Fire Crackers Safety Rules: চোরবাগানের মর্মান্তিক দুর্ঘটনা থেকে শিক্ষা নিয়ে এবার কালীপুজোয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করতে তৎপর রাজ্য পুলিশ ও প্রশাসন। উৎসবের মরশুমে যাতে কোনওভাবেই অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে, তা নিশ্চিত করতে আগেভাগেই ময়দানে নেমেছেন পুলিশ প্রশাসন। বিশদ তথ্যের জন্য পড়ুন সম্পূর্ণ প্রতিবেদনষষ

Fire Crackers Safety Rules: প্রশাসনের নির্দেশকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে যাতে দেদার শব্দ বাজির অত্যাচার না চলে তার জন্য কালীপুজোর আগে থেকেই সতর্ক প্রশাসন। কালীপুজোর আগের দিন নিষিদ্ধ বাজি বিক্রি রুখতে দক্ষিণ ২৪ পরগনার নুঙ্গি বাজি বাজারে পুলিশের হানা। উদ্ধার চকলেট বোমা সহ নিষিদ্ধ বাজি। এই ঘটনায় পুলিশ দুজনকে আটক করেছে (West Bengal News)।

নিষিদ্ধ বাজি বিক্রি নিয়ে কী বলছে প্রশাসন?

জানা গিয়েছে, শব্দ দমনে কড়া রাজ্য সরকার। নিষিদ্ধ বাজি রুখতে তৎপর ডায়মন্ড হারবার জেলা পুলিশের মহেশতলা থানা। শব্দদূষণ রুখতে কালীপুজোর আগে তৎপর প্রশাসন। রাজ্য সরকারের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে নিষিদ্ধ বাজি বিক্রির অভিযোগ উঠতেই শুক্রবার নুঙ্গি বাজি বাজারে অভিযান চালায় মহেশতলা থানার পুলিশ। অভিযানে চকলেট বোমা সহ বিভিন্ন ধরনের নিষিদ্ধ বাজি বাজেয়াপ্ত করে পুলিশ। প্রশাসনের তরফে বারবার সতর্কবার্তা দেওয়া সত্ত্বেও কীভাবে নুঙ্গি বাজি বাজারে নিষিদ্ধ বাজির বিক্রি চলছিল, কালীপুজোর আগে নিষিদ্ধ বাজির বিক্রি ও ব্যবহার বন্ধ করতে পুলিশের এই অভিযান যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।

এদিকে, চোরবাগানের মর্মান্তিক দুর্ঘটনা থেকে শিক্ষা নিয়ে এবার কালীপুজোয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করতে তৎপর রাজ্য পুলিশ ও প্রশাসন। উৎসবের মরশুমে যাতে কোনওভাবেই অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে, তা নিশ্চিত করতে আগেভাগেই ময়দানে নেমেছেন পুলিশ ও দমকলের আধিকারিকরা। কলকাতা-সহ রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তের প্রসিদ্ধ কালীপুজো মণ্ডপগুলিতে শুরু হয়েছে বিশেষ পরিদর্শন ও নিরাপত্তা সংক্রান্ত অভিযান।

পুলিশ ও দমকল বিভাগের যৌথ উদ্যোগে চলছে এই বিশেষ ইন্সপেকশন। মূলত পুজো মণ্ডপগুলির সামগ্রিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা, দর্শনার্থীদের ভিড় নিয়ন্ত্রণ, প্রবেশ ও প্রস্থানের পথ এবং জরুরি পরিস্থিতিতে বেরিয়ে আসার জন্য পর্যাপ্ত ইমার্জেন্সি এক্সিট রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখছেন আধিকারিকরা। পাশাপাশি মণ্ডপের ভিতরে ও বাইরে পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থা রয়েছে কি না, সেদিকেও বিশেষ নজর দেওয়া হচ্ছে।

এই পরিদর্শনে অংশ নেন দমকলের ডিজি-সহ পুলিশের উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা। নিরাপত্তার স্বার্থে মণ্ডপে আলাদা করে কোনও ভিআইপি প্রবেশপথ না রাখার পরামর্শ দিয়েছেন তাঁরা। একইসঙ্গে দর্শনার্থীদের নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করতে প্রবেশ ও বেরোনোর পথ যথাযথভাবে চিহ্নিত করা এবং পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থা রাখার নির্দেশ ও পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

প্রশাসন সূত্রে খবর, চোরবাগানের মর্মান্তিক ঘটনার পুনরাবৃত্তি যাতে কোনওভাবেই না হয়, সেই লক্ষ্যেই কালীপুজোর আগে নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে প্রশাসন। ভক্ত ও দর্শনার্থীদের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করাই এখন পুলিশের কাছে প্রধান চ্যালেঞ্জ।

আরও খবরের জন্য চোখ রাখুন এশিয়ানেট নিউজ বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।