কৌশিক সেন, রায়গঞ্জ: তাহলে কি নিহতের পরিবারের অভিযোগই সঠিক? ইটাহারে বিজেপি কর্মীর মৃত্য়ুতে এবার পাঁচ জন পুলিশ অফিসারের বিরুদ্ধে খুনের মামলা দায়ের করা হল। ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে উত্তর দিনাজপুর জেলায়। 

আরও পড়ুন: একশো দিনের কর্মীকে 'কাঠারি কোপ', গণপিটুনিতে যুবকের মৃত্যু, রাজনৈতিক চাপানউতোর বর্ধমানে

মৃতের নাম অনুপ রায়। বাড়ি, ইটাহারের নন্দনগ্রাম এলাকায়। তিনি বিজেপি সক্রিয় কর্মী ছিলেন। অন্তত তেমনই দাবি করা হয়েছে দলের তরফে। পরিবারের লোকেদের দাবি, বুধবার দুপুরে পুরনো একটি ডাকাতির মামলায় অনুপকে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে যায় পুলিশ। এরপর রাত সাড়ে ন'টা নাগাদ এলাকা থেকে তাঁর দেহ উদ্ধার হয়। ছেলের মৃত্যুসংবাদ পেয়ে রায়গঞ্জে বিজেপি কার্যালয়ের যান নিহতের মা। দলের উত্তর দিনাজপুর জেলা সভাপতি বিশ্বজিৎ লাহিড়ি বলেন, দিন কয়েক আগে দলে যোগ দিয়েছিলেন অনুপ। তাঁকে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে যায় পুলিশ এবং বেধড়ক মারধর করা হয়। তারপর তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা গুলি করে খুন করে।

আরও পড়ুন: 'কোনও পদত্যাগপত্র জমা দিইনি', বিজেপিতে যোগের জল্পনা ওড়ালেন তৃণমূলের ব্লক সভাপতি

স্রেফ মৌখিক অভিযোগই নয়, রায়গঞ্জ থানায় কর্মরত পাঁচজন পুলিশ আধিকারিকের বিরুদ্ধে এফআইআরও করেছেন মৃত বিজেপি কর্মীর মা গীতা রায়। রায়গঞ্জ পুলিশ জেলার অতিরিক্ত সুপার যশপ্রীত সিং জানিয়েছেন, পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতেই ওই পাঁচজন পুলিশ আধিকারিকদের বিরুদ্ধে খুনের মামলা দায়ের করা হয়েছে। শুধু তাই নয়, পরিবারে মেনে শনিবার ফের ময়নাতদন্তও করা মৃতদেহের।