Durga Puja 2026: রাজ্যে বিজেপি (BJP) ক্ষমতায় আসার পর প্রথমবার দুর্গাপুজো হতে চলেছে কয়েক মাস পর। এবার দুর্গাপুজো কেমন হবে, সে বিষয়ে রাজনৈতিক মহলের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের মধ্যেও আগ্রহ তৈরি হয়েছে। মঙ্গলবার এ বিষয়ে বড় ঘোষণা করেছেন রাজ্য বিজেপি সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য (Samik Bhattacharya)। তাঁর এই ঘোষণা সাধুবাদ কুড়োচ্ছে।

DID YOU
KNOW
?
রাজনীতির বাইরে পুজো
বিজেপি রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য বার্তা দিয়েছেন, এবারের দুর্গাপুজোয় জোর করে কোনও কমিটির সঙ্গে যুক্ত হবেন না বিজেপি নেতা-বিধায়করা।

Samik Bhattacharya News: এবারের দুর্গাপুজোয় (Durga Puja 2026) কোনও পুজো কমিটিরই সভাপতি হচ্ছেন না রাজ্য বিজেপি (BJP West Bengal) সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। এমনকী, বিজেপি বিধায়কদেরও নিজেদের বিধানসভা অঞ্চলের বাইরে কোনও পুজো কমিটির সভাপতি না হওয়ার বার্তা দেওয়া হচ্ছে। মঙ্গলবার সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে এই ঘোষণা করেছেন শমীক। তাঁর বার্তা, ‘কলেজ স্কোয়্যারের দুর্গাপুজোর সভাপতি আমি হচ্ছি না। শুধু কলেজ স্কোয়্যার নয়, রাজ্যের কোনও দুর্গাপুজোর সভাপতি আমি হব না, কিংবা কোনও পুজোর পরিচালনার দায়িত্ব নেব না। একজন বিধায়ক বা মন্ত্রী নিজের এলাকার কোনও পুজো কমিটির সভাপতি হতে পারেন—সেটা তাঁদের নিজস্ব সিদ্ধান্ত। কিন্তু তার অর্থ এই নয় যে, রাস্তায় বেরিয়ে একের পর এক পুজোর দায়িত্ব রাজনৈতিক ব্যক্তি, বিধায়ক, সাংসদ বা রাজনৈতিক দলের নেতারা নিজেদের হাতে তুলে নেবেন।’

পুজোকে রাজনীতির বাইরে রাখার বার্তা শমীকের

সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে শমীক আরও লিখেছেন, ‘দুর্গাপুজো সর্বজনের, কোনও রাজনৈতিক দলের নয়। পুজো কমিটিগুলির স্বাধীনতা, স্বতন্ত্রতা এবং সর্বজনীন চরিত্র অক্ষুণ্ণ থাকুক—এই বিশ্বাস থেকেই আমাদের এই সিদ্ধান্ত। উৎসবের আনন্দ মানুষের হাতে থাকুক, রাজনীতির দখলে নয়।’

Scroll to load tweet…

রাজনৈতিক দখলদারির বাইরে থাকবে পুজো?

তৃণমূল কংগ্রেসের (AITC) শাসনে দেখা গিয়েছিল, সব পুজোতেই সভাপতি, চেয়ারম্যান, প্যাট্রন-সহ সব গুরুত্বপূর্ণ পদই শাসক দলের নেতাদের দখলে। দুর্গাপুজো, কালীপুজো, গণেশ পুজো, জগদ্ধাত্রী পুজো তো বটেই, এমনকী শনিপুজোরও সভাপতি হিসেবে তৃণমূল কংগ্রেস নেতাদের দেখা যেত। রাজ্যে সরকার বদলের পর এবার বিজেপি নেতা-মন্ত্রী-বিধায়ক-সাংসদরা বিভিন্ন পুজো কমিটির সঙ্গে যুক্ত হবেন। কিছু পুজো কমিটির সঙ্গে বিজেপি নেতা-বিধায়করা যুক্ত থাকছেন। উত্তর দমদমের বিজেপি বিধায়ক সৌরভ শিকদার এবার অরূপ বিশ্বাসের ক্লাব হিসেবে পরিচিত সুরুচি সঙ্ঘের সম্পাদক হয়েছেন। বরানগরের বিধায়ক সজল ঘোষ দীর্ঘদিন ধরেই সন্তোষ মিত্র স্কোয়্যারের পুজোর সঙ্গে যুক্ত। এ বিষয়ে আপত্তি নেই শমীকের। তিনি জোর করে কোনও পুজো কমিটির সঙ্গে যুক্ত না হওয়ার বার্তা দিয়েছেন।

আরও খবরের আপডেট পেতে চোখ রাখুন আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।