একুশের বিধানসভা ভোটের আগে ফের নারায়ণী সেনার দাবি উঠল। বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতির কাছে আবারও নারায়ণী সেনার দাবি তুললেন রাজবংশীরা। এই অবস্থায় একুশের ভোটের আগে রাজ্য-কেন্দ্র নতুন করে সংঘাতের ইঙ্গিত দেখা দিয়েছে। কেননা, নারায়ণী সেনাকে বিএসএফ প্রশিক্ষণ দিচ্ছে বলে আগেই দাবি করেছিল তৃণমূল সরকার। তা নিয়ে তীব্র জলঘোলা হয়েছিল রাজ্য ও কেন্দের মধ্যে।

আরও পড়ুন-বিজেপির পালটা, বিশাল জনসভায় গেরুয়া ছেড়ে তৃণমূলে রাজ পরিবারের উত্তরসুরি

২০১৯-এর লোকসভা ভোটের সময় উত্তরবঙ্গের নির্বাচনের দায়িত্বে ছিলেন জেপি নাড্ডা। সেই সময় নারায়ণী সেনাকে স্বীকৃতি দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছিলেন জেপি নাড্ডা। পাশাপাশি, ঘূর্ণিঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শনে গিয়েও সেসময় কোচ-রাজবংশীদের কাছে আশ্বাস দিয়েছিলেন তিনি। এবার, সোমবারও একই দাবিতে বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতির কাছে দরবার করলেন রাজবংশীরা। 

আরও পড়ুন-প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনায় ঘর দিয়ে কাটমানি আদায়, কাঠগড়ায় তৃণমূলের পঞ্চায়েত সদস্য

সোমবার উত্তরবঙ্গ সফরে পৃথক জাতিগোষ্ঠীর সঙ্গে বৈঠক করেন জেপি নাড্ডা। সেখানেই নতুন করে নারায়ণী সেনাকে স্বীকৃতির দাবি জানায় কোচ-রাজবংশীরা। তাঁদের আশ্বস্ত করে, বিজেপি সভাপতি বলেন, ''এই দাবি আপনাদের দীর্ঘদিনের। আমরা বিষয়টিকে গুরুত্ব সহকারে দেখছি''।   জাতি গোষ্ঠীর সঙ্গে বৈঠকের পর সাংবাদিক সম্মেলনে জানালেন দার্জিলিঙের সাংসদ রাজু বিস্তা।

আরও পড়ুন-রাস্তার মাঝে কোমর সমান গর্ত, এ কেমন উন্নয়ন, গ্রামবাসীদের প্রশ্নে বিড়ম্বনায় টিম PK

নারায়ণী সেনার প্রশিক্ষণ ক্যাম্প নিয়ে ২০১৬ সালে কেন্দ্র-রাজ্য সংঘাতের পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল। নারায়ণী সেনা রেজিমেন্টের নামে আলাদা প্রশিক্ষণ কর্মসূচি নিয়েছিল গ্রেটার কোচবিহার পিপলস অ্য়াসোসিয়েশন। কিন্তু সেসময় তাঁদের এই কর্মসূচি বাতিল করে দেয় কোচবিহার জেলা প্রশাসন। অন্যদিকে, নারায়ণীকে সেনাকে বিএসএফ প্রশিক্ষণ দিচ্ছে বলেও অভিযোগ ওঠে। তা নিয়ে পশ্চিমবঙ্গের বিরুদ্ধে চক্রান্তের অভিযোগ করেছিল তৃণমূল সরকার। এবার একুশের নির্বাচনের আগে নতুন করে মাথাচাড়া দিয়েছে নারায়ণী সেনার স্বীকৃতি দাবি।