- Home
- West Bengal
- Kolkata
- যত কাণ্ড হোয়াট্সঅ্যাপে! চ্যাটের স্ক্রিনশট প্রকাশ্যে এনে কমিশনের বিরুদ্ধে সরব অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়
যত কাণ্ড হোয়াট্সঅ্যাপে! চ্যাটের স্ক্রিনশট প্রকাশ্যে এনে কমিশনের বিরুদ্ধে সরব অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়
Abhishek Banerjee On SIR Issues: এসআইআর বা ভোটার তালিকা নিবিড় সমীক্ষা নিয়ে এবার কমিশনের বিরুদ্ধে সরব তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রমাণ সহ হোয়াটস অ্যাপ চ্যাট প্রকাশ্যে। কী বলেছেন তিনি? বিশদে জানতে দেখুন সম্পূর্ণ ফটো গ্যালারি…
ভোটারদের নাম বাদ দেওয়া নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের
সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ অমান্য করে মাইক্রো অবজ়ারভারদের দিয়ে ভোটারদের নাম বাদ দিচ্ছে নির্বাচন কমিশন। কমিশনের অন্দরের হোয়াট্সঅ্যাপ চ্যাটের স্ক্রিনশট প্রকাশ্যে এনে অভিযোগ করলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। বুধবার এক্স হ্যান্ডলে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে অভিষেকের অভিযোগ, আইনগত এবং জবাবদিহিমূলক পদ্ধতির পরিবর্তে হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে নির্দেশ দেওয়া হচ্ছে। একটি হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে বিশেষ রোল অবজ়ারভার সি. মুরুগন মাইক্রো অবজ়ারভারদের জন্ম শংসাপত্রের গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে সরাসরি নির্দেশ দিচ্ছেন। তাঁর আরও অভিযোগ, এর মাধ্যমে ভোটার তালিকা থেকে বাদ দেওয়া নামের সংখ্যা বাড়ানোর চেষ্টা চলছে।
কমিশনের বিরুদ্ধে সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট অভিষেকের
বুধবার কমিশনের বিরুদ্ধে ইচ্ছাকৃতভাবে ভোটার তালিকা থেকে ভোটারদের নাম বাদ দেওয়া নিয়ে অভিযোগ তুলে সরব হন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এই বিষয়ে এক্স হ্যান্ডেলে তিনি লেখেন- ‘’
Is the @ECISVEEP of the view that directions of the Hon’ble Supreme Court can be openly FLOUTED? The highest Court of the land has repeatedly emphasised transparency, due process, and adherence to official channels of communication. Yet we are witnessing instructions being… pic.twitter.com/YVtwkK8p5m
— Abhishek Banerjee (@abhishekaitc) February 18, 2026''
স্ক্রিনশট দিয়ে জ্ঞানেশকুমারকে আক্রমণ অভিষেকের
শুধু তাই নয়, বুধবার নিজের এক্স হ্যান্ডেলে বেশকিছু হোয়াটস অ্যাপ চ্যাটের স্ক্রিনশট পোস্ট করেছেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখানে তিনি জানান যে, নির্বাচন কমিশনের বিশেষ পর্যবেক্ষক সি মুরুগন হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহার করে মাইক্রো অবজার্ভারদের নির্দেশ দিচ্ছেন ভোটার তালিকা থেকে ভোটারদের নাম বাদ দিয়ে দেওয়ার জন্য।
অভিষেকের কী অভিযোগ?
এই বিষয়ে অভিষেকের আরও অভিযোগ যে, হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে বিশেষ পর্যবেক্ষক সি মুরগন মাইক্রো অবজার্ভারদের সরাসরি নির্দেশ দিচ্ছেন। অভিষেকের প্রশ্ন কার নির্দেশে এই কাজ করা হচ্ছে? তিনি আরও লেখেন, ‘’আমি কি নির্বাচন কমিশনকে স্মরণ করিয়ে দেব যে, সুপ্রিম কোর্ট স্পষ্টভাবে নির্দেশ দিয়েছে, মাইক্রো অবজার্ভারদের ভূমিকা সহায়ক পর্যায়েই সীমাবদ্ধ থাকবে। তাহলে কার নির্দেশে, কেন আইনসম্মত প্রক্রিয়া এড়িয়ে যাওয়া হচ্ছে?''
কমিশনের বিরুদ্ধে সরব রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু
‘’প্রকাশ্য হোয়াটসঅ্যাপ প্ল্যাটফর্মে জানানো হচ্ছে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশিকা অমান্য করে, কি করে বাঙালিদের নাম বাংলার নাম বাদ দেওয়া যায় তা আক্রোশ কাজ করছে। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় পোস্ট করেছেন। মহারাষ্ট্র হরিয়ানা বিহারে যেরকম করতে পেরেছে ভেবেছিলে বাংলাও করতে পারবে। সিইও সাহেবের সঙ্গে দেখা করেছি। একজন বৈধ তালিকার নাম হতে পারে না দেওয়া যায় দেখব।''
জাতীয় নির্বাচন কমিশনকে চ্যালেঞ্জ মহুয়ার
এই বিষয়ে কৃষ্ণনগরের তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্র আরও বলেন যে, ‘’আমরা একাধিকবার নির্বাচন কমিশনে এসেছি। কুইগ গান মুরুগণ হোয়াতসাপ গ্রুপ এ নির্দেশ দিচ্ছেন। বাংলার সাতজন আধিকারিককে সাসপেন্ড করা হয়েছে। আমরা চাইছি মুরুগ্যান এর বিরুদ্ধে স্টেপ নেওয়া হোক।''
আর কী কী বলেছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়?
সূত্রের খবর, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের পোস্ট করা হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাট এর প্রিন্ট আউট নিয়ে নির্বাচন কমিশনে অভিযোগ তৃণমূলের প্রতিনিধি দলের। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের পরেও কিছু অসঙ্গতি নিয়ে অভিযোগ তোলে তৃণমূলের প্রতিনিধি দল। সুপ্রিম কোর্টকে মান্যতা না দিয়ে কিভাবে একজন কাজ করছে তা নিয়েও প্রশ্ন তোলা হয়। এই বিষয়ে ব্যারাকপুরের তৃণমূল সাংসদ পার্থ ভৌমিক বলেন, ‘’সি ই ও মনোজ আগরওয়াল আমাদের কথা দিয়েছেন এটা তদন্ত করে দেখবেন। ৬ তারিখ নির্বাচন কমিশন অফিসিয়াল সার্টিফিকেট গ্রহণ করবে। ৭ তারিখ আরও একটি নির্দেশ গিয়েছিল বাঙালি আর মিলিটারিদের জন্য গ্রাহ্য করা হবে। কিন্তু উনি বলেছেন সবার জন্য গ্রহণ হবে। ১৪ তারিখ পোর্টাল বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। যারা আপলোড করতে পারেননি সেগুলো পেন্ডিং হয়ে আছে। অথচ যেহেতু ২১ তারিখ অবধি সময় রয়েছে পোর্টাল খুলে রাখতেই পারতো মানুষের হয়রানি হচ্ছে। নির্বাচন কমিশনের কাজের ব্যর্থতার জন্য কেন মানুষ রোজ অনলাইনে দাঁড়িয়েছিল? তারা হয়রানির শিকার হবে? কমিশন জানিয়েছে, পোর্টাল যাতে খোলা যায় মানুষের নাম যাতে আপলোড করা যায় সেটা বিবেচনা করে দেখা হবে।''

