রক্ষণাবেক্ষণের জন্য আবারও বন্ধ থাকবে বিদ্যাসাগর সেতু, যা দ্বিতীয় হুগলি সেতু নামে পরিচিত। রবিবার, ১৮ জানুয়ারি ভোর ৫টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত বিদ্যাসাগর সেতুতে সমস্তরকম যান চলাচল বন্ধ থাকবে।

রক্ষণাবেক্ষণের জন্য আবারও বন্ধ থাকবে বিদ্যাসাগর সেতু, যা দ্বিতীয় হুগলি সেতু নামে পরিচিত। রবিবার, ১৮ জানুয়ারি ভোর ৫টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত বিদ্যাসাগর সেতুতে সমস্তরকম যান চলাচল বন্ধ থাকবে। কলকাতার পুলিশ কমিশনার মনোজ ভার্মা শুক্রবার সেতু বন্ধ রাখার নির্দেশিকা জারি করেছেন। জানানো হয়েছে, স্টে কেবল, হোল্ডিং ডাউন কেবল ও বিয়ারিং বদলের জন্য এই ব্রিজ বন্ধ করা হচ্ছে। কলকাতা পুলিশের তরফে এই সময় বিকল্প রুট হিসাবে হাওড়া ব্রিজ ব্যবহারের পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। ঘুরপথে হাওড়া ব্রিজ দিয়ে যান চলাচল করবে। এই কারণে যানজটের আশঙ্কা রয়েছে।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

এই সময়ে বিদ্যাসাগর সেতুমুখী গাড়িগুলিকে বিকল্প পথে চালানো হবে। জানানো হয়েছে, জিরাট আইল্যান্ড থেকে এজেসি বোস রোড ধরে আসা গাড়িগুলিকে টার্ফ ভিউ দিয়ে হেস্টিংস ক্রসিংয়ের দিকে ঘুরিয়ে দেওয়া হবে। সেগুলি হাওড়া ব্রিজ ধরে বেরিয়ে যাতে পারবে। তাছাড়াও হেস্টিংস ক্রসিং দিয়ে ডান দিকে ঘুরে গাড়িগুলি কেপি রোডের দিকেও যেতে পারবে। জেএন আইল্যান্ডের দিক থেকে কেপি রোড হয়ে যে সমস্ত গাড়ি আসবে, সেগুলিকে ১১ ফারলং গেট দিয়ে হেস্টিংস ক্রসিংয়ের দিকে ঘুরিয়ে দেওয়া হবে। ৮ ঘণ্টা সমস্ত গাড়িকে হাওড়া ব্রিজ ব্যবহারের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। দুপুর ১টার পর দ্বিতীয় হুগলি সেতু বা বিদ্যাসাগর সেতু ফের খুলে দেওয়া হবে। দ্বিতীয় হুগলি সেতু হুগলি রিভার ব্রিজেস কমিশনার্স (এইচআরবিসি)-এর অধীনে রক্ষণাবেক্ষণ হয়। বর্তমানে এইচআরবিসি সেতুটির রক্ষণাবেক্ষণ ও টোল আদায়ের দায়িত্ব পালন করছে।

রবিবার কলকাতা পুলিশের হাফ ম্যারাথন আছে। ফলে ময়দানের একাধিক রাস্তায় যান চলাচলে রয়েছে নিষেধাজ্ঞা। বিশেষ করে ওইদিন সকালে যাঁরা হাওড়া ও সাঁতরাগাছিতে দূরপাল্লার ট্রেন ধরতে যাবেন, তাঁদের বাড়তি সময় হাতে নিয়ে পথে নামতে হবে। এছাড়াও, রবিবার সিঙ্গুরে জনসভা রয়েছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর। হুগলিতে ৮৩০ কোটি টাকারও বেশি মূল্যের বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন করবেন, ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন এবং সেগুলোর সূচনা করবেন। এছাড়াও, প্রধানমন্ত্রী বালাগড়ে এক্সটেন্ডেড পোর্ট গেট সিস্টেমের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন, যা অভ্যন্তরীণ জলপথ পরিবহন এবং আঞ্চলিক সংযোগকে জোরদার করবে। প্রধানমন্ত্রী ৭টি অমৃত ভারত ট্রেনের সূচনা করবেন, যা পশ্চিমবঙ্গের সঙ্গে অন্যান্য রাজ্যের রেল সংযোগকে উন্নত করবে। প্রধানমন্ত্রীর দলীয় জনসভায় যোগ দিতে প্রচুর মানুষ ভিড় করতে পারে। ফলে বিজেপি নেতা, কর্মী সমর্থকদেরও সমস্যা হবে বলে জানিয়েছে বিজেপির একাংশ। যদিও তাদের তরফে এনিয়ে সরাসরি কোনও মন্তব্য করা হয়নি।