২০১১ সালের ৩০ জুলাই স্ট্রিপের কাগজের টিকিট সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যায়। পরেরদিন ১ অগাস্ট থেকে মেট্রোরেলে টিকিট ব্যবস্থা বদলে যায় টোকেনে। এই ব্যবস্থায় রিটার্ন টিকিট কাটার সুবিধা ছিল না।

কলকাতা মেট্রোয় ফিরছে রিটার্ন টিকিট। যার ফলে বিরাট সুবিধা হবে নিত্য যাত্রীদের। স্টেশনগুলিতে টিকিট কাউন্টারে ভিড়ও কমবে। ১৫ বছর আগে কলকাতা মেট্রো রেলে রিটার্ন টিকিট কাটা যেত। পরে তা উঠে যায়। সেই থেকে আসা যাওয়ার পথে দুবার করে টিকিট কাটতে হত যাত্রীদের। যদিও এখন স্মার্টকার্ডের কারণে কাউন্টারে গিয়ে টিকিট কাটেন না বেশিরভাগ যাত্রীই। কিন্তু সবাই তো আর কার্ড ব্যবহার করতে পারেন না বা ব্যবহার করেন না, তাঁরা সমস্যায় পড়তেন দুবার করে টিকিট কাটতে হত।

২০১১ সালের ৩০ জুলাই স্ট্রিপের কাগজের টিকিট সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যায়। পরেরদিন ১ অগাস্ট থেকে মেট্রোরেলে টিকিট ব্যবস্থা বদলে যায় টোকেনে। এই ব্যবস্থায় রিটার্ন টিকিট কাটার সুবিধা ছিল না। আসা-যাওয়ার উভয় টিকিট একবারে কাটার সুবিধা পাওয়া যেত না। ২০২৫ সালের ১ জানুয়ারি থেকে মেট্রোয় কিউআর কোড ভিত্তিক কাগজের টিকিট চালু হয়েছে। তাই এবার কিউআর কোডের টিকিটেই মিলবে রিটার্ন টিকিটের সুবিধা।

মেট্রোরেলের স্টেশগুলিতে টিকিট কাউন্টারের সংখ্যা ক্রমেই কমছে। প্রতিটি স্টেশনে যাত্রীদের লম্বা লাইন চোখে পড়ে। রিটার্নের সুবিধা চালু হওয়ায় আপ-ডাউন জার্নির টিকিটের জন্য এবার থেকে যাত্রীরা একবার কাউন্টারে দাঁড়িতেই কাটতে পারবেন। তার ফলে টিকিট কাউন্টারের চাপ তুলনায় অনেকটা কমবে। ২৫, ৩৫, ৪০ বা ৪৫ টাকার টিকিটের রিটার্ন কাটার ক্ষেত্রে খুচরো দেওয়া নেওয়ার সমস্যা কমে যাবে। কারণ, এই খুচরোর সমস্যার কারণে অনেক সময় রেলকর্মী ও যাত্রীদের মধ্য়ে বচসা বাধে। অনেক যাত্রীর অভিযোগ আছে যে খুচরো না থাকার কারণে তাঁদের টিকিট দেওয়া হয়নি। অনুরোধ করেও কাজ হয় না। যাত্রীদের দাবি, খুচরো সমস্যার সমাধান করা তাঁদের কাজ নয়। এটা সরকার বা রেলের কাজ।