শনিবার নিউটাউনের কারিগরি ভবনের পিছন থেকে উদ্ধার করা হয়েছিল একটি লাল রঙের ট্রলি ব্যাগ। সেই ব্যাগের ণধ্যেই ছিল সুবোধ সরকার নামে এক ব্যক্তির নিথর দেহ। 

মাত্র ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই নিউটাউন হত্যাকাণ্ডের কিনারা করল পুলিশ। ট্রলি ব্যাগের থেকে শনিবার উদ্ধার হয় একটি দেহ। রবিবারই পুলিশ জানিয়েছে খুনের কারণ, নিহতের পরিচয়। পাশাপাশি এই ঘটনায় গ্রেফতার করা হয়েছে একজনকেও। প্রাথমিক তদন্তের পরে পুলিশের দাবি প্রথমে ধাক্কা মেরে, তারপর শ্বাসরোধ করে খুন করা হয়েছে। প্রায় সাত লক্ষ টাকা নিয়ে সমস্যার কারণেই এই খুন হয়েছে বলেও প্রাথমিক তদন্তের পর অনুমান পুলিশের।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

শনিবার নিউটাউনের কারিগরি ভবনের পিছন থেকে উদ্ধার করা হয়েছিল একটি লাল রঙের ট্রলি ব্যাগ। সেই ব্যাগের ণধ্যেই ছিল সুবোধ সরকার নামে এক ব্যক্তির নিথর দেহ। মৃতদেহ উদ্ধারের পরই তদন্ত শুরু করে পুলিশ। স্থানীয়রা জানিয়েছিল একটি অ্যাপক্যাবে করেই ট্রলি ব্যাগটি আনা হয়েছিল। কারিগরি ভবনের পিছন দিকে নির্জন এলাকায় ব্যাগটি ফেলে পালিয়ে যায়। তদন্তে নেমে পুলিশ অ্যাপ ক্যাবটির সন্ধান পায়। পুলিশ সূত্রের খবর গাড়ির পিছনের সিটে তখনও রক্তের দাগ ছিল স্পষ্ট। দ্রুত আটক করা হয় অ্যাপ ক্যাবের চালকে। আটক করা হয়ে গাড়িটিও। চালককে জিজ্ঞাসাবাদ করেই খুনির সন্ধান পায় পুলিশ।

পুলিশ সূত্রের খবর এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত এক জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে। শুক্রবার বিকেল ৪টো থেকে ৫টার মধ্যে খুন করা হয়েছিল সুবোধকে। দেহ নিউটউনে ফেলা হয় রাত ৯টা থেকে ১০টার মধ্যে। শনিবার সকালেই টেকনোসিটি থানার পুলিশ ব্যাগে মোড়া দেহটি উদ্ধার করে। তারপরই তদন্ত শুরু করে। প্রথম গাড়ি উদ্ধার করে। তারপরই শুরু হয় দফায় দফায় জিজ্ঞাসবাদ।

পুলিশ জানিয়েছে সুবোধ সরকার কামারহাটি পুরসভা এলাকার বাসিন্দা। উড়িষ্যায় থাকতেন। তাকে খুনে অভিযুক্ত একটি বেসরকারি ব্যাঙ্কের নিমতা থানার অ্যাসিস্ট্যান্ট ম্যানেজার সৌম্যকান্তু জানা। সুবোধ সরকার এই ব্যক্তির কাছ তেকে ৭ লক্ষ টাকা ধার নিয়েছিল। কিন্তু টাকা ফেরত দিচ্ছিল না। শুক্রবার বাড়িতে সৌম্য সুবোধকে ডেকে নিয়ে যায়। তারপরই দুজনের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। সেই সময়ই সৌম্য সুবোধকে ধাক্কা মারে। সুবোধ পড়ে দিয়ে মাথায় চোট পায়। সেই সময়ই সৌম্য সুবোধের মৃত্যু নিশ্চিত করতে তাকে গলা টিপে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে। তেমনই জানিয়েছে পুলিশ।