Naushad Siddiqui: বিধানসভা ভোটে ধরাশায়ী হওয়ার পর রাজ্যের বিরোধী দলগুলিকে এক হয়ে লড়ার আহ্বান জানিয়েছেন মমতা বন্দ্য়োপাধ্যায়। তৃণমূল সুপ্রিমোর এই ডাক পুরোপুরি প্রত্যাখান করেছেন সিপিআইএমের নেতারা। রাজ্য কংগ্রেসের নেতারাও মমতার প্রস্তাবে আগ্রহ দেখাননি।
Naushad Siddiqui: বিধানসভা ভোটে ধরাশায়ী হওয়ার পর রাজ্যের বিরোধী দলগুলিকে এক হয়ে লড়ার আহ্বান জানিয়েছেন মমতা বন্দ্য়োপাধ্যায়। তৃণমূল সুপ্রিমোর এই ডাক পুরোপুরি প্রত্যাখান করেছেন সিপিআইএমের নেতারা। রাজ্য কংগ্রেসের নেতারাও মমতার প্রস্তাবে আগ্রহ দেখাননি। এবার মমতার হাতে হাত ধরার বিষয়টিকে পুরোপুরি কটাক্ষের স্তরে নিয়ে গেলেন ভাঙড়ের আইএসএফ বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকি। ভাঙড়ে শওকত মোল্লার সন্ত্রাসের রক্তচক্ষুকে অগ্রাহ্য করে জিতে এসেছেন নওসাদ। টানা দুবার ভাঙড় থেকে জিতে বিধায়ক হওয়ার পর নওসাদ বললেন, মানুষের প্রত্যাশা তিনি এবারও পূরণ করতে চান। মানুষ এবার তৃণমূলের সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে ভোট দিয়েছে বলেও তিনি জানান।

মমতার জোটবার্তাকে নিয়ে কটাক্ষ
ভাঙড়ে তিনি গতবারের চেয়েও বেশি ভোট পেয়ে জিতেছেন। তাই দায়িত্ব আরও বেশি। তিনি সবার জন্যই কাজ করতে চান। এমন কথাই বিধানসভায় এসে বললেন নওশাদ সিদ্দিকি। মমতা বন্দ্য়োপাধ্যায় রাজ্যের বিরোধী শক্তিগুলিকে এক হওয়ার ডাক দিয়েছেন। এই প্রস্তাব কার্যত উড়িয়েই দিলেন আইএসএফ বিধায়ক। এই বিষয়ে নওসাদ বললেন, "উনি এখন কেন জোটের কথা বলছেন, সেটা সবার জানা। আমরা এসআইআর প্রতিবাদের সময় সবাইকে এক হয়ে লড়ার কথা বলেছিলাম। তখন উনি গুরুত্ব দেননি। এখন আলোচনায় কেন বসতে চাইছেন, সেটা বুঝতে বাকি নেই।"
"মমতা আগে ভোটে জিতে আসুন, পরে আলোচনা হবে"
এরপর কটাক্ষের সুরে নওশাদ বলেন,"রাজ্যে তৃণমূল এবার ৮০টা আসনে জিতেছে। সেগুলির মধ্যে কোনও একটাতে তৃণমূল বিধায়করা পদত্যাগ করে মমতাকে বিধানসভায় পাঠানোর ব্যবস্থা করুক। মমতা জিতে আগে বিধানসভায় আসুন, তারপর জোটের বিষয় নিয়ে ভাবা যাবে।" ঘুরিয়ে আইএসএফ নেতা সাফ বুঝিয়ে দিলেন, মমতার সঙ্গে কোনওরকম জোটের কথা তিনি ভাবছেন না।


