ফের বেফাঁস মন্তব্য় করে বিতর্কে জড়ালেন বিজেপির রাজ্য় সভাপতি দিলিপ ঘোষ। মেচেদায় দলীয় সভায় দিলীপবাবু বলেন, রাজ্যে প্রতিদিন বিজেপি কর্মীরা অত্যাচারিত হচ্ছে। পুলিশ এখন তৃণমূলের চামচে হয়েছে গেছে। পুলিশ,তৃণমূল কর্মীরা মারলে তাঁদের মারুন। আপনারা যদি না মারতে পারেন তাহলে আপনারা বিজেপি কর্মী নন। আপনাদের পুলিশ মারুক অথবা টিএমসি মারুক আপনারা পালটা মারুন বাকিটা আমি বুঝে নেব। 

আরও পড়ুন :দিঘার সমুদ্র সৈকতে চায়ের আড্ডা, মুখ্যমন্ত্রীর পাল্টা প্রচারে বিজেপি রাজ্য সভাপতি

আরও পড়ুন : অরুণ জেটলির শেষকৃত্যে পকেটমারদের দাপট, বাবুল-সহ দুই মন্ত্রীর মোবাইল চুরি
ইতিমধ্য়েই বিজেপির রাজ্য় সভাপতির এই অভিযোগ ঘিরে শুরু হয়েছে বিতর্ক। দিলীপবাবুর অভিযোগ, ২৮০০০ মামলা দেওয়া হয়েছে বিজেপি কর্মীদের নামে। এখনও চার, পাঁচশো নেতাকর্মী বাড়ির বাইরে রয়েছেন। জোর করে তাঁদের নামে পুলিশ ধর্ষণ ,গাজা চাষের মামলা দিচ্ছে। আমার নামেও খুনের মামলা দেওয়া হয়েছে। আমিও নাকি খুন করেছি। আমি খুন শুরু করলে বংশ লোপাট করে দেব। এই বলেই থেমে থাকেননি মেদিনীপুরের সাংসদ। দিলীপের দাবি,আগে লোকে বলত পুলিশে ছুঁলে আঠারো ঘা। এখন সবাই বুঝেছে বিজেপি ছুঁলে আঠারো ঘা। আমি কাউকে মারিনি। মারব বলতেই সব শুয়ে পড়েছে। যারা টাকা পয়সা নিয়ে গাড়ি,বাড়ি করেছেন চাইলে তাঁদের বাড়ি,গাড়ি ভোগ করতে দেব না। ছেলে,মেয়ে,বউয়ের মুখ দেখতে পারবে না তাঁরা।

আরও পড়ুন :সিনেমা হলের মধ্যে বিশেষ ঘর, বনগাঁয় মধুচক্রের কারবার ফাঁস

আরও পড়ুন :কন্যাশ্রীর পরে এবার আসছে জলশ্রী, ঘোষণা করলেন মমতা
সোমবার মেচেদার সভা থেকে মুখ্য়মন্ত্রীকেও একহাত নেন দিলীপ ঘোষ। তিনি বলেন,মাওবাদী অধ্য়ুষিত আট রাজ্য়ের মুখ্য়মন্ত্রীকে ডেকে পাঠিয়েছিলেন অমিত শাহ। সবাই এলেও পশ্চিমবঙ্গের মুখ্য়মন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দিল্লিতে যাননি। মূলত এইসব রাজ্য়ে মাওবাদী নিয়ে যাবতীয় সমস্য়ার সমাধান করতেই সব মুখ্য়মন্ত্রীকে ডাকা হয়েছিল। কিন্তু দিদিমণি চাননি জঙ্গলমহলে সমস্যার সমাধান হোক। উল্টে জঙ্গলমহলকে মাওবাদী উপদ্রুত এলাকা ঘোষণা করে কেন্দ্রের থেকে প্রতি বছর ২৪০ কোটি টাকা হাতিয়ে নিচ্ছেন। এই বলেই অবশ্য থেমে থাকেননি বিজেপির রাজ্য় সভাপতি। মেচেদার সভা থেকে মুখ্য়মন্ত্রীকে চোর বলতেও বাধেনি তাঁর। দিলীপের অভিযোগ,এখন জঙ্গলমহলে মাওবাদী বলে কিছুই নেই। তবুও সেখানে সেন্ট্রাল ফোর্স রাখা হয়েছে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে গেলেই এইসবের হিসেব দিতে হবে। তাই সব রাজ্যের মুখ্য়মন্ত্রীরা এলেও মমতার দেখা নেই।