Religious Conversion: রাজ্যে ক্ষমতায় আসার আগে থাকতেই লাভ জিহাদ (Love Jihad) ও ধর্মান্তকরণ রোখার জন্য অভিন্ন দেওয়ানি বিধি (UCC) চালু করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল বিজেপি (BJP)। কিন্তু এখনও অভিন্ন দেওয়ানি বিধি চালু করা হয়নি। এরই মধ্যে বিভিন্ন জেলায় ধর্মান্তকরণের অভিযোগ উঠছে। ফলে শাসক দল ও প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।

DID YOU
KNOW
?
অভিন্ন দেওয়ানি বিধি
মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী রাজ্যে অভিন্ন দেওয়ানি বিধি চালু করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। তবে এখনও ধর্মান্তকরণের অভিযোগ উঠছে।

Malda: বিদেশ থেকে আসা অর্থ কাজে লাগিয়ে ভুল বুঝিয়ে হিন্দু সম্প্রদায়ের পিছিয়ে পড়া অংশের মানুষজনকে ধর্মান্তকরণের অভিযোগ খ্রিস্টান মিশনারীদের বিরুদ্ধে। এই ঘটনা ঘটেছে মালদার হরিশ্চন্দ্রপুর থানার গোলা মোড়ে। স্থানীয় একটি বাড়িতে খ্রিস্টান মিশনারিরা ধর্মান্তকরণের অনুষ্ঠান আয়োজন করতেই স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশের উদ্যোগে সেই চেষ্টা রুখে দিলেন হিন্দু সংগঠনের সদস্যরা। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই অঞ্চলে প্রায় শতাধিক হিন্দু সম্প্রদায়ের তফসিলি তালিকাভুক্ত মুসহর পরিবারের বসবাস। ইতিমধ্যেই প্রায় ৪০টি পরিবার খ্রিস্টান ধর্ম গ্রহণ করেছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, রবিবার দুপুরে আরও কয়েকটি হিন্দু পরিবারের সদস্যদের অর্থের বিনিময়ে জোরপূর্বক খ্রিস্টান ধর্ম গ্রহণ করানোর জন্য একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রণক্ষেত্র হয়ে ওঠে ওই অঞ্চল।

ধর্মান্তকরণ রুখতে আসরে বজরং দল

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, রবিবার দুপুরে ধর্মান্তকরণের অনুষ্ঠানের খবর পেয়ে বেশ কয়েকজন যুবক প্রতিবাদে সরব হন। তাঁরা স্থানীয় হিন্দু সংগঠনকে খবর দেন। এরপরেই বজরং দল (Bajrang Dal), হিন্দু জাগরণ মঞ্চের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে যান। সেখানে তখন ছিলেন মিশনারিরা। দু'পক্ষের মধ্যে বাকবিতণ্ডা থেকে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। যে বাড়িতে এই অনুষ্ঠান হচ্ছিল সেখানে ভাঙচুর চলে। যদিও ভাঙচুরের অভিযোগ অস্বীকার করেছে হিন্দু সংগঠন। পাল্টা মারধরের অভিযোগ তুলেছে হিন্দু সংগঠন। বজরং দলের পাঁচ সদস্য এই ঘটনায় আহত হয়েছেন। তাঁরা হরিশ্চন্দ্রপুর গ্রামীণ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। হিন্দু সংগঠন এবং বিজেপি (BJP) নেতৃত্বের অভিযোগ, খ্রিস্টান মিশনারিরা এইভাবেই বিদেশ থেকে আসা অর্থ দিয়ে ভুল বুঝিয়ে জোর করে ধর্মান্তকরণের কাজ করছে। এর বিরুদ্ধে তদন্ত করে উপযুক্ত পদক্ষেপ নিতে হবে।

অভিযোগ অস্বীকার ধর্মান্তরিত ব্যক্তিদের

এই ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে হরিশ্চন্দ্রপুর থানার পুলিশ। যদিও খ্রিস্টান ধর্ম গ্রহণ করা পরিবারগুলির সদস্যদের দাবি, তাঁরা বিভিন্ন সমস্যা থেকে সমাধানের পথ পাওয়াতে স্বেচ্ছায় খ্রিস্টান ধর্ম গ্রহণ করেছেন। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এখনও উত্তপ্ত ওই অঞ্চল।

আরও খবরের জন্য চোখ রাখুন এশিয়ানেট নিউজ বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।