মাটির তলায় ঘর বানিয়ে অবাধে কারবার মাদক চক্রের সিন্ডিকেট মুর্শিদাবাদে সীমান্তে অবাধে হেরোইন পাচার চক্র  অভিযান চালিয়ে গ্রেফতার ২ জন

মাদক কারবারের অভিনব পন্থা। মাটির তলায় ঘর তৈরি করে অবাধে চলত মাদকের কারবার। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে পুলিশ অভিযান চালিয়ে দুই জনকে গ্রেফতার করে। উদ্ধার হয়েছে প্রায় কোটি টাকা মূল্যের হেরোইন ও মাদক তৈরির সামগ্র। এর নেপথ্যে একজন মহিলা রয়েছে বলে তদন্তে জানতে পেরেছেন তদন্তকারীরা।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

আরও পড়ুন-'একুশে বিজেপি সাফ', বেফাঁস মন্তব্য করে বিড়ম্বনায় কেন্দ্রীয় নেতা, খোঁচা দিলেন সৌগত

মাটির তলায় পাতাল ঘলর বানিয়ে সেখানেই চলত মাদক তৈরি। উন্নতমানের হেরোইন তৈরি হত বলে জানিয়েছেন তদন্তকারীরা। সেই মাদক পাচার হত বাংলাদেশ সীমান্ত দিয়ে। তদন্তকারীরা জানাচ্ছেন বাইরে থেকে বোঝার উপায় নেই যে ওই জায়গায় মাদক তৈরির আস্ত একটা কারখানা রয়েছে। তদন্তকারীরা য়খন অভিযান চালায় এই অভিনব কারবার থেকে কার্যত চোখ কপালে ওঠে তদন্তকারীদের। চাঞ্চল্যকর এই ঘটনাটি ঘটেছে মুর্শিদাবাদের রঘুনাথঞ্জে। অভিযান চালিয়ে পুলিশ ৯১০ গ্রাম ব্রাউন সুগার, ২৫০ গ্রাম ধূসর রঙের কেমিক্যাল, ১৫০ গ্রাম সোডিয়াম কার্বোনেট উদ্ধার করেছে। 

আরও পড়ুন-'টিকা-রাজনীতি', তালিকায় প্রথম নাম তৃণমূল বিধায়কের, শাসক-গেরুয়া শিবিরে দড়ি টানাটানি

পুলিশ সুত্রে খবর, সীমান্তে মাদক নেটওয়ার্ক এর অন্যতম মাথা লালগোলার মন্টু শেখ বছর খানেক ধরে জেলে রয়েছে। তারপর থেকে মাদক পাচারের কারবারের হাল ধরে তার স্ত্রী সখিনা বিবি। ভারত-বাংলা সীমান্তে মাদক কারবারের কুইন হিসেবে পরিচিত হয় সে। কিন্তু তারপরও তার কারবার বন্ধ করা যায়নি। কারাগারে বসেই স্বামী মন্টুর নির্দেশে স্ত্রী এলাকাজুড়ে মাদক কারবারের নেটওয়ার্ক চালিয়ে যাচ্ছিল। সেইমতো সখিনা তার সঙ্গীদের ,সাহায্য়ে রঘুনাথগঞ্জের গণকরে একটি পাতালঘর বানিয়ে উন্নত মানের হেরোইন তৈরি করত বলে অভিযোগ। এই অবৈধ কারবারের খবর পেয়ে এসটিএফ ও জঙ্গিপুর পুলিস যৌথভাবে ওই মাদক কারবারির ডেরায় হানা দেয়। তোফাজুল হক ও আনারুল ইসলাম নামে দুই কারবারিকে গ্রেপ্তার করে। ধৃতদের ২২ জানুয়ারি পর্যন্ত জেল হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে আদালত।