ব্রিগেডে ১৫ মার্চ সভা করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। ওই দিনই সমাপ্তি হচ্ছে বিজেপির ‘পরিবর্তন যাত্রা’-র। আজ রবিবার থেকেই কর্মসূচি শুরু হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির ১০টি সাংগঠনিক বিভাগের মধ্যে ৯টিতেই যাত্রা হবে।

ব্রিগেডে ১৫ মার্চ সভা করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। ওই দিনই সমাপ্তি হচ্ছে বিজেপির ‘পরিবর্তন যাত্রা’-র। আজ রবিবার থেকেই কর্মসূচি শুরু হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির ১০টি সাংগঠনিক বিভাগের মধ্যে ৯টিতেই যাত্রা হবে। শুধু কলকাতা মহানগর বিভাগে যাত্রা হবে না। কারণ, গোটা কর্মসূচির সমাপ্তি পর্ব হিসাবে ব্রিগেড সভার দায়িত্ব নিয়েছে কলকাতা মহানগর বিভাগ। মার্চে যে প্রধানমন্ত্রী ব্রিগেডে জনসভা করতে পারেন, তার একটা আভাস পাওয়া গিয়েছিল রাজ্য বিজেপি সূত্রে। তবে, কোনও নেতা তারিখ নিশ্চিত করতে পারছিলেন না। কারণ হিসেবে প্রধানমন্ত্রীর সময় বের করার একটা বিষয় রয়েছে। এখন জানা গিয়েছে, প্রধানমন্ত্রী সময় দিয়েছেন।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

রবিবারই রাজ্যে বিজেপির ‘পরিবর্তন যাত্রা’ শুরু হচ্ছে। ঝাড়গ্রাম থেকে ‘যাত্রা’ উদ্বোধন করবেন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান। সঙ্গে থাকবেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। আসানসোলের কুলটি থেকে আর একটি ‘যাত্রা’র উদ্বোধন করবেন কেন্দ্রীয় নারী ও শিশুকল্যাণ মন্ত্রী অন্নপূর্ণা দেবী। থাকবেন প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী স্মৃতি ইরানি, প্রাক্তন সাংসদ দিলীপ ঘোষ। কৃষ্ণনগর দক্ষিণে কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জেপি নাড্ডা। সেখানে উপস্থিত থাকবেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার এবং রাজ্য বিজেপি নেতা রাহুল সিনহা। এছাডা়ও, কোচবিহারের রাসমেলা মাঠের কর্মসূচিতে থাকবেন বিজেপির বর্তমান সভাপতি নীতিন নবীন। সেখানে থাকবেন রাজ্য বিজেপি সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। ২ মার্চ সোমবার উত্তর দিনাজপুরের ইসলামপুরে জনসভা করার কথা রয়েছে তাঁর।

নির্বাচনের আগে রাজ্য রাজনীতির ময়দানে এই কর্মসূচিকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছে গেরুয়া শিবির। পুলিশের কাছে পরিবর্তন যাত্রার অনুমতি চেয়ে বিজেপি ২২ ফেব্রুয়ারি আবেদন করেছিল। কিন্তু তার কোনও জবাব পুলিশ দেয়নি। পুলিশের কাছ থেকে জবাব না পেয়ে হাইকোর্টে মামলা করে গেরুয়া শিবির। শর্তসাপেক্ষে বিজেপির পরিবর্তন যাত্রায় অনুমতি দেয় কলকাতা হাইকোর্ট।

৫,০০০ কিলোমিটার দীর্ঘ এই যাত্রায় জনসংযোগ অনুশীলন এবং সাংগঠনিক শক্তি পরীক্ষা উভয়ই পরীক্ষা করে নিতে চাইছে বিজেপি। যার লক্ষ্য বুথ-স্তরের ভিত্তিকে দলীয় সংহতিতে রূপান্তর করা। 'পরিবর্তন যাত্রা' চলাকালীন, বিজেপি ২৯৪টি বিধানসভা কেন্দ্রের ১-১.৫ কোটি মানুষের কাছে সরাসরি পৌঁছনোর পরিকল্পনা করেছে। পশ্চিমবঙ্গ বিজেপি সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য এই যাত্রাকে "বাংলায় গণতান্ত্রিক সংশোধনের পরবর্তী পর্যায়" হিসাবে বর্ণনা করেছেন। পরিবর্তন যাত্রাকে 'ঐতিহাসিক' বলে বর্ণনা করে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী এবং বিজেপি সাংসদ সুকান্ত মজুমদার বলেন যে প্রতিদিন এই যাত্রা ১১০ কিলোমিটার ভ্রমণ করবে এবং দলের কেন্দ্রীয় নেতারা কমপক্ষে ৫৬টি সমাবেশে রাজ্য নেতাদের সঙ্গে যোগ দেবেন।