ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গেছে ডাক্তারদের গণ-কনভেনশন। আরজি কর হত্যাকাণ্ডের বিরুদ্ধে এবং বিচারের দাবিতে এই গণ-কনভেনশনের ডাক দিয়েছেন জুনিয়র ডাক্তাররা।

ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গেছে ডাক্তারদের গণ-কনভেনশন। আরজি কর হত্যাকাণ্ডের বিরুদ্ধে এবং বিচারের দাবিতে এই গণ-কনভেনশনের ডাক দিয়েছেন জুনিয়র ডাক্তাররা।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

শুক্রবার, এসএসকেএম হাসপাতালের অডিটোরিয়ামে সেই কর্মসূচি শুরু হয়েছে। দীর্ঘদিন রাস্তায় থেকে আন্দোলন এবং অবস্থান চালিয়েছেন তারা। সেই তীব্র আন্দোলনের চাপে সরকার তাদের একাধিক দাবি মেনে নেওয়ার পর কাজে যোগ দেন জুনিয়র ডাক্তাররা। কিন্তু সঙ্গে তারা এও জানান, আন্দোলন থামেনি।

তাই এদিন ফের একবার গণ-কনভেনশনের ডাক দিয়েছেন ডাক্তারবাবুরা। তবে সমাজের সর্বস্তরের প্রতিনিধিদেরকেই তারা এই কর্মসূচিতে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। জুনিয়র ডাক্তারদের সংগঠন ‘ওয়েস্ট বেঙ্গল জুনিয়র ডাক্তার ফ্রন্ট’-এর মতে এই আন্দোলন শুধু তাদের একার নয়, সবার। বাস্তবে বহু সাধারণ মানুষ এই প্রতিবাদে শামিল হয়েছেন এবং জুনিয়র ডাক্তারদের দিকে সাহায্যের হাতও বাড়িয়ে দিয়েছেন।

তাই যে রিক্সা চালকরা বিচারের দাবিতে মিছিল করেছিলেন, তারাও এদিন আমন্ত্রিত। এছাড়াও প্রবীণ চিকিৎসক, বিশিষ্ট অভিনেতা, পরিচালক থেকে আইটি কর্মী এবং মোহনবাগান-ইস্টবেঙ্গল-মহামেডান সমর্থকদেরও এই গণ-কনভেনশনে যোগ দেওয়ার জন্য আহ্বান জানানো হয়েছে।

আন্দোলনকারীরা জানিয়েছেন, এতদিন তারা কী ঠিক বা ভুল করেছেন এবং আগামীদিনে কী করা উচিৎ, এই কর্মসূচিতে সেইসব নিয়েই আলোচনা হবে। সমাজের সকল স্তরের মানুষের কাছ থেকে পরামর্শ নিয়ে ভবিষ্যতে এগোতে চান জুনিয়র ডাক্তাররা।

কনভেনশন চলাকালীন একটি মুহূর্ত

এদিকে জুনিয়র ডাক্তারদের এই গণ-কনভেনশনে হাজির রয়েছেন এসএসকেএম হাসপাতালের ডিরেক্টর মণিময় বন্দ্যোপাধ্যায়। সেইসঙ্গে, এসএসকেএম-এর সুপারও রয়েছেন। যোগ দিয়েছেন চিকিৎসক দীপ্তেন্দ্র সরকার।

‘আগুন এখনও নেভেনি’ এই বার্তা দিয়েই গণ-কনভেনশন শুরু করলেন জুনিয়র ডাক্তাররা। ইতিমধ্যেই চিকিৎসক সহ সমাজের নানা স্তরের মানুষ যোগ দিয়েছেন এই গণ কনভেনশনে। আরও অনেকেই আসছেন। ফলে, ভিড় বাড়ছে ক্রমশই।

চিকিৎসক দীপ্তেন্দ্র সরকারের কথায়, ‘‘আরজি কর নিয়ে আমাদের সন্দেহ একদমই মিথ্যা ছিল না। যাদের সন্দেহ করা হচ্ছিল, সিবিআই তাঁদেরকেই ডেকেছে। কিন্তু ৫০ দিন পরেও সমাজের অন্ধকার কেটেছে বলে আমি মনে করি না। সিবিআই-এর দেওয়া খামের তথ্য দেখে প্রধান বিচারপতিও রীতিমতো বিচলিত হয়ে পড়েছিলেন। কারণ, ঐ খামে মৃত্যু সম্পর্কিত নানা তথ্য রয়েছে। খামে কী রয়েছে তা নিয়ে যদি ৩-৪ মিনিট উনি কিছু বলতেন, তাহলে পশ্চিমবঙ্গের ১০ কোটি মানুষের বিচলিত হওয়ার কারণ কিছুটা কমত।”

আরও খবরের জন্য চোখ রাখুন এশিয়ানেট নিউজ বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।