প্রত্যেক বছরই পুজোর সময় পরিবার ও নিজের এলাকায় সময় কাটাতেন সুকান্ত মজুমদার। এবারও তার অন্যথা হল না। দুর্গাপুজোর মধ্যে কলকাতার সব কাজ গুছিয়ে নিয়ে ১১ অক্টোবর বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছিলেন। পৌঁছান গতকাল। 

ইজেডসিসি (EZCC) প্রেক্ষাগৃহে বিজেপির (BJP) তরফে দুর্গাপুজোর (Durga Puja) আয়োজন করা হয়েছে। কিন্তু, পুজোর সময়টা নিজের গড় বালুরঘাটে (Balurghat) কাটাতেই বেশি পছন্দ করেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumder)। আর সেই কারণেই পুজোর সময় ফিরে গেলেন নিজের শহরে। সেখানেই আজ সকালে নিজের পাড়ার ক্লাব মৈত্রী চক্রে সস্ত্রীক অষ্টমীর অঞ্জলি (Ashtami Anjali) দিলেন তিনি। 

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

গতকাল অর্থাৎ ১২ অক্টোবর তিনি কলকাতা (Kolkata) থেকে বালুরঘাটে নিজের বাড়িতে এসে পৌঁছান। প্রত্যেক বছরই পুজোর সময় পরিবার ও নিজের এলাকায় সময় কাটাতেন সুকান্ত মজুমদার। এবারও তার অন্যথা হল না। দুর্গাপুজোর মধ্যে কলকাতার সব কাজ গুছিয়ে নিয়ে ১১ অক্টোবর বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছিলেন। পৌঁছান গতকাল। 

আরও পড়ুন- প্রথম কুমারী হিসেবে ক্ষিরভবানীর মন্দিরে এক মুসলিম মেয়েকে দুর্গা রূপে পুজো করেছিলেন স্বামীজী

বুধবার সকালে নিজের ছেলে ও স্ত্রীকে নিয়ে পাড়ার পুজো মণ্ডপে (Puja Pandal) অঞ্জলি দিতে পৌঁছে যান বিজেপি সাংসদ তথা রাজ্য সভাপতি সুকান্ত। পাড়ার সবার সঙ্গে দাঁড়িয়ে অঞ্চলি দিতে দেখা যায় তাঁকে। রাজ্য সভাপতি হওয়ার পর এটাই তাঁর প্রথম পুজো। আর আজ সকাল থেকেই বেশ ফুরফুরে মেজাজে দেখা গেল তাঁকে। সকাল সকাল ছেলে ও স্ত্রীর সঙ্গে চলে যান পাড়ার পুজো মণ্ডপে। সেখানে ছেলের সঙ্গে ক্যাপ ফাটান তিনি। এদিকে পুজোর সময় হাতের কাছে সাংসদকে দেখতে পেয়ে তাঁর সঙ্গে কথা বলেন স্থানীয় বাসিন্দারা। বিভিন্ন বিষয় নিয়ে স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলেন তিনি। 

তবে পুজোর কটাদিন কোনও দলীয় কাজ করেন না সুকান্ত। শুধুমাত্র বিভিন্ন পুজোমণ্ডপ পরিদর্শন এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে দেখা করেন তিনি। বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলেন। মৈত্রী চক্র থেকে বেরিয়ে জেলার আরও বেশ কয়েকটি পুজো মণ্ডপে যান তিনি। বিভিন্ন মণ্ডপ পরিদর্শন করেন। 

আরও পড়ুন- বিশ্ববাংলা থেকে খেলা হবে, হরিশ্চন্দ্রপুরের পুজোমণ্ডপে দশভুজা মমতা

অঞ্জলি দিয়ে বেরিয়েই সাংবাদিকদের প্রশ্নের মুখে পড়তে হয় সুকান্তকে। মায়ের কাছে কী প্রার্থমা করলেন তার উত্তরে তিনি বলেন, "‌মায়ের কাছে একটাই জিনিস চেয়েছি। পশ্চিমবঙ্গে যেন শান্তি বজায় থাকে। রাজনৈতিক হিংসা যেন মুছে যায়। কেউ ভিন্ন দল করার জন্য, কাউকে যেন আর অন্য দলের হাতে আক্রান্ত হতে না হয়। পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতির যে খারাপ একটা দিক উঠে এসেছে তা আমরা যেন পেরিয়ে আসি।"‌ একুশের নির্বাচনের পরই রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ভোট পরবর্তী হিংসার খবর পাওয়া যাচ্ছিল। তা নিয়ে সরব হয়েছিলেন বিজেপি নেতারা। আর এবার অষ্টমীর দিন সেই প্রসঙ্গই শোনা গেল সুকান্তর মুখেও। 

আরও পড়ুন- মুর্শিদাবাদের নেহালিয়ায় বিপ্লবীদের হাত ধরে শুরু হয়েছিল সিংহ বাড়ির দুর্গাপুজো

এছাড়া শ্রীভূমি স্পোর্টিং ক্লাবে এবার পুজোর থিম বুর্জ খলিফা। সেই মণ্ডপের লেজার লাইট বন্ধ করা হয়েছে। এ প্রসঙ্গেও সরব হন বিজেপির রাজ্য সভাপতি। তিনি বলেন, "ওই এলাকার পাশেই বিমানবন্দর রয়েছে।পুজো সবার। তাই সব কিছু নিয়ম মেনেই পুজো করা উচিত। এভাবে কারও অসুবিধা বাঞ্ছনীয় নয়।"

YouTube video player