Murshidabad: গত কয়েক বছরে বারবার হিংসা ছড়িয়েছে মুর্শিদাবাদে। বিধানসভা নির্বাচনের (2026 West Bengal Legislative Assembly election) ঠিক আগে এই জেলায় ফের সাম্প্রদায়িক উত্তেজনা তৈরি হল। পুলিশের ভূমিকায় তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় হিন্দুরা। তাঁরা রাস্তায় নেমে পুলিশের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন।

DID YOU
KNOW
?
মুর্শিদাবাদে উত্তেজনা
কালী ও শিব মূর্তি ভাঙার ঘটনাকে কেন্দ্র করে মুর্শিদাবাদে ফের উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

Idols Broken: বাংলাদেশে (Bangladesh) ঠিক যেভাবে বিভিন্ন মন্দিরে বা মণ্ডপে হামলা চালিয়ে মূর্তি ভেঙে দেওয়া হয়, এবার সেই একই অভিযোগ উঠল মুর্শিদাবাদে (Murshidabad)। রাতের অন্ধকারে অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মুর্শিদাবাদ থানার (Murshidabad Police Station) অন্তর্গত চুনাখালি শ্যামবাজার (Chunakhali Shyambazar) অঞ্চলে কালী (Kali Mata), শিবের (Lord Shiva) মূর্তি ভেঙে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনার প্রতিবাদে জলঙ্গি রোড অবরোধ শুরু করেন স্থানীয় বাসিন্দারা। পুলিশকর্মীরা ঘটনাস্থলে গেলে তাঁদের ঘিরে বিক্ষোভ শুরু হয়। বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ, পুলিশ তাঁদের অভিযোগ না শুনেই অবরোধ তুলে দেওয়ার চেষ্টা করে। জোর করে ভাঙা মূর্তি নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে পুলিশ। পূজা কমিটিকে মূর্তি বিসর্জনের জন্য চাপও দেয় পুলিশ। স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, দোষী ব্যক্তিদের চিহ্নিত করে গ্রেফতার করতে হবে। বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে থাকলেও, সতর্কতামূলকভাবে নজরদারি বজায় রেখেছে পুলিশ। প্রশাসনের পক্ষ থেকে সকলকে শান্তি ও সম্প্রীতি বজায় রাখার আহ্বান জানানো হয়েছে।

পুলিশের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ

স্থানীয় এক বাসিন্দা বলেছেন, 'সকালে এসে আমরা দেখছি, এখানে মূর্তি ভেঙে পড়ে আছে। প্রত্যেক বছর এখানে কালীপুজো হয়। এখানে পুলিশ ভ্যান থাকে। ১০০ মিটার দূরে ফাঁড়ি। সারারাত গাড়িগুলি থেকে টাকা নেয় পুলিশ। তখন পুলিশ থাকে। আর এখানে এত বড় ঘটনা ঘটে গেল, পুলিশের দেখা পাওয়া গেল না। আজ আমরা সনাতনীরা আমাদের মূর্তি বাঁচানোর জন্য রাস্তায় নেমেছি। আমরা এর বিচার চাই।'

Scroll to load tweet…

শাসক দলকে আক্রমণ বিজেপি-র

এই ঘটনার খবর পেয়ে পৌঁছে যান আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে (2026 West Bengal Legislative Assembly election) বিজেপি (BJP) প্রার্থী সুব্রত মৈত্র। ঘটনাস্থলে পৌঁছন মুর্শিদাবাদ বিধানসভার বর্তমান বিজেপি বিধায়ক গৌরী শংকর ঘোষ। তিনি এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন এবং বিষয়টি তৃণমূল কংগ্রেসের (AITC) জঘন্য রাজনীতির পরিচয় বলে আখ্যায়িত করেন। বিষয়টি যথাযথভাবে খতিয়ে দেখার দাবি জানান তিনি।

আরও খবরের আপডেট পেতে চোখ রাখুন আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।