনে ঢুকতে চলেছে। তবে আপাতত তাঁরা সপ্তম বেতন কমিশনের আওতায় ৫৮ শতাংশ হারে DA পাচ্ছেন।
দিনের পর দিন একাধিক দাবি জানালেও পশ্চিমবঙ্গ সরকার নীরব, তবে এবার আশার আলো দেখছেন কর্মীদের একাংশ। তাঁরা মনে করছেন ২০২৬ এই রাজ্য সরকার সপ্তম বেতন কমিশনের (WB 7th Pay Commission) ঘোষণা করতে পারে।
সপ্তম বেতন কমিশন নিয়ে বড় আশ্বাস
রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের একাংশ মনে করছে যে যেহেতু সামনেই ২৬ এর বিধানসভা নির্বাচন, সেক্ষেত্রে কর্মীদের হাতে রাখতে রাজ্য সরকার সপ্তম বেতন কমিশন চালু করতে পারে। এমনকি নির্বাচনের আগে রাজ্য সরকার যে ভোট-অন-অ্যাকাউন্ট পেশ করবে, তাতে নিশ্চিতভাবে আরও একদফায় DA বৃদ্ধির ঘোষণাও করা হবে। এমনটাই মনে করছেন, রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের সংগঠন কনফেডারেশন অফ স্টেট গভর্নমেন্ট এমপ্লয়িজের সাধারণ সম্পাদক মলয় মুখোপাধ্যায়।
তিনি দাবি করেছেন যে, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় হয়ত ২০২৬ সালের ১ জানুয়ারি থেকেই নয়া বেতন কমিশন গঠনের কথা জানাতে পারে। তবে এখনও বিষয়টি নিয়ে রাজ্য সরকারের তরফে কোনও মন্তব্য করা হয়নি।
পাঁচ দফা দাবি নিয়ে রাজ্যপালকে চিঠি কর্মীদের
এর আগে, ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনের আগে বাজেটে রাজ্য সরকার ষষ্ঠ বেতন কমিশনের আওতায় কর্মচারীদের মহার্ঘ ভাতা বৃদ্ধির ঘোষণা করেছিল। যা কার্যকর হয়েছিল ওই বছরের এপ্রিল থেকে। এবারও একই প্রক্রিয়া হতে চলেছে বলে মনে করছে রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের একাংশ।
এদিকে নতুন বছরের শুরুতে DA বৃদ্ধি সংক্রান্ত পাঁচ দফা দাবি নিয়ে রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসকে চিঠি লিখেছে সরকারি কর্মচারীদের সংগঠন সংগ্রামী যৌথ মঞ্চ। সেখানে তাঁরা অবিলম্বে সপ্তম বেতন কমিশন চালু করার দাবি থেকে শুরু করে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করা চুক্তিভিত্তিক ও পার্ট-টাইম কর্মীদের নিয়মিতকরণ, AICPI সূচক মেনে বকেয়া ডিএ দ্রুত মেটানো এবং প্রায় ছয় লক্ষ শূন্যপদের দ্রুত স্বচ্ছ নিয়োগের দাবিও তোলা হয়েছিল।
রাজভবনে চিঠি দেওয়ার ব্যাপারে সরকারি কর্মীদের একাংশের বিশ্বাস, রাজ্যপালের সক্রিয় হস্তক্ষেপ ও দিকনির্দেশেই দীর্ঘদিনের DA সংক্রান্ত অচলাবস্থা কাটতে পারে। এদিকে সংগ্রামী যৌথ মঞ্চ আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের আগেই সমস্ত বকেয়া এবং দাবি মিটিয়ে ফেলার জন্য সরকারকে সময়সীমা বেঁধে দেওয়ার পাশাপাশি নবান্ন অভিযানের ডাক দিয়েছে।

