Santipur News: বাংলাদেশে (Bangladesh) এই দৃশ্য স্বাভাবিক হয়ে গিয়েছে। হিন্দুদের যে কোনও বড় পুজোর আগেই মূর্তি ভেঙে দেয় মৌলবাদীরা। এখন পশ্চিমঙ্গেও এই ঘটনা দেখা যাচ্ছে। মৌলবাদীরাই মূর্তি ভেঙে দিচ্ছে বলে অভিযোগ বিজেপি-র (BJP)।

DID YOU
KNOW
?
বারবার মূর্তি ভাঙচুর
পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন প্রান্তে দেব-দেবীর মূর্তি ভাঙচুর করার অভিযোগ উঠেছে। এবার শান্তিপুরে একই অভিযোগ উঠল।

Saraswati Idols Broken: সরস্বতী পুজোর আগে মূর্তি ভাঙচুর। শুধু সরস্বতী প্রতিমাই নয়, কালীমূর্তিও ভেঙে দেওয়া হয়েছে। এই ঘটনা ঘটেছে নদিয়া জেলার শান্তিপুরের র্বা নন্দী পাড়ায়। স্থানীয় লোকনাথ মন্দিরের কাছে এই মূর্তিগুলি রাখা ছিল। পরে দেখা যায়, মাটিতে গড়াগড়ি খাচ্ছে প্রতিমা। এই ঘটনায় রীতিমতো চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। একইসঙ্গে রাজনৈতিক তরজাও শুরু হয়ে গিয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে (Mamata Banerjee) তীব্র আক্রমণ করেছেন বিজেপি (BJP) নেতা অমিত মালব্য (Amit Malviya)। তিনি সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করেছেন, ‘মমতার জঙ্গলরাজে ফের সনাতন ধর্মের উপর নৃশংস আঘাত। মৃৎশিল্পী জয়ন্ত দাসের তৈরি ৫০-৬০টি কালী ও সরস্বতী মূর্তি ভেঙে দেওয়া হয়েছে। এই ঘটনা ঘটেছে শান্তিপুরে মাতালগড়ের কাছে লোকনাথ মন্দিরের সামনে।’

রাজ্যে পরপর মূর্তি ভাঙচুরের অভিযোগ

মালব্য আরও লিখেছেন, ‘দুষ্কৃতীরা সকালে হামলা চালায়। পুজোর জন্য তৈরি এই মূর্তিগুলি ভেঙে দেয়। এই ঘটনা হিন্দুধর্মের বিশ্বাসের উপর সরাসরি আঘাত এবং মৃৎশিল্পীদের রুটি-রুজির উপরেও আঘাত। তৃণমূলশাসিত বাংলায় যেভাবে হিন্দু-বিরোধী ঘৃণার ঢেউ বাড়ছে, তারই সাম্প্রতিকতম ঘটনা দেখা গেল। এর আগে সরশুনায় মা কালীর মূর্তির মাথা কেটে নেওয়া হয়েছিল, মন্দিরবাজারে জগদ্ধাত্রী মূর্তির শিরচ্ছেদ করা হয়েছিল। এবার সরস্বতী মূর্তি ধ্বংস করে দেওয়া হল।’

Scroll to load tweet…

মুখ্যমন্ত্রীকে আধুনিক সুরাবর্দি আখ্যা মালব্যর

মুখ্যমন্ত্রীকে আক্রমণ করে মালব্য লিখেছেন, ‘আধুনিক যুগের সুরাবর্দী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আমলে কট্টরপন্থীদের দাপট দেখা যাচ্ছে। পুলিশ ওদের রক্ষা করছে আর হিন্দুদের রক্ত ঝরছে। পশ্চিম বাংলাদেশের বাস্তব পরিস্থিতি হল, মূর্তি ভাঙা হচ্ছে এবং মন্দিরে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হচ্ছে। দুধেল গাই ভোটব্যাঙ্ককে তুষ্ট রাখার জন্যই এসব করা হচ্ছে। বাংলার হিন্দুরা জেগে উঠেছেন। তাঁরা এই ঘটনায় ক্ষুব্ধ। ২০২৬ সালে ন্যায়বিচার পাওয়া যাবে। সনাতনের উদয় হবে। মমতার মৌলবাদী রাজত্বের বিনাশ হবে।’

Scroll to load tweet…

ধর্মীয় যোগ দেখছে না পুলিশ

এই ঘটনার বিষয়ে রানাঘাট পুলিশ জেলার অতিরিক্ত সুপার লাল্টু হালদার বলেছেন, 'এই ঘটনায় কোনও ধর্মীয় বা রাজনৈতিক যোগ নেই। অভিযুক্ত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আগেও মদ্যপ অবস্থায় এলাকায় নানা ধরনের কাণ্ড ঘটানোর অভিযোগ রয়েছে। ঘটনার রাতের আগে অভিযুক্তদের সঙ্গে মৃৎশিল্পী জয়ন্ত দাসের ঝামেলা হয়েছিল। সেই রাগ থেকেই মদ্যপ অবস্থায় এসে ওয়ার্কশপ ভাঙচুর করেছে অভিযুক্তরা।'

আরও খবরের আপডেট পেতে চোখ রাখুন আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।