রাজ্য সরকার পঞ্চম ও অষ্টম শ্রেণিতে পাশ-ফেল প্রথা ফিরিয়ে আনার পরিকল্পনা করছে। শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী কৌশিক চৌধুরী জানিয়েছেন যে, শিক্ষার মান উন্নত করতে একটি বিশেষজ্ঞ কমিটি গঠন করা হচ্ছে, যদিও চলতি শিক্ষাবর্ষে এই নিয়ম কার্যকর হচ্ছে না।

পঞ্চম, অষ্টম শ্রেণিতে পাশ ফেল প্রথা ফেরাতে চলেছে রাজ্য। তৈরি হচ্ছে নয়া কমিটি। এমনই আপডেট দিলেন খোদ শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী কৌশিক চৌধুরী। বাম জমানায় ২০১০ থেকে ২০০৯ এ সর্বভারতীয় শিক্ষার অধিকার আইন অনুসারে, পশ্চিমবঙ্গে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত পাশ-ফেল প্রথমা উঠিয়ে দেওয়া হয়েছিল অর্থাৎ চালু করা হয়েছিল নো ডিটেনশন পলিসি। এবার বিজেপি সরকার আসতেই পড়ুয়াদের শিক্ষার মান ইন্নত করতে এবং ভবিষ্যৎ উজ্জ্বল করতে পাশ ফেল ফিরিয়ে আনার চেষ্টা চলছে।

সে সময় পাশ -ফেল তুলে দেওয়ার পিছনে বাম সরকার বিশেষ যুক্তি দিয়েছিল। তাদের দাবি ছিল, পরীক্ষায় অকৃতকার্য হওয়ার ফলে ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে যে সামাজিক লজ্জা, হীনমন্যতা ও মানসিক চাপের সৃষ্টি হত, তা দূর করতে একটি ভীতিযুক্ত ও আনন্দদায়ক শিক্ষার পরিবেশ গড়ে তোলা প্রধান উদ্দেশ্য।

এবার এই নিয়মে আসছে বদল। শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী কৌশিক চৌধুরী জানিয়েছেন, ২০২৬-২৭ অর্থাৎ চলতি শিক্ষাবর্ষে স্কুলস্তরে পাশ ফেল ফিরছে না। তবে আগামী শিক্ষাবর্ষগুলোতে পাশ ফেল ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করা হচ্ছে। তা নিশ্চিত হতে বিশেষজ্ঞ কমিটি তৈরি করা হচ্ছে।

শিক্ষা বিভাগ সূত্রে খবর, বিশেষজ্ঞ কমিটির রিপোর্ট হাতে এলে সেই অনুসারে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ইতিমধ্যে সিলেবাস কমিটি গঠিত হয়েছে। যার মধ্যএ এই পাশ ফেল সংক্রান্ত কমিটিও রয়েছে। শুভেন্দু অধিকারীর নির্দেশে রাজ্যে সামগ্রিক শিক্ষা ব্যবস্থার পুনর্হঠন নিয়ে চিন্তাভাবনা করা হচ্ছে।

সব মিলিয়ে এবার শিক্ষা ব্যবস্থায় আসতে চলেছে বদল। রাজ্য সরকার পঞ্চম ও অষ্টম শ্রেণিতে পাশ-ফেল প্রথা ফিরিয়ে আনার পরিকল্পনা করছে। শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী কৌশিক চৌধুরী জানিয়েছেন যে, শিক্ষার মান উন্নত করতে একটি বিশেষজ্ঞ কমিটি গঠন করা হচ্ছে, যদিও চলতি শিক্ষাবর্ষে এই নিয়ম কার্যকর হচ্ছে না।