সংবাদমাধ্যমের সামনে মুখ খোলেন শুভেন্দু অধিকারী। এদিন তিনি বলেন ‘‘খুব দুর্বল চিত্রনাট্য। এই ধরনের ড্রামা সুদীপ্ত সেনকে দিয়েও করা হয়েছিল। যেখানে সম্মানীয় বিমান বসুর সঙ্গে আমার নামও করা হয়েছিল।’’

দিলীপ ঘোষ, সুজন চক্রবর্তী ও শুভেন্দু অধিকারীর নাম শোনা গিয়েছিল পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের মুখে। বৃহস্পতিবার আদালতে ঢোকার আগে পার্থ সংবাদমাধ্যমকে বলেন, ‘‘যে সুজন চক্রবর্তী, দিলীপবাবু, শুভেন্দুবাবুরা বড় বড় কথা বলছেন, তাঁরা নিজের দিকে দেখুন। উত্তরবঙ্গে তাঁরা কী করেছেন? ২০০৯-১০-এর সিএজি রিপোর্ট পড়ুন। সমস্ত জায়গায় তদ্বির করেছেন, কারণ, আমি তাঁদেরকে বলেছি, করতে পারব না। আমি নিয়োগকর্তা নই। এ ব্যাপারে কোনও সাহায্য তো দূরের কথা আমি কোনও কাজ বেআইনি করতে পারব না।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

এরপরেই সংবাদমাধ্যমের সামনে মুখ খোলেন শুভেন্দু অধিকারী। এদিন তিনি বলেন ‘‘খুব দুর্বল চিত্রনাট্য। এই ধরনের ড্রামা সুদীপ্ত সেনকে দিয়েও করা হয়েছিল। যেখানে সম্মানীয় বিমান বসুর সঙ্গে আমার নামও করা হয়েছিল।’’ শুভেন্দুর দাবি, এটা আগে থেকেই ঠিক করা ছিল। তিনি বলেন, ‘‘এই প্লট তৈরি করা হয়েছে গতকাল। দেবাশিস চক্রবর্তী, যিনি প্রেসিডেন্সি জেলের সুপার তাঁর দু’টি নম্বর দিচ্ছি। ৩০ মিনিট আগে যিনি টুইট করেছেন তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হোক। কারণ, বিষয়টি আদালতের নির্দেশে তদন্ত হচ্ছে। আর জেল সুপারকেও ধরা হোক। ওঁর দু’টি নম্বর নিয়ে হোয়াটসঅ্যাপ, ফেসটাইম খতিয়ে দেখা হোক বিকেল ৪টে থেকে ৪টে ১৫ পর্যন্ত কার কার সঙ্গে কথা বলেছেন।’’

এরপর শুভেন্দুর মুখে শোনা যায় বামফ্রন্ট চেয়ারম্যান বিমান বসুর প্রশংসা। তিনি বলেন বিমান বসুর সততা, তাঁর জীবনচর্চা নিয়ে চর্চা করা উচিত। ওঁর মতো লোক এখন রাজনীতিতে নেই, বলেন শুভেন্দু। স্বচ্ছ রাজনীতির কথা বলতে গিয়ে প্রণব মুখোপাধ্যায়, বরকত গনি খান চৌধুরী, তপন শিকদারের প্রসঙ্গও তুলে আনেন শুভেন্দু অধিকারী।

এর আগেও শুভেন্দুর মুখে বামেদের প্রশংসা শোনা গিয়েছিল। তৃণমূলকে আক্রমণ করতে গিয়ে তিনি বলেন, এদের থেকে অনেক বড় এবং শক্তিশালী সংগঠন ছিল সিপিএম-এর। বামফ্রন্ট এদের চেয়ে অনেক বেশি শক্তিশালী ছিল। ক্ষমতায় ছিল ৩৪ বছর। আসনসংখ্যা ছিল ২৩৫। আপনাদেরকে সঙ্গে নিয়ে অন্যায়, অত্যাচার সামলেছেন লক্ষ্মণ সেনরা। বামপন্থীরা সবাই খারাপ নন।

শুভেন্দুর মুখের প্রশংসা নিয়ে প্রতিক্রিয়া চাইলে বিরোধী দলনেতাকে কটাক্ষ করেন সিপিএম-এর কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য সুজন চক্রবর্তী। তিনি বলেন, "শুভেন্দুকে কে সার্টিফিকেট দিতে বলেছে? সার্টিফিকেট দেওয়া তাঁর সাজে, যাঁর সার্টিফিকেট দেওয়ার যোগ্যতা রয়েছে।"