WB Panchayat Recruitment: এই বৈঠকে প্রশাসনিক কাঠামোয় পরিবর্তনের বিষয়েও গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তের কথা উঠে আসে। পঞ্চায়েত আইনে বদল আনার উদ্যোগ নিচ্ছে রাজ্য সরকার। সেই লক্ষ্যে কালীপুজোর পর বিধানসভায় বিশেষ অধিবেশন ডাকার পরিকল্পনা রয়েছে। ওই অধিবেশনেই পঞ্চায়েত আইন সংশোধন সংক্রান্ত বিষয়গুলি নিয়ে আলোচনা হতে পারে। পড়ুন সম্পূর্ণ প্রতিবেদন।।

WB Panchayat Recruitment: রাজ্যে পূর্বতন সরকারের পালাবদল হতেই ১২৫ দিনের কর্মসংস্থান প্রকল্পের বাস্তবায়নে এবার প্রশাসনিক পরিকাঠামো ঢেলে সাজানোর উদ্যোগ নিলো নতুন বিজেপি সরকার (WB BJP Govt)। গ্রামবাংলায় কর্মসংস্থান প্রকল্পের কাজ আরও গতিশীল করতে বড়সড় নিয়োগের সিদ্ধান্ত রাজ্য সরকারের। প্রথম পর্যায়ে পঞ্চায়েত (Panchayat Recruitment 2026) দফতরে ৭২০০ জন নতুন কর্মী নিয়োগ করবে রাজ্য সরকার। পাবলিক সার্ভিস কমিশনের (PSC) মাধ্যমে হবে এই নিয়োগ। সেইসঙ্গে চুক্তিভিত্তিক আরও ১০০০ কর্মী নিয়োগের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

রাজ্য সরকারের একাধিক দফতরে কর্মী নিয়োগ:- 

বুধবার সল্টলেকের পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন দফতরের সদর কার্যালয়ে রাজ্যের বিভিন্ন জেলার বিডিও-দের নিয়ে জরুরি পর্যালোচনা বৈঠকে বসেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। উপস্থিত ছিলেন পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ এবং প্রতিমন্ত্রী শান্তনু প্রামাণিক। প্রতিটি জেলার কাজের রিপোর্ট খতিয়ে দেখেন মুখ্যমন্ত্রী।

এই বৈঠকে প্রশাসনিক কাঠামোয় পরিবর্তনের বিষয়েও গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তের কথা উঠে আসে। পঞ্চায়েত আইনে বদল আনার উদ্যোগ নিচ্ছে রাজ্য সরকার। সেই লক্ষ্যে কালীপুজোর পর বিধানসভায় বিশেষ অধিবেশন ডাকার পরিকল্পনা রয়েছে। ওই অধিবেশনেই পঞ্চায়েত আইন সংশোধন সংক্রান্ত বিষয়গুলি নিয়ে আলোচনা হতে পারে।পাশাপাশি পঞ্চায়েত দফতরের পরিকাঠামো উন্নয়নেও উদ্যোগী রাজ্য। নতুন পঞ্চায়েত ভবন তৈরির জন্য রাজ্য সরকার পাঁচ একর জমি পঞ্চায়েত দফতরকে দিচ্ছে। প্রশাসনিক কাজের পরিধি বাড়ানো এবং পরিকাঠামোকে আরও সুসংহত করাই এই উদ্যোগের লক্ষ্য।

অন্যদিকে, প্রকল্পে স্বচ্ছতা আনতে ভুয়ো জব কার্ড চিহ্নিত করে বাদ দেওয়ার কাজও চলছে। রাজ্য সরকারের দাবি, ইতিমধ্যেই ৩১ লক্ষ ভুয়ো জব কার্ড হোল্ডারের নাম তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। উপভোক্তাদের তথ্য যাচাই, আধার সংযুক্তিকরণ এবং ই-কেওয়াইসি প্রক্রিয়ার উপরেও জোর দেওয়া হচ্ছে। রাজ্যের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ৩,৩৯৩টি গ্রাম পঞ্চায়েতে বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজ চলছে। গ্রামীণ রাস্তা নির্মাণ, পুকুর সংস্কার, বৃক্ষরোপণ, স্কুল ও অঙ্গনওয়াড়ি পরিকাঠামো উন্নয়ন-সহ একাধিক প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে। দৈনিক শ্রমদিবসের সংখ্যা বাড়িয়ে আরও বেশি মানুষের কর্মসংস্থান তৈরির লক্ষ্যমাত্রাও রয়েছে।

আরও খবরের জন্য চোখ রাখুন এশিয়ানেট নিউজ বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।