গত ররিবার সায়নীর সমর্থনে হরিনাভিতে একটি সভা করেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখানে সায়নীকে কাছে ডেকে বলেন প্রার্থী বাছাইয়ে ভুল ছিল।

একদা ‘বাম গড়’ হিসেবে পরিচিত যাদবপুরে গত কয়েকবছরে দেখা গিয়েছে তৃণমূলের দাপট। এবার সেখানে তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী করেছে দলের যুব নেত্রী ও অভিনেত্রী সায়নী ঘোষকে। কিন্তু গত ররিবার সায়নীর সমর্থনে হরিনাভিতে একটি সভা করেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখানে সায়নীকে কাছে ডেকে বলেন প্রার্থী বাছাইয়ে ভুল ছিল।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

এখানে প্রশ্ন উঠছে, কী বলতে চেয়েছিলেন মমতা। পরে অবশ্য নিজেই বলেন ‘আমার প্রার্থী সায়নী। ওকে এই কারণে দেওয়া হয়েছে, কারণ আগের বার আপনারা ততটা সার্ভিস পাননি’। মমতা কারোর নাম না নিলেও তিনি যে বিদায়ী সাংসদ মিমির কথাই বলছেন তা বুঝতে কারোর অসুবিধা হয়নি। এবার এই সুরেই মুখ খুললেন সায়নী।

কী বললেন যাদবপুরের তৃণমূল প্রার্থী

সায়নী জনপ্রিয় এক সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে বলেন, ‘মিমির খামতি ছিল’। তাঁকে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল, মিমির হাত থেকে যাদবপুরকে কেমন অবস্থায় পেয়েছেন? জবাবে তৃণমূল প্রার্থী বলেন, ‘যাদবপুর মিমির বিষয় নয়, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, তৃণমূল কংগ্রেসের বিষয়। টালিগঞ্জে অরূপ বিশ্বাস বিষয়। যাদবপুরে মলয় মজুমদার বিষয় … আমাদের বিধায়ক, পৌর প্রতিনিধিরা লাগাতার কাজ করছেন। মিমির প্রচুর দায়িত্ব ছিল। কিছু কাজ করেছে, কিছু করতে পারেনি। খামতি আছে, আমি পূরণ করব’।

যাদবপুর তেমন ‘সার্ভিস’ পায়নি একথা বললেও মমতা অবশ্য মিমিকে দোষারোপ করেননি। বরং বলেছিলেন , ‘তাঁর অবশ্য কোনও দোষ ছিল না। তিনি নিজের সিনেমার দুনিয়ায় ব্যস্ত। এটা আমাদেরই দোষ ছিল। সেই কারণে আমরা সেই দোষ শুধরে নিয়েছি। সায়নী এলাকায় পড়ে থেকে লড়াই করবেন। দাঁতে দাঁত চেপে উন্নয়নের কাজ করবেন’।

সায়নীর সংযোজন, ‘মিমি নিজের মতো করে কাজ করার চেষ্টা করেছে। কিছু চ্যুতি-বিচ্যুতি থাকে। আগেই বলেছে ও প্রথমে একজন অভিনেত্রী। তবে আমি প্রথমে একজন সভানেত্রী। যাদবপুরের মানুষও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব হিসেবেই আমায় গ্রহণ করেছে’।

আরও খবরের জন্য চোখ রাখুন এশিয়ানেট নিউজ বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।