আশিষ মণ্ডল, বীরভূম:  ব্যবধান প্রায় একমাসের। অযোধ্যায় জল-মাটি ও যজ্ঞের ভষ্ম পাঠানোর পর এবার রামমন্দিরের ভুমিপুজোর প্রসাদ চলে এল তারাপীঠে। শনিবার সকালে মহাশ্মশান ও পূর্ব সাগর মোড়ে সেই প্রসাদ বিতরণ করলেন বিজেপি ও বিশ্ব হিন্দু পরিষদের নেতারা।

আরও পড়ুুন: এগরায় বিজেপি-তৃণমূল সংঘর্ষে ১ জনের মৃত্যু, আহত ২০

করোনা আতঙ্কে যখন থরহরিকম্প অবস্থা সকলেরই, তখন ধুমধাম করে অযোধ্যায় রাম মন্দিরের ভূমি পুজো করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি স্বয়ং। ৫ অগাস্ট আবার সাপ্তাহিক লকডাউন ছিল রাজ্যে। তা নিয়ে কম জলঘোলা হয়নি। সেদিন রামের পুজো করতে গিয়ে পুলিশি বাধার মুখে পড়েন বিজেপি কর্মীরা। গ্রেফতার করা হয় অনেকেই। গেরুয়া শিবিরের দাবি, লকডাউনের অজুহাতে দলের পার্টি অফিস ভাঙচুর চালিয়েছেন পুলিশকর্মীরা। 

অযোধ্যা রামমন্দিরের ভূমি পুজো উপলক্ষ্যে ২৮ জুলাই দ্বারকা নদ ও জীবিত কুণ্ডের জল, মহাশশ্মানের মাটি সহযোগে যজ্ঞের আয়োজন করা হয় তারাপীঠ মন্দির চত্বরে। যজ্ঞ শেষে পিতলের কলসে ভরে ভষ্ম বিশ্ব হিন্দু পরিষদের নেতাদের হাতে তুলে দেওয়া হয়। এরপর কলকাতায় তিনটি কলস একত্রিত করে পাঠিয়ে দেওয়া হয় অযোধ্যায়। বস্তুত এরআগে রামশিলার পুজো সময়েও  তারাপীঠ থেকে অযোধ্যায় ইঁট পাঠানো হয়েছিল।

আরও পড়ুন: শুভেন্দুর গড়ে অভিষেকের পোস্টার, রাজনৈতিক চাপানউতোর পূর্ব মেদিনীপুরে

বিশ্বহিন্দু পরিষদের উত্তর বীরভূম জেলা সভাপতি প্রভাত কুমার ঘোষ বলেন, 'সারা দেশের সঙ্গে তারাপীঠেও অযোধ্যার প্রসাদ বিতরণ করা হল। এই প্রসাদ গ্রহণের মধ্যে দিয়ে সমস্ত রোগ, শোক, বাধা বিঘ্ন দূর হোক এই কামনা করছি।'  তারাপীঠ মন্দিরের সেবাইত পুলক চট্টোপাধ্যায় বলেন, 'অযোধ্যায় শিলা পুজনের সময় তারাপীঠ মন্দির থেকে ইট পুজো করে পাঠানো হয়েছিল। রাম মন্দির শিল্যানাসের আগেও এই তারাপীঠ মন্দিরে যজ্ঞ করে তার ভস্ম, মৃত্তিকা ও দ্বারকা নদীর জল পাঠানো হয়েছিল। তাই প্রসাদ বিতরণ করা হল শ্মশানের সাধুসন্ত এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে।'