- Home
- West Bengal
- Education Policy:বাংলা থেকে অঙ্ক- সব দায়িত্ব এক শিক্ষকের ঘাড়ে! বছর শেষে দিতে হবে জবাব, নতুন নিয়মের ইঙ্গিত মন্ত্রীর
Education Policy:বাংলা থেকে অঙ্ক- সব দায়িত্ব এক শিক্ষকের ঘাড়ে! বছর শেষে দিতে হবে জবাব, নতুন নিয়মের ইঙ্গিত মন্ত্রীর
Primary Education Policy: আগামী শিক্ষাবর্ষ থেকে প্রাথমিকে এক ক্লাসে একজন শিক্ষকই সব বিষয় পড়াতে পারেন। বেতনবৃদ্ধির ব্যাখ্যাও দিতে হবে শিক্ষককেই, জানালেন স্কুলশিক্ষামন্ত্রী দীপক বর্মন। জানুন নতুন নিয়ম।

আগামী বছর থেকে বদলাচ্ছে শিক্ষানীতি
বছর শেষে শিক্ষকের বেতনবৃদ্ধি বা পদোন্নতি হওয়া উচিত কি না, সে প্রশ্নের উত্তর এবার দিতে হবে শিক্ষককেই। কেন তাঁর বেতন বাড়বে, তার ব্যাখ্যাও চাওয়া হবে তাঁর কাছেই। অর্থাৎ এবার থেকে শিক্ষকদের দায়িত্ব নিয়েই ক্লাসে পড়াতে হবে। না হলে পদোন্নতি বা বেতন বৃদ্ধিতে কোপ পড়তে পারে।

আগামী শিক্ষাবর্ষ থেকে প্রাথমিকে চালু হতে পারে নতুন নিয়ম
প্রাথমিক স্তরে আগামী শিক্ষাবর্ষ থেকেই এই ব্যবস্থা চালু হতে পারে। বৃহস্পতিবার উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা সংসদে প্রশাসনিক, পরিকাঠামো ও পঠনপাঠন নিয়ে এক বৈঠকে এ কথা জানান স্কুলশিক্ষামন্ত্রী দীপক বর্মন। শুধু তাই নয়, আগামী বছর থেকে প্রাথমিক স্তরে আরও বেশ কিছু পরিবর্তনের কথাও তিনি বলেছেন।
বৈঠকে কারা ছিলেন?
স্কুল শিক্ষামন্ত্রী দীপক বর্মনের নেতৃত্বে বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন ২১টি জেলার প্রাথমিক শিক্ষা সংসদের চেয়ারম্যান এবং প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা সংসদের সভাপতিরা। ছিলেন উচ্চশিক্ষামন্ত্রী জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়ও।
বিষয়ভিত্তিক শিক্ষকের বদলে এক ক্লাসে একজন শিক্ষক
মন্ত্রীর বক্তব্য, প্রাথমিক স্তরে আলাদা করে বাংলা, ইংরেজি, ভূগোল বা অঙ্কের শিক্ষক প্রয়োজন নেই। যে পরীক্ষা পেরিয়ে তাঁরা নিযুক্ত হন, তাতে সবাই প্রাথমিকের শিশুদের পড়াতে পারবেন। সরকার চাইছে একটি ক্লাসে একজন শিক্ষকের হিসেবে এগোতে। সোমবার একজন, মঙ্গলবার আর একজন, এভাবে ক্লাস বদলে বদলে পড়াবেন তাঁরা।
পড়ুয়ার শিক্ষার দায় শিক্ষকের
নিজেকে উদাহরণ করে মন্ত্রী বলেন, ক্লাসে ২০ জন শিশু থাকলে বছর শেষে তারা কতটা শিখল, সেই দায় সম্পূর্ণ শিক্ষকের। ২০ জনের মধ্যে ১৫ জন পড়তে না পারলে বা সার্বিক উন্নতি না হলে শিক্ষককে প্রশ্নের মুখে পড়তে হবে। তাঁর কথায়, দায়িত্ব নির্দিষ্ট হলে নিষ্ঠাও বাড়ে।
পিছিয়ে পড়া পড়ুয়াদের দায় ভাগ করে নেবেন সব শিক্ষক
কোনও শিশুর উন্নতি না হলে কেন হল না, তা নিয়ে আলোচনা করতে হবে। পাশাপাশি পিছিয়ে পড়া পড়ুয়াদের দায়িত্ব ভাগাভাগি করে নিতে হবে স্কুলের সব শিক্ষককে। মন্ত্রীর আশা, এতেই শিক্ষাব্যবস্থার সার্বিক উন্নতি হবে।
কমবে ছাত্র-শিক্ষক অনুপাত
মন্ত্রীর দাবি, প্রাথমিকে এখন ২৬ জন পড়ুয়া পিছু একজন শিক্ষক, মাধ্যমিকে অনুপাত ৫০ থেকে ৫২ জন। অল্প সময়ের মধ্যে অন্তত ১৩ হাজার শিক্ষক নিয়োগ হলে প্রাথমিকে অনুপাত নেমে আসবে ২০ জনে একজনে। মাধ্যমিকেও অনুপাত কমানো হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।
শিক্ষক সংগঠনগুলির প্রতিক্রিয়া মিশ্র
নিখিলবঙ্গ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির বক্তব্য, প্রতিটি শ্রেণির জন্য একজন শিক্ষক দিতে হবে এবং পাঠ্যক্রম ও সহায়কপাঠের মানোন্নয়নও জরুরি। সরকারের সদিচ্ছা থাকলে তাঁরা পাশে থাকবেন। অল পোস্টগ্র্যাজুয়েট টিচার্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়ে আগে প্রতিটি প্রাথমিক স্কুলে ৬ জন করে শিক্ষক নিয়োগের দাবি তুলেছে। শিক্ষানুরাগী ঐক্য মঞ্চের দাবি, শ্রেণি অনুযায়ী শিক্ষক এবং গ্রুপ সি ও ডি কর্মী নিয়োগ করা হোক।
West Bengal News (পশ্চিমবঙ্গের খবর): Read In depth coverage of West Bengal News Today in Bengali including West Bengal Political, Education, Crime, Weather and Common man issues news at Asianet News Bangla.

