- Home
- West Bengal
- Kolkata
- Namaz Rule: ক্ষমতায় এসেই কড়া নিয়ম মুসলিমদের জন্য! নমাজ নিয়ে বিরাট ঘোষণা শুভেন্দু অধিকারীর
Namaz Rule: ক্ষমতায় এসেই কড়া নিয়ম মুসলিমদের জন্য! নমাজ নিয়ে বিরাট ঘোষণা শুভেন্দু অধিকারীর
রাস্তায় নমাজ ইস্যুতে বিজেপি বিধায়ক অর্জুন সিংয়ের মন্তব্য ঘিরে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক বিতর্ক। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর নির্দেশের দাবি, প্রশাসনের অবস্থান, বিরোধীদের প্রতিক্রিয়া এবং রাজ্যের নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ নিয়ে বিস্তারিত জানুন এই প্রতিবেদনে।

রাজ্যের প্রশাসনিক দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই একের পর এক গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিয়ে রাজনৈতিক মহলে আলোচনার কেন্দ্রে উঠে এসেছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। মন্ত্রিসভার প্রথম বৈঠকের পর তিনি স্পষ্ট বার্তা দেন যে, সরকার পক্ষপাতহীন ভাবে সকল সম্প্রদায়কে সঙ্গে নিয়েই চলবে। সেই আবহেই নতুন করে বিতর্ক উসকে দিলেন নোয়াপাড়ার বিজেপি বিধায়ক অর্জুন সিং।

এক রাজনৈতিক কর্মসূচিতে বক্তব্য রাখতে গিয়ে অর্জুন সিং দাবি করেন, মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর নির্দেশে রাজ্যে আর রাস্তায় নমাজ পড়া বরদাস্ত করা হবে না। তাঁর বক্তব্য, সাধারণ মানুষের চলাচলে সমস্যা তৈরি করে এমন কোনও কর্মকাণ্ড প্রশাসন মেনে নেবে না। তিনি আরও বলেন, রাস্তা সবার জন্য এবং আইনও সবার জন্য সমান হওয়া উচিত।
অর্জুন সিংয়ের এই মন্তব্য সামনে আসতেই রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে জোর বিতর্ক। বিজেপি শিবিরের একাংশের দাবি, জনজীবন স্বাভাবিক রাখতে প্রশাসন কঠোর অবস্থান নিতেই পারে। তাঁদের বক্তব্য, রাস্তা অবরোধ করে কোনও ধর্মীয় অনুষ্ঠান বা জমায়েত হওয়া উচিত নয়।
অন্যদিকে বিরোধী দলগুলির অভিযোগ, এই ধরনের মন্তব্য রাজ্যে সাম্প্রদায়িক উত্তেজনা বাড়াতে পারে। তাঁদের মতে, ধর্মীয় বিষয়কে রাজনৈতিকভাবে ব্যবহার করার চেষ্টা হচ্ছে। বিরোধীদের দাবি, প্রশাসনের উচিত সব ধর্মের মানুষকে সমান মর্যাদা দেওয়া এবং শান্তি বজায় রাখা।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বে নতুন প্রশাসনের অবস্থান নিয়ে ইতিমধ্যেই নানা আলোচনা শুরু হয়েছে। আইন-শৃঙ্খলা, প্রশাসনিক কড়াকড়ি এবং জনস্বার্থের প্রশ্নে সরকার কেমন পদক্ষেপ নেয়, সেদিকেই নজর রয়েছে রাজনৈতিক মহলের।
তবে এখনও পর্যন্ত মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী এই মন্তব্য নিয়ে সরাসরি কোনও প্রতিক্রিয়া দেননি। প্রশাসনের তরফেও এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক নির্দেশিকা প্রকাশ করা হয়নি। ফলে অর্জুন সিংয়ের মন্তব্য কতটা সরকারি অবস্থান প্রতিফলিত করছে, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।
এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে আগামী দিনে রাজ্যের রাজনৈতিক তরজা আরও তীব্র হতে পারে বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। বিশেষ করে ধর্মীয় জমায়েত, জনপরিসরের ব্যবহার এবং প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণ—এই তিনটি বিষয়কে কেন্দ্র করে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা প্রবল।

