সংক্ষিপ্ত
মদনের পাশ দিয়ে যাওয়ার সময়ই মুখ্য়মন্ত্রী বলে যান 'এখন তো সবই লাভলি চলছে।' তাতেই মদনের মুখে নাকি হাসি ফুটে ওঠে। ঘনিষ্টমহলে মদন নিজের খুশির কথা জানিয়েছেন।
শুক্রবার মুক্তি পেয়েছে মদন মিত্রের ছবি ও লাভলি। তারপর সোমবার বিধানসভায় প্রথম মুখোমুখি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে। সেখানেই সম্পূর্ণ অন্য অভিজ্ঞতা হল মদন মিত্রের। যদিও তা নিয়ে ঘনিষ্ট মহল নিজের খুশি ব্যক্ত করেছেন মদন মিত্র। বলা যেতে পারে এই সময়টা তাঁর দারুন যাচ্ছে। রাজ্যের ৩৫টি হল চলছে তাঁর অভিনীত ছবি ও লাভলে। তাঁর অভিনয় রীতিমত প্রশংসা পয়েছে। বলা যেতে পারে ডেবিউ ফিল্মেরই টলিউডে শক্ত পা রেখেন রাজনীতির মদন।
যাইহোক এবার আসি বিধানসভার কথায়। সোমবার বিধানসভায় বাদল অধিবেশনে যোগ দিয়েছিলেন মদন মিত্র। সেখানে ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। দুপুরে মন্ত্রিসভার বৈঠক হয়। তারপরই বনমহোৎসবে যোগ দেন মুখ্যমন্ত্রী। সেখানেই ছিলেন কামারহাটির বিধায়ক মদন মিত্র। সেই সময়ই মদনের পাশ দিয়ে যাওয়ার সময়ই মুখ্য়মন্ত্রী বলে যান 'এখন তো সবই লাভলি চলছে।' তাতেই মদনের মুখে নাকি হাসি ফুটে ওঠে। ঘনিষ্টমহলে মদন নিজের খুশির কথা জানিয়েছেন। যদিও এর আগে ছবি মুক্তির দিনে তাঁকে তাঁর সহকর্মীরা আগাম শুভেচ্ছা জানিয়েছিলেন। পাল্টা মদনও প্রত্যেককে ছবিটি দেখার আমন্ত্রণ জানিয়েছেন।
আরও পড়ুনঃ
Vicky-Katrina: বৌদি ক্যাটরিনার বোনের সঙ্গেই প্রেমে পড়েছেন ভিকির ভাই সানি? বলিউডে জল্পনা তুঙ্গে
Urfi Javed: একেবারে পাশের বাড়ির মেয়ের মত উরফি,স্ট্রিটফুডে মজলেন জুহুর বাজারে
শঙ্কর হয়ে আবার চাঁদের পাহাড়-এর সিক্যুয়েলে দেব? মুখে কুলুপ পরিচালক-প্রযোজকের
কেমন হল মদন মিত্রের ও লাভলি- এই শব্দবন্ধ মদনের মুখেই জনপ্রিয়তা পেয়েছে। কিন্তু তা যাইহোক না কেন, এই ছবি কিন্তু মদন মিত্রের একার নয়, আরও পাঁচটা ফর্মাল বাংলা ছবির মতই এটি একটি মিষ্টি প্রেমের গল্প। নায়িকা রাজনন্দিনী পাল ও নায়ক শ্রীশ চট্টোপাধ্যায়ের প্রেম আর বিয়ের টানাপোড়েন নিয়ে। বাণিজ্যিক ছবির মশলাই রয়েছে এই ছবিতে। তবে এই ছবিতে কিন্তু মদন মিত্রকে যদি কেউ রাজনীতিবিদের ভূমিকায় দেখবেন আশা করে সিনেমা হলে আসেন তাহলে তিনি কিন্তু ঠকবেন। এই ছবিতে মদন এজনক বাবার চরিত্রে অভনয় করেছেন। তবে বাইরের জীবনের দাপট , একচ্ছত্র আধিপত্য ছেড়ে মদন ক্যামেরার সামনে দাঁড়িয়েছেন। সেখানে পরিচালক হরনাথ চক্রবর্তীর কথা মত লাবণী সরকার, খরাজ মুখোপাধ্যায়ের মত অভিনেতাদের পাশে দাঁড়িয়ে অভিনয় করেছেন। কোথাও ছন্দপতন হতে দেননি মদন। এটাই বোধহয় ছবির সবথেকে বড় পাওনা।
ঝকঝকে ধুতি পাঞ্জাবি, রোদ চশমায় সিলভারস্ক্রিনে একাধিকবার ধরা দেবেন মদন মিত্র। আর তাঁর মুখে থাকবে ও লাভলি বুলি। রাজনীতিবিদ হিসেবে মদন ঠিক যতটা জনপ্রিয় ততটাই জনপ্রিয়তা পেতে পারেন সিলভার স্ক্রিনে- তেমনই বলছেন, সিনে সমালোচকরা।