খোদ পুলিশ সুপারকে চড় মারার হুমকি দিয়ে বিতর্কে জড়িয়েছেন তিনি। দলের কর্মসূচি চলাকালীন এবার বিজেপি সাংসদ সৌমিত্র খাঁ-কে আটকাল পুলিশ। পুলিশকর্মীদের সঙ্গে রীতিমতো তর্কাতর্কি চলল সাংসদের, রাস্তায় বসে পড়লেন বিজেপি কর্মী-সমর্থক। উত্তেজনা ছড়াল দক্ষিণ ২৪ পরগণার বারুইপুরে।

আরও পড়ুন: করোনা আতঙ্কে বিক্ষোভের মুখে পরিযায়ী শ্রমিক, ভাঙচুর চলল পঞ্চায়েত প্রধানের বাড়িতে

সাংসদই শুধু নন, সদ্য বিজেপির যুব মোর্চার রাজ্য় সভাপতির দায়িত্বও নিয়েছেন সৌমিত্র খাঁ। আর তারপরই রাজ্যের শাসকদলের বিরুদ্ধে কোমর বেঁধে প্রচারে নেমে পড়েছেন তিনি। বুধবার দক্ষিণ ২৪ পরগণার বারুইপুরে যান বাঁকুড়ার বিষ্ণুপুরের সাংসদ। ঘুর্ণিঝড় আমফানে দক্ষিণ ২৪ পরগণায় ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ সবচেয়ে বেশি। ত্রাণ নিয়ে দুর্নীতির অভিযোগে যখন দলের কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে যখন মিছিল করে বারুইপুর থানায় ডেপুটেশন দিতে যাচ্ছিলেন , তখন সাংসদ সৌমিত্র খাঁ-কে আটকায় পুলিশ। কেন?  পুলিশের তরফে সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়, করোনা সতর্কতায় কোনওরকম জমায়েত বা মিছিল করা যাবে না। এরপর কর্তব্যরত পুলিশকর্মীদের সঙ্গে তর্কাতর্কিতে জড়িয়ে পড়েন বিজেপি সাংসদ সৌমিত্র খাঁ। তাঁর সঙ্গে বিজেপি যেসব কর্মী-সমর্থকরা মিছিলে হাঁটছিলেন, ঘটনার প্রতিবাদে রাস্তায় বসে পড়েন তাঁরা। শেষপর্যন্ত পুলিশের শর্ত মেনে বিজেপি পক্ষ থেকে দশজন বারুইপুর থানায় গিয়ে ডেপুটেশন দেন।

আরও পড়ুন: করোনা আবহে ভুয়ো ডাক্তারের পর্দাফাঁস. চেম্বার থেকে অভিযুক্তকে গ্রেফতার করল পুলিশ

উল্লেখ্য,  শনিবার বিজেপি বারাসত সাংগঠনিক জেলা কমিটির তরফে সৌমিত্র খাঁ-কে সংবর্ধনা জানাতে একটি অনুষ্ঠানে আয়োজন করা হয়। সেই অনুষ্ঠানে মঞ্চে উঠেই উত্তর ২৪ পরগণার জেলার পুলিশ সুপারকে হুঁশিয়ারি দেন সৌমিত্র। বলেন, 'বারাসতে দাঁড়িয়ে বলছি পুলিশ সুপার যদি মনে করেন আমার গাড়ি আটকাবেন তাহলে আমি এসপিকে চড় মারতেও পিছপা হব না।' বিজেপি সাংসদের মন্তব্যের সমালোচনা ঝড় উঠে। তাঁর বিরুদ্ধে মামলাও রুজু করেছে পুলিশ।