- Home
- West Bengal
- Firecracker rules : মাত্র ২ ঘণ্টা! কালীপুজো-ছটপুজোর বাজি পোড়ানোর সময় বাঁধল সরকার, ফানুসে নতুন নিয়ম
Firecracker rules : মাত্র ২ ঘণ্টা! কালীপুজো-ছটপুজোর বাজি পোড়ানোর সময় বাঁধল সরকার, ফানুসে নতুন নিয়ম
Firecracker New Guidelines:কালীপুজো, দীপাবলি ও ছটপুজোয় বাজি পোড়ানোর সময় বেঁধে দিল রাজ্য সরকার। শুধুই সবুজ বাজি, সাইলেন্স জোনে নিষেধাজ্ঞা, ফানুস ওড়াতে অনুমতি, জানুন সব নিয়ম এক নজরে।

কালীপুজো-দীপাবলিতে শব্দদূষণ রুখতে কড়া পদক্ষেপ
কালীপুজো ও দীপাবলিতে কলকাতা-সহ রাজ্যের নানা প্রান্ত থেকে শব্দদূষণের অভিযোগ নতুন নয়। এবছর সেই "শব্দ-দৈত্য"-কে জব্দ করতে সরকারি নজরদারির পাশাপাশি জনসচেতনতা বৃদ্ধির ওপরেও জোর দিয়েছে রাজ্য সরকার। ইতিমধ্যেই জারি করা হয়েছে সরকারি নির্দেশিকা।

নবান্নে উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক
বাজি নিয়ে বৃহস্পতিবার নবান্নে বৈঠক হয়। উপস্থিত ছিলেন স্বরাষ্ট্রসচিব সঙ্ঘমিত্রা ঘোষ, কলকাতার পুলিশ কমিশনার অজয় নন্দা, রাজ্য পুলিশের ডিজি সিদ্ধিনাথ গুপ্তা, দমকলের ডিজি অনুজ শর্মা-সহ পদস্থ আধিকারিকরা। বৈঠক শেষে নতুন নির্দেশিকার কথা জানান তাঁরা।
শুধুই সবুজ বাজি, অন্য বাজিতে না
সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মেনে এবার সবুজ বাজি ছাড়া অন্য কোনও বাজি ফাটানো যাবে না। সাধারণ মানুষের কাছে প্রশাসনের আবেদন, শুধু পরিবেশবান্ধব গ্রিন ক্র্যাকার্সই ব্যবহার করুন।
দীপাবলিতে বাজি ফাটানোর সময় মাত্র দু'ঘণ্টা
দীপাবলির রাতে বাজি পোড়ানোর জন্য সময় বেঁধে দেওয়া হয়েছে রাত ৮টা থেকে ১০টা পর্যন্ত। ছটপুজোতেও আলাদা করে দু'ঘণ্টার সময় বরাদ্দ। ছটপুজোয় সকাল ৬টা থেকে ৮টা পর্যন্ত বাজি পোড়ানো যাবে। অর্থাৎ উৎসবের আনন্দ থাকবে, তবে নির্দিষ্ট সময়ের গণ্ডির মধ্যেই।
সাইলেন্স জোনে বাজি সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ
হাসপাতাল, নার্সিং হোম, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও বৃদ্ধাশ্রমের ১০০ মিটারের মধ্যে বাজি পোড়ানো সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। এই এলাকাগুলিকে 'সাইলেন্স জোন' হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে, যেখানে নীরবতা মেনে চলতে হবে।
ডেসিবেলের সীমা বেঁধে দিল প্রশাসন
শব্দবাজির ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ শব্দসীমা ১২৫ ডেসিবেল এবং অন্যান্য ক্ষেত্রে ৯০ ডেসিবেল ঠিক করা হয়েছে। বহুতল আবাসনে বাজি ফাটানোর সময় ধোঁয়ার মাত্রার দিকেও নজর রাখতে বলা হয়েছে।
লোকালয়ে বসবে না বাজিবাজার
ক্রেতা ও বিক্রেতার সুরক্ষার কথা ভেবে লোকালয়ের মধ্যে বাজিবাজার বসানো যাবে না। অতীতের অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে অবাঞ্ছিত ঘটনা এড়াতেই এই সিদ্ধান্ত। বাজিবাজার করতে হবে ফাঁকা জায়গায়, প্রশাসনের নির্ধারিত নিয়ম মেনে।
কারখানা থেকে দোকান, সর্বত্র কড়া নজরদারি
রাজ্য পুলিশের ডিজি জানিয়েছেন, বাজি কারখানা থেকে দোকান, প্রতিটি স্তরেই কড়া নজরদারি চালাবে প্রশাসন। কারখানাগুলির ওপর বিশেষ গুরুত্ব থাকবে। ইতিমধ্যে বড়বাজার থেকে ১১০ কেজি নিষিদ্ধ বাজি উদ্ধার হয়েছে এবং দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
ফানুস ওড়াতে লাগবে আগাম অনুমতি
ফানুস বিক্রিতে নিষেধাজ্ঞা না থাকলেও, যাঁরা ফানুস ওড়াবেন তাঁদের আগে থেকে দমকল ও পুলিশের অনুমতি নিতে হবে। ফায়ার বিভাগের লাইসেন্স নেওয়া বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
নিয়ম ভাঙলে শাস্তি, অভিযোগের জন্য হেল্পলাইন
ডিজি স্পষ্ট জানিয়েছেন, নিয়ম অমান্য করলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অভিযোগ জানাতে কন্ট্রোল রুম ও হেল্পলাইন নম্বর খুব শীঘ্রই প্রকাশ করা হবে। স্বরাষ্ট্রসচিবের বার্তা, নিজেদের আনন্দের জন্য যেন অন্যের ক্ষতি না হয়।
West Bengal News (পশ্চিমবঙ্গের খবর): Read In depth coverage of West Bengal News Today in Bengali including West Bengal Political, Education, Crime, Weather and Common man issues news at Asianet News Bangla.

