Suvendu Adhikari: সোমবার শুভেন্দু অধিকারীর মন্ত্রিসভার প্রথম বৈঠক। বৈঠক হবে নবান্নতে। মন্ত্রিসভার বৈঠকের পাশাপাশি তিনটি প্রশাসনিক বৈঠকও করবেন শুভেন্দু অধিকারী। আলোচনা হতে পারে অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার নিয়ে। 

সোমবার শুভেন্দু অধিকারীর মন্ত্রিসভার প্রথম বৈঠক। বৈঠক হবে নবান্নতে। মন্ত্রিসভার বৈঠকের পাশাপাশি তিনটি প্রশাসনিক বৈঠকও করবেন শুভেন্দু অধিকারী। প্রথম বৈঠক নবান্নতে হলেও এখনও পর্যন্ত বিজেপি সূত্রে যা খবর পাওয়া যাচ্ছে তাতে রাজ্য় সরকার নবান্নর পরিবর্তে মহাকরণ থেকেই রাজপাট চালাবে। তবে মহাকরণে এখনও সংস্কারের কাজ চলছে। সূত্রের খবর তিন তলার একটি ঘর শুভেন্দু অধিকারীর জন্য তৈরি করা হয়েছে। যাইহোক রাজ্যের প্রথম বিজেপি সরকারের প্রথম মন্ত্রিসভার বৈঠক হচ্ছে নবান্নে।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

প্রথম মন্ত্রিসভার বৈঠক

শুভেন্দু অধিকারীর নিরাপত্তা নিয়ে যথেষ্ট সচেতন রয়েছে রাজ্য পুলিশ। নবান্ন সূত্রের খবর, মন্ত্রিসভার বৈঠক হবে সোমবার দুপুর ১২টার সময়। শপথরে পরে শনিবারই একপ্রস্ত বৈঠক সেরেছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু। ওই দিন ধর্মতলায় পূর্ত দফতরের তাঁবুতে একপ্রস্ত প্রশাসনিক বৈঠক সারেন তিনি। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের মুখ্যসচিব দুষ্মন্ত নারিওয়ালা, স্বরাষ্ট্রসচিব সংঘমিত্রা ঘোষ এবং রাজ্য পুলিশের ডিজি সিদ্ধনাথ গুপ্ত। রাজ্যের সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে তিনি খোঁজখবর নেন ওই বৈঠকে। শনিবার রাতে কাঁথিতে নিজের বাড়িতে যান শুভেন্দু। রবিবার সেখানেই ছিলেন। রবিবার বিকেল ৫টায় কাঁথি থেকে কলকাতার উদ্দেশ্যে রওনা দেন তিনি।

জনমুখী প্রকল্প

তবে নবান্নে মন্ত্রিসভার প্রথম বৈঠকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের চালু করা জনমুখী প্রকল্পগুলির ভবিষ্যৎ নিয়ে আলোচনা হতে পারে বলে সূত্রের খবর। যদিও বিজেপির নির্বাচনী প্রতিশ্রুতিতে লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের পরিবর্তে অন্নপূর্ণা যোজনা, স্বাস্থ্যসাথীর পরিবর্তে কেন্দ্রীয় সরকারের আয়ূষ্মান ভারত প্রকল্প চালু করার কথা। তাই জনমুখী প্রকল্পগুলি থেকে মানুষ যাতে দীর্ঘদিন বঞ্চিত না হন সেই দিকে নজর দিতে পারে বলেও মনে করছে নবান্নের একটি অংশ।

প্রশাসনিক বৈঠক

সোমবার নবান্নে পরপর তিনটি প্রশাসনিক বৈঠক করবেন শুভেন্দু অধিকারী। প্রথম বৈঠক রাজ্যের শীর্ষকর্তাদের সঙ্গে। তারপর জেলা শাসকদের নিয়ে বৈঠক করতে পারেন। তৃতীয় বৈঠক হবে বিকেলে, রাজ্যের পুলিশের শীর্ষ আধিকারিকদের সঙ্গে। সূত্রের খবর, বৈঠকে উপস্থিত থাকবেন রাজ্য পুলিশের ডিজি, কলকাতার পুলিশ কমিশনার-সহ রাজ্যের বিভিন্ন জ়োনের উচ্চপদস্থ আধিকারিকেরা।