RG Kar Case: আর জি কর মেডিক্যাল কলেজে চিকিৎসককে ধর্ষণ ও খুনের মামলায় মূল অভিযুক্তর সাজা ঘোষণা করেছে আদালত। তবে এই ঘটনায় এখনও তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে সিবিআই (CBI)। রাজ্যের শাসক দলের এক বিধায়কের বাড়িতে তল্লাশি চালানো হল।

DID YOU
KNOW
?
আর জি করের জন্মদিবস
শনিবার, ২৩ অগাস্ট আর জি করের ১৭৬-তম জন্মদিবস। তাঁর পরিবার এই বিশেষ দিন পালন করছে।

CBI Raid: আর জি কর মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে (R G Kar Medical College & Hospital) দুর্নীতির মামলায় শ্রীরামপুরের তৃণমূল কংগ্রেস বিধায়ক সুদীপ্ত রায়ের বাড়িতে তল্লাশি চালাল সিবিআই (CBI)। শনিবার কলকাতার (Kolkata) সিঁথির মোড়ে শাসক দলের এই বিধায়কের বাড়িতে যান সিবিআই আধিকারিকরা। তবে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার আধিকারিকদের তল্লাশি চালানোর সময় বাড়িতে ছিলেন না বিধায়ক। তিনি আর জি কর মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে রোগী কল্যাণ সমিতির চেয়ারম্যান পদে ছিলেন। এখনও রাজ্যের হেলথ রিক্রুটমেন্ট বোর্ডের চেয়ারম্যান পদে আছেন এই বিধায়ক। তিনি এখনও রাজ্য মেডিক্যাল কাউন্সিলেরও সভাপতি। ফলে যথেষ্ট প্রভাবশালী এই বিধায়ক। তিনি আর জি কর মেডিক্যাল কলেজে দুর্নীতির সঙ্গে সরাসরি জড়িত বলে সন্দেহ সিবিআই-এর। এই কারণেই তাঁর বাড়িতে তল্লাশি চালানো হল।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

সিবিআই-এর নজরে শাসক দলের বিধায়ক

আর জি কর মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে চিকিৎসককে ধর্ষণ ও খুনের মামলার পাশাপাশি দুর্নীতির মামলারও তদন্ত করছে সিবিআই। এই মামলায় ইতিমধ্যেই চার্জ গঠন করা হয়েছে। আদালতে বিচার প্রক্রিয়াও শুরু হয়েছে। এই মামলায় মোট পাঁচজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেছে সিবিআই। অভিযুক্তদের অন্যতম আর জি কর মেডিক্যাল কলেজের তৎকালীন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষ। তাঁর বিরুদ্ধে চিকিৎসকের ধর্ষণ ও খুনের ঘটনায় প্রমাণ লোপাটের অভিযোগও রয়েছে। তাঁকে গ্রেফতার করা হয়। প্রমাণ লোপাটের মামলায় জামিন পেলেও, দুর্নীতির মামলায় এখনও হেফাজতে সন্দীপ। এই দুর্নীতির মামলাতেই সিবিআই-এর নজরে শাসক দলের বিধায়ক সুদীপ্ত।

ফের হানা দেবে সিবিআই?

গত বছরের সেপ্টেম্বরে শ্রীরামপুরের বিধায়কের বাড়ি, বাড়ির পাশে থাকা নার্সিং হোমে গিয়ে তল্লাশি চালান সিবিআই আধিকারিকরা। ১১ মাস পর ফের এই বিধায়কের বাড়িতে গেলেন কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার আধিকারিকরা। আর জি কর মেডিক্যাল কলেজে বিভিন্ন জিনিসপত্র কেনার ক্ষেত্রে টেন্ডারে দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। এখনও এই দুর্নীতির অভিযোগের তদন্ত করছে সিবিআই।

আরও খবরের আপডেট পেতে চোখ রাখুন আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।