Pak Linkman Arrested Update News: ভারতে এসে গুরুত্বপূর্ণ জায়গার ছবি তুলে পাকিস্তানে সরবরাহ থেকে শুরু করে চর নিয়োগের কাজে তাকে এদেশে পাঠানো হয়েছিলো বলে জানতে পেরেছে এসটিএফ। পাক নাগরিককে জেরায় আর কী উঠে এলো তদন্তে? বিস্তারিত জানতে পড়ুন সম্পূর্ণ প্রতিবেদন।।
Pak Linkman Arrested Update News: স্বাধীনতা দিবসের আগেই বানচাল বড়সড় নাশকতার ছক। উত্তর ২৪ পরগনার হাবড়ার যশোর রোডের চোঙদা মোড় এলাকা থেকে গ্রেফতার আইএসআই সন্দেহভাজন পাক নাগরিক। হাবড়া থেকে ওই পাক নাগরিককে বুধবার গ্রেফতার করে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের এসটিএফ শাখা। সূত্রের খবর, ধৃতকে বুধবারই আদালতে তোলা হয়। তাকে ১৪ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে আদালত।
তদন্তে কী জানতে পারল এসটিএফ?
এই বিষয়ে তদন্তকারী অফিসাররা জানিয়েছেন যে, ১৫ অগাস্ট স্বাধীনতা দিবসের আগে বড়সড় কোনও নাশকতার প্ল্যান ছিলো ধৃত পাকিস্তানি নাগরিক রানা রউফ ওরফে ওয়াহাব আলমের। পাকিস্তানি এই চরকে কলকাতায় বেশ কিছু কাজের জন্য পাঠানো হয়েছিলো। তার কাছ থেকে কোনও ফোন বা বৈদ্যুতিন যন্ত্র না মিললেও কাছে ছিলো একটি নোটবুক। তাতে বেশকিছু ফোন নম্বর। শ্রীলঙ্কা, নেপালের সিমকার্ড রয়েছে। অভিযুক্ত পাকিস্তানি নাগরিক রানা রউফ ওরফে ওয়াহাব আলম বাংলাদেশে বনগাঁ সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে যাওয়ার পরিকল্পনা করেছিল। তার আগেই এসটিএফের অভিযানে ভেস্তে যায় সেই প্ল্যান।
শুধু তাই নয়, রাজ্য পুলিশের এসটিএফ (STF) সূত্রে খবর, পাকিস্তানি গুপ্তচর সংস্থা আইএসআইয়ের সঙ্গে যোগাযোগ ছিল রানার। তাঁদের এজেন্ট হিসেবে কাজ করছিলেন। ভারতে স্থানীয় ভাবে ‘সেল’ তৈরি করতে বলা হয়েছিল তাঁকে। সংবেদনশীল, গোপন তথ্য সংগ্রহের জন্য লোক নিয়োগের দায়িত্বও দেওয়া হয়েছিল রানাকে। কলকাতায় ফোর্ট উইলিয়ামের মতো গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় তাঁর নজর ছিল। গোয়েন্দারা জানতে পেরেছেন, ফোর্ট উইলিয়ামের ছবি, ভিডিয়ো এবং মানচিত্র সংগ্রহের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল রানাকে। সেই কাজ তিনি শুরুও করেছিলেন। পেট্রাপোল সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে যাওয়ার ছক কষেছিলেন তিনি। তার আগেই হাতেনাতে ধরা পড়ে রানা রউফ।
Pak ISI Man Arrested News: স্বাধীনতা দিবসে বড় নাশকতার ছক! হাবড়া থেকে গ্রেফতার পাকিস্তানের নাগরিক
আর কী কী জানতে পারা গিয়েছে?
সূত্রের খবর, জঙ্গি সন্দেহে ধৃত দুজনকেই বুধবার ১৪ দিনের STF হেফাজত দিয়েছে বারাসাত আদালত। এই বিষয়ে সরকারি আইনজীবী প্রসেনজিৎ জানা জানান, দুজনেই পাকিস্তানি নাগরিক। তারা বনগাঁ পেট্রাপোল বেনাপোল সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করে কাঠমান্ডুতে যাওয়ার পরিকল্পনা করছিল। উত্তর ২৪ পরগনার হাবড়ার চোঙ্গদা এলাকা থেকে তাদের ধরা হয়। এদের কাছ থেকে কিছু নথিপত্র উদ্ধার হয়েছে আবার কিছু জিনিস এরা ডিলিট করেছে মোবাইল নম্বর সহ কথোপকথনের চ্যাট। সেই বিষয়গুলি খতিয়ে দেখা হবে পাশাপাশি হামিদদের সঙ্গে মোবাইলের সূত্র ধরে এদের যোগাযোগ রয়েছে।
ধৃতদের কাছে হামিদের নম্বর পাওয়া গিয়েছে বলেও জানান আইনজীবী। কলকাতা সহ জেলার আশপাশের বিভিন্ন জায়গায় কয়েক দিন ধরে ঘোরাঘুরি করছিল। এদের নিজেদের হেফাজতে নিয়ে সমস্ত তথ্য নথি যাচাই করবে পাশাপাশি এর সঙ্গে আরও ভারতে কারা কারা জড়িত সে বিষয়েও তদন্ত শুরু করেছে এসটিএফ বলে জানান তিনি।
আরও খবরের জন্য চোখ রাখুন এশিয়ানেট নিউজ বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।


