ইসরোর গোটা টিমকে কুর্নিশ জানাচ্ছে দেশবাসী। কুর্নিশ জানালেন সৌরভ গাঙ্গুলিও। বুধবার রাতেই সৌরভ ইনস্টাগ্রামে একটি ছবি পোস্ট করেছিলেন।

ইতিহাস গড়ে চাঁদে পা ভারতের। বুধবার সন্ধ্যাবেলা ঠিক ৬টা বেজে ৪ মিনিটে চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে অবতরণ করেছে। এই অভাবনীয় সাফল্যে উচ্ছ্বসিত গোটা দেশ। বিশ্বের চতুর্থ দেশ হিসেবে চাঁদের মাটি ছুঁয়েছে ভারত। ইসরোর গোটা টিমকে কুর্নিশ জানাচ্ছে দেশবাসী। কুর্নিশ জানালেন সৌরভ গাঙ্গুলিও। বুধবার রাতেই সৌরভ ইনস্টাগ্রামে একটি ছবি পোস্ট করেছিলেন। সেই ছবির ক্যাপশনে লিখেছিলেন,'আমার দেশের গর্ব। ISRO-কে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানাই। আমরা আপাতত চাঁদে রয়েছি।'

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

View post on Instagram

প্রসঙ্গত, অবতরণের ১৪ ঘন্টা পর দরজা খুলল বিক্রমের। বিক্রমের পেট থেকে বেরিয়ে এল রোভার প্রজ্ঞান। এক্স হ্যান্ডলে (টুইটার) পোস্ট করে এই খবর জানাল ইসরো। বিক্রম থেকে ধীরে চাঁদের মাটিতে নেমে আসে রোভার প্রজ্ঞান। ছ'টি চাকা বিশিষ্ট এই প্রজ্ঞান চাঁদের মাটিতে ঘুরে ঘুরে কাজ করবে। এর গতি খুবই কম, সেকেন্ডে এক সেন্টিমিটার মাত্র। মূলত সোউরশক্তিকে কাজে লাগিয়েই রোভারটি কাজ করবে। বিক্রম যখন চাঁদে নামে তখন সেখানে সবে ভোর। আগামী ১৪ দিন সূর্যের আলো থাকবে চন্দ্রপৃষ্টে। এই ১৪ দিনে নিজের কাজ সারবে প্রজ্ঞান।

চাঁদে অবতরণের পরই কাজ শুরু করেছে বিক্রম ও প্রজ্ঞান। দেখে নেওয়া যাক চন্দ্র অভিযানে কী কী করবে বিক্রম ও প্রজ্ঞান।

বিক্রমের কাজ

চাঁদের মাটিতে নামতেই ইসরোয় পৌঁছল বিক্রমের তোলা ছবি। বিক্রমের অবতরণ প্রক্রিয়ার সমাপ্তি পর্বের সেই ছবি প্রকাশ করে ইসরো টুইট করেছে। ইতিমধ্যেই ল্যান্ডারের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ স্থাপিত হয়েছে মক্স-আইএসটিআরসি (ইসরোর ওয়ার রুম)-র।

প্রজ্ঞানের কাজ

বিজ্ঞানীদের একাংশের মতে আসল কাজ প্রজ্ঞানেরই। রোভারের সঙ্গে রয়েছে একাধিক দিকনির্দেশক স্বয়ংক্রিয় ক্যামেরার। চাঁদের মাটিতে ভারতের জাতীয় পতাকা এবং ইসরোর লোগো এঁকে দেবে এই রোভার প্রজ্ঞানই। প্রজ্ঞান চাঁদ থেকে যা যা তথ্য সংগ্রহ করবে, তার সব কিছুই পাঠিয়ে দেবে ল্যান্ডার বিক্রমে। চাঁদের ভূমিরূপ কীভাবে তৈরি হচ্ছে, কোন কোন উপাদান দিয়ে চাঁদের মাটি তৈরি, তা খতিয়ে দেখে বার্তা পাঠাবে প্রজ্ঞান। এছাড়া চাঁদে কী ধরণের খনিজ রয়েছে তাও স্পেকট্রোমিটার বিশ্লেষণের মাধ্যমে পরীক্ষা করবে প্রজ্ঞান।