প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা বা বাংলার বাড়ি প্রকল্পের নথি ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন বা এসআইআর-র ক্ষেত্রে গ্রহণযোগ্য হবে না। পশ্চিমবঙ্গের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিককে চিঠি দিয়ে জানিয়ে দিল ভারতের নির্বাচন কমিশন।

প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা বা বাংলার বাড়ি প্রকল্পের নথি ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন বা এসআইআর-র ক্ষেত্রে গ্রহণযোগ্য হবে না। পশ্চিমবঙ্গের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিককে চিঠি দিয়ে জানিয়ে দিল ভারতের নির্বাচন কমিশন। এই দুই প্রকল্পের নথি এসআইআরের শুনানিতে গ্রহণ করা যাবে কি না জানতে চেয়েছিলেন রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজকুমার আগরওয়াল।

এসআইআরের নোটিসে কমিশন বলেছিল, নথি হিসাবে সরকার অনুমোদিত বাড়ি বা জমির শংসাপত্র জমা দেওয়া যাবে। এসআইআর-এ অন্যতম নথি হিসাবে রয়েছে 'হাউজ এলোটমেন্ট সার্টিফিকেট।' অনেকেই মনে করেছিলেন, কেন্দ্র এবং রাজ্য সরকার বাড়ি তৈরির টাকা দেওয়ার যে প্রকল্প চালু করেছে, তার নথি দেখালেই ভোটার তালিকা জটিলতা মিটে যাবে। শুনানিতে বহু মানুষকে সেই নথি নিয়ে আসতে দেখা যায়। বিভ্রান্তি মেটানোর জন্য ২১ জানুয়ারি কমিশনের কাছে ব্যাখ্যা চেয়ে চিঠি পাঠান মনোজ কুমার আগরওয়াল। সোমবার তার জবাব এসেছে। কমিশন জানিয়ে দিয়েছে, ওই দুই প্রকল্পের নথি এসআইআর-র শুনানিতে নথি হিসেবে গ্রহণ করা হবে না।

সিইও-কে দেওয়া ব্যাখ্যায় কমিশন বলেছে, এসআইআরের নোটিস যাঁরা পাচ্ছেন, তাঁরা শুধুমাত্র কমিশনের এসআইআর সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তিতে উল্লিখিত নথি জমা দিতে পারবেন। কমিশনের বিজ্ঞপ্তিতে সরকারের দেওয়া জমি বা বাড়ির শংসাপত্রের কথা উল্লেখ থাকলেও প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা বা বাংলার বাড়ি প্রকল্পের আর্থিক সাহায্যের অনুমোদন তার মধ্যে পড়ে না।

রাজ্যে এসআইআরের শুনানি শেষ হয়েছে। চলছে নথি যাচাইয়ের প্রক্রিয়া। আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করবে কমিশন। জেলাশাসক তথা ডিস্ট্রিক্ট এলেকশন অফিসারদের তরফ থেকে নির্ভুল ভোটার তালিকা আসার পরে জাতীয় নির্বাচন কমিশনকে তা পাঠাবে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতর।