আশিস মণ্ডল, বীরভূম:  করোনায় আক্রান্ত হয়ে একইদিনে তিনজনের মৃত্য়ু! শেষকৃত্য করতে গিয়ে বেকায়দায় পড়েছে প্রশাসন। এরইমধ্যে আবার 'দ্বিতীয়বার পরীক্ষা' না করেই হাসপাতাল ছেড়ে দেওয়া হয়েছে আক্রান্ত এক যুবককে। যতকাণ্ড বীরভূমের রামপুরহাটে। আতঙ্কের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে ক্ষোভও বাড়ছে স্থানীয়দের। 

আরও পড়ুন: সেফ হোমে 'চরম অব্যবস্থা', পথ অবরোধ করে বিক্ষোভ করোনা আক্রান্তদের

জানা গিয়েছে, করোনার উপসর্গ নিয়ে শুক্রবার সন্ধ্যায় রামপুরহাটে কোভিড হাসপাতালে ভর্তি হন এক ব্যক্তি।  শনিবার ভর্তি করা  হয়  আরও দু'জনকে। প্রথমজনে বাড়ি বীরভূমেরই মহম্মদবাজারে। বাকি দু'জনের মধ্যে একজনের বাড়ি রামপুরহাট শহরে, আর অন্য়জন নলহাটির বাসিন্দা। শেষরক্ষা হয়নি, রবিবার মারা যান তিনজনই। এরপর রাতে যখন রামপুরহাট শহরে সানঘাটাপাড়া শ্মশানে দেহ সৎকারের জন্য নিয়ে যান প্রশাসনিক আধিকারিক, তখন বাধা দেন স্থানীয় বাসিন্দারা। বিক্ষোভের মুখে পড়ে বাধ্য হয়ে দেহগুলি ফিরিয়ে আনতে হয়। শেষ খবর অনুযায়ী, এখনও মৃতদের শেষকৃত্য করা যায়নি।

আরও পড়ুন: নিজে করোনা আক্রান্ত জেনেও দোকান রাখলেন খোলা, আতঙ্কে স্বাস্থ্য দফতরে খবর দিল বেহালাবাসী

এদিকে বুধবার আবার রামপুরহাট শহরে এক যুবকের করোনা সংক্রমণ ধরা পড়ে। তাঁকে যথারীতি ভর্তি করা হয় কোভিড হাসপাতালে। সোমবার ছাড়াও পেয়ে গিয়েছেন ওই যুবক। কিন্তু তিনি আদৌও সুস্থ তো? প্রশ্ন তুলেছেন পরিবারের লোকেরাই। তাঁদের অভিযোগ, দ্বিতীয় বার পরীক্ষা না করেই রোগীকে ছেড়ে দিয়েছেন চিকিৎসকরা। এমনকী, হাসপাতালে নথিতেও পর্যাপ্ত তথ্য নেই! ওই যুবক রামপুরহাট শহরের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দারা। ওয়ার্ডটি পুরোপুরি সিল করে দিয়েছে প্রশাসন। এলাকায় বন্ধ দোকানপাঠ, প্রয়োজন ছাড়া বাড়ির বেরোচ্ছেন না কেউ। ফলে স্বাস্থ্য দপ্তরের ভূমিকা রীতিমতো ক্ষুদ্ধ স্থানীয় বাসিন্দারা।