Bekar Bhata: জুনেই মিলবে বেকার ভাতা, কোথায় কীভাবে আবেদন করবেন? কী নথি লাগবে?
বেকার ভাতা বা Bekar Bhata প্রকল্পে কীভাবে আবেদন করবেন, কারা এই সুবিধা পাবেন এবং কী কী নথি লাগবে তা নিয়ে বিস্তারিত জানুন। অনলাইন আবেদন প্রক্রিয়া, যোগ্যতা, এমপ্লয়মেন্ট এক্সচেঞ্জ রেজিস্ট্রেশন এবং সরকারি নিয়ম সম্পর্কে সম্পূর্ণ তথ্য জেনে নিন।

পশ্চিমবঙ্গের নতুন সরকার গঠনের পর রাজ্যের বেকার যুবক-যুবতীদের জন্য নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি পালনে বড় পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। পূর্ববর্তী 'যুবসাথী' বা 'যুবশ্রী' প্রকল্পের ভাতার পরিমাণ দ্বিগুণ করে মাসিক ৩,০০০ টাকা করার ঘোষণা করেছে বর্তমান প্রশাসন।

এই 'যুবশক্তি ভরসা কার্ড' বা যুবশক্তি প্রকল্পের মাধ্যমে যোগ্য প্রার্থীরা চাকরি না পাওয়া পর্যন্ত নিয়মিত এই আর্থিক সহায়তা পাবেন।
আবেদনের যোগ্যতা: যুবশক্তি প্রকল্পের সুবিধা পেতে আবেদনকারীকে অবশ্যই কিছু নির্দিষ্ট শর্ত পূরণ করতে হবে:
১. বাসস্থান: আবেদনকারীকে পশ্চিমবঙ্গের স্থায়ী বাসিন্দা হতে হবে
২. বয়স: প্রার্থীর বয়স ন্যূনতম ২১ থেকে সর্বোচ্চ ৪০ বছরের মধ্যে হওয়া বাধ্যতামূলক (উল্লেখ্য, পুরনো যুবশ্রী প্রকল্পে ১৮-৪৫ বছর বয়স গ্রাহ্য ছিল)।
৩. শিক্ষাগত যোগ্যতা: ন্যূনতম মাধ্যমিক (Madhyamik) বা সমতুল্য পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হবে
৪. কর্মসংস্থান: আবেদনকারীকে সম্পূর্ণভাবে কর্মহীন বা বেকার হতে হবে; কোনো সরকারি বা বেসরকারি সংস্থায় যুক্ত থাকলে আবেদন করা যাবে না।
অনলাইন আবেদন পদ্ধতি: সরকার এই প্রকল্পের জন্য সম্পূর্ণ নতুন এবং স্বচ্ছ অনলাইন পোর্টাল তৈরি করেছে।
আবেদন করার জন্য নির্দিষ্ট ওয়েবসাইট https://www.juboshokti.in/-এ যেতে হবে।
এ ছাড়াও এমপ্লয়মেন্ট ব্যাঙ্কের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট (https://www.employmentbankwb.gov.in/) থেকে "New Enrolment Job Seeker" লিঙ্কে ক্লিক করে আবেদন করা যাবে।
পোর্টালে গিয়ে ব্যক্তিগত তথ্য, শিক্ষাগত যোগ্যতা এবং ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের বিবরণ দিয়ে ফর্ম ফিলাপ করতে হবে।
সফলভাবে রেজিস্ট্রেশনের পর ইউজারনেম ও পাসওয়ার্ড পাওয়া যাবে এবং প্রয়োজনীয় নথিপত্র আপলোড করতে হবে।
প্রয়োজনীয় নথিপত্র: অনলাইনে ফর্ম ফিলাপের সময় নিচের নথিগুলি স্ক্যান করে (২০কেবি-১০০কেবি) আপলোড করতে হবে:
পরিচয়পত্র ও ঠিকানার প্রমাণ হিসেবে আধার কার্ড বা ভোটার কার্ড।
বয়সের প্রমাণ হিসেবে মাধ্যমিকের অ্যাডমিট কার্ড বা বার্থ সার্টিফিকেট।
শিক্ষাগত যোগ্যতার সব মার্কশিট ও সার্টিফিকেট।
সাম্প্রতিক পাসপোর্ট সাইজ রঙিন ছবি এবং ব্যাঙ্কের পাসবুকের প্রথম পাতার কপি।
ডিবিটি (DBT) ও টাকা পাওয়ার সময়সীমা: এই প্রকল্পের টাকা সরাসরি উপভোক্তার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে ডিবিটি (Direct Benefit Transfer)-এর মাধ্যমে পাঠানো হবে। এর জন্য ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের সাথে আধার কার্ড লিঙ্ক থাকা বাধ্যতামূলক। আগামী ১ জুন ২০২৬ থেকে যোগ্য উপভোক্তাদের অ্যাকাউন্টে ভাতার টাকা আসা শুরু হবে বলে প্রশাসন সূত্রে খবর।

