আধার নম্বর নিয়ে প্রতারণা বায়োমেট্রিক দিতেই টাকা আত্মসাৎ একই পরিবারের চারজন প্রতারিত বাঁকুড়ার ওন্দা থানার গোপালপুরের ঘটনা

ফের আধার নম্বর ও আঙুলের ছাপ নিয়ে একই পরিবারের চারজনের সঞ্চয় নিয়ে চম্পট দিল প্রতারক। ঘটনাটি ঘটেছে বাঁকুড়ার ওন্দা থানার গোপালপুর ডিপাড়ায়।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

প্রতারিত ওই পরিবারের সদস্য়রা জানিয়েছেন,সরকারি কর্মী সেজে তাঁদের বাড়িতে প্রবেশ করে ওই যুবক। পরে সরকারি আবাস যোজনার বাড়ি পাওয়ার জন্য তাদের থেকে আধার নম্বর ও বায়োমেট্রিক তথ্য জেনে নেয় সে। প্রথমে বিপদ ঠাওর করতে না পারলেও পরে ব্যাঙ্কর বই আপডেট করতেই বেরিয়ে আসে জালিয়াতির তথ্য়। সোমবার ইউনাইটেড ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়ার স্থানীয় কৃষ্ণনগর শাখায় নিজের সেভিংস আকাউন্টের খাতা আপ টু ডেট করাতেই ধরা পড়ে গোলমাল। হরিলাল বুঝতে পারেন আধার নম্বর ও বায়োমেট্রিক ছাপ নিয়ে প্রতারক আসলে তার আকাউন্ট থেকে নিশ্চিন্তে সরিয়ে ফেলেছে দশ হাজার টাকা। শুধু হরিলাল নয় তার স্ত্রী লক্ষ্মীমনি সোরেনের আকাউন্ট থেকেও একই কায়দায় তুলে নেওয়া হয়েছে সম পরিমাণ টাকা। প্রতারক বাদ দেয়নি বার্ধক্যভাতা প্রাপক বাবা কানাত সোরেন ও মা রেবতী সোরেনের আকাউন্টের টাকাও। সব মিলিয়ে ওই পরিবারের প্রায় ২২৭০০ টাকা নিয়ে চম্পট দিয়েছে প্রতারক।

আরাও পড়ুন :জেএমবি জঙ্গি হওয়ার আগে কেমিক্য়াল ইঞ্জিনিয়ার ছিল ইজাজ

আরও পড়ুন :আমি খুন শুরু করলে বংশ লোপাট করে দেব, ফের বেফাঁস দিলীপ

ইতিমধ্য়েই বিষয়টি নিয়ে সংশিষ্ট ব্যাঙ্কে অভিযোগ জানিয়েছেন প্রতারিতরা। প্রতারণার বিষয়ে জানানো হয়েছে ওন্দা থানায়। সূত্রের খবর, ব্যাঙ্কের সঙ্গে আধার সংযোগ থাকায় নিশ্চিন্তে টাকা সরিয়ে ফেলতে পেরেছে প্রতারক। সরকারি কর্মী পরিচয় দিয়ে নতুন ছকে সাধারণ গ্রামের মানুষের কাছ থেকে টাকা হাতিয়ে নেওয়ার ঘটনায় রীতিমতো আতঙ্ক ছড়িয়েছে গ্রামে। জীবনের সঞ্চয়ও ব্যাংকে রেখে নিশ্চিন্ত তাকতে পারছেন না তারা। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে ওন্দা থানার পুলিশ । ওই যুবকের সঙ্গে অন্য কোন দল জড়িয়ে আছে কিনা তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তবে শুধু গ্রামের মানুষ নন, আধার তথ্য় জেনে টাকা হাতানোর ঘটনা শহরেও আকছার ঘটছে।