সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন তাপমাত্রা গতকালের তুলনায় আরও কম। আগামী ২-৩ দিন তাপমাত্রা বৃদ্ধির কোনও সম্ভাবনা নেই। ১০ জানুয়ারি থেকে ফের ধীরে ধীরে বাড়বে তাপমাত্রা।

সপ্তাহান্তে আরও একটু নামল তাপমাত্রার পারদ। গত কালের তুলনায় আরও কমল শহরের তাপমাত্রা। নতুন বছরের প্রথম সপ্তাহ থেকেই হারকাঁপানো শীত বাংলায়। চলতি মরশুমে গোটা ডিসেম্বর মাসে ঠান্ডা না পড়লেও সেই ঘাটতি পূরণ হয়েছে নতুন বছরে। গত দশ বছরেও এই রকম শীত পড়েনি বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর। শুধু বাংলা নয় শীতের দাপটে কাঁপছে উত্তর ভারতও। কার্যত শৈত্যপ্রবাহের পরিস্থিতি রাজধানীতে। বেশ কিছু জায়গায় তাপমাত্রা নেমেছিল আড়াই ডিগ্রির কাছাকাছি। তবে গত কয়েকদিনের তুলনায় আজ সকাল থেকেই কুয়াশামুক্ত শহরের আকাশ। সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন তাপমাত্রা গতকালের তুলনায় আরও কম। আগামী ২-৩ দিন তাপমাত্রা বৃদ্ধির কোনও সম্ভাবনা নেই। ১০ জানুয়ারি থেকে ফের ধীরে ধীরে বাড়বে তাপমাত্রা।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

আজ ৭ জানুয়ারি শনিবারও কনকনে ঠান্ডায় ঘুম ভাঙল শহরের। গতকালের তুলনায় আরও কমল সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন তাপমাত্রা। আজ দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা থাকবে ২৩ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কাছাকাছি, যা স্বাভাবিকের তুলনায় ২ ডিগ্রি কম। শহরের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১১ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের তুলনায় ৪ ডিগ্রি কম। তবে দীর্ঘদিন পর আজ কুয়াশামুক্ত ভোর দেখল তিলোত্তমা। সকাল থেকেই পরিষ্কার শহরের আকাশ। এক্ষুণি বৃষ্টিপাতের কোনও সম্ভাবনা নেই। বাতাসে আপেক্ষিক আর্দ্রতার পরিমাণ ৮৬ শতাংশ।

গতকাল এই শহরের তাপমাত্রা আজকের তুলনায় সামান্য বেশি ছিল। এদিন ভোরের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা নামল ১২ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। যা স্বাভাবিকের তুলনায় প্রায় ৩ ডিগ্রি কম। অন্যদিকে সর্বচ্চো তাপমাত্রা পৌঁছল ২২ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। যা স্বাভাবিকের তুলনায় ৩ ডিগ্রি কম। জাঁকিয়ে শীতের পাশাপাশি শহর জুড়ে থাকছে ঘন কুয়াশাও। তবে বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে কুয়াশা হালকা হতে থাকবে বলেও জানিয়েছে হাওয়া অফিস। দিনের বেলায় মূলত মেঘমুক্ত পরিষ্কার আকাশই থাকবে। এক্ষুণি বৃষ্টির কোনও সম্ভাবনা নেই। বাতাসে আপেক্ষিক আর্দ্রতার পরিমাণ ৮৫ শতাংশ।

বৃহস্পতিবার দিল্লিতে ঠাণ্ডা ও কুয়াশা পুরোদমে ব্যাটিং করল। ঘন কুয়াশার কারণে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে। এদিন দিল্লির সর্বনিম্ন গড় তাপমাত্রা ছিল তিন ডিগ্রি সেলসিয়াস। একই সময়ে সর্বোচ্চ তাপমাত্রাও পৌঁছেছে ১৬ দশমিক ৫ ডিগ্রিতে। এ কারণে গত ১০ বছরের মধ্যে ৫ জানুয়ারি ছিল শীতলতম দিন। ঠান্ডার পাশাপাশি কুয়াশাও বিপাকে পড়েছে। সকাল সাড়ে ৮টায় সাফদারজং ও পালামের দৃশ্যমানতা ছিল ৫০ মিটার। শুক্রবারও শৈত্যপ্রবাহের কমলা সতর্কতা জারি করেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

আরও পড়ুন - 

শহরে আসছেন নাড্ডা ও মোহন ভাগবত, চাকরিপ্রার্থীদের কাছে পৌঁছে গেল ‘দিদির দূত’, সেরা ১০টি খবর এক ঝলকে

শুক্রবারও অব্যহত শীতের দাপট, বছরের শুরুতেই শৈত্যপ্রবাহের সম্ভাবনা দেশজুড়ে

বরফে ঢাকা ভিক্টোরিয়া থেকে হাওড়া ব্রিজ, ভাইরাল ছবি দেখে হতবাক নেটদুনিয়া, আসল সত্যিটা কী? জেনে নিন