স্টেশনে ব্যস্ততার মাঝেই হোক বা অবসর সময় ট্রেনের জন্য অপেক্ষা করেই হোক, আশে পাশে গান গাইছে এমন অনেকেরই দেখা মেলে। কারুর গান অনেকে শোনেন কেউ আবার বিরোক্তিও প্রকাশ করেন। এভাবেই দিন কাটত রানাঘাটের রাণু মণ্ডলের। স্টেশন চত্বরে তিনি ভিক্ষা করতেন, অভাবের দায়ে এইভাবেই কাটাচ্ছিলেন জীবনটা। কিন্তু সেখান থেকেই ঘুড়ে গেল ভাগ্যের চাকা। রাতারাতি স্টার হয়েগেলেন রাণু।

আরও পড়ুনঃ শিক্ষকদের পাশে অপর্ণা সেন, পত্রাঘাত মুখ্যমন্ত্রীকে

গলায় ছিল সুর, তাকেই পাথেয় করে পথ চলা। এই গানে ছিল না কোনও রেওয়াজ, ছিল না কোনও প্রকার অনুশীলন। কেবল শুনেই মনে রাখতেন তিনি। যথা সময় অনর্গল গেয়েও ফেলতেন তা। আর সেই গান শুনেই মুগ্ধ আট থেকে আশি। তিনি নিজেও ভাবেননি কখনও একদিন তাঁর গান ভাইরাল হয়ে যাবে, তবে ভাগ্যে তেমনটাই ছিল। তাঁর গান ছড়িয়ে পড়ামাত্রই ডাক এল মুম্বইয়ের এক বেসরকারী টিভি শো থেকে। 

গান গাইবার অনুরোধ আসতে থাকে আরও অনেক জায়গা থেকেই। তবে এবার দূর্গা পুজোর থিম সং-এ নজর কাড়বেন তিনি। সম্প্রতিই সেই প্রস্তাবও পেয়েছিলেন তিনি। তা গ্রহণ করার পরই পার্কস্ট্রিটে সারলেন রেকর্ডিং। অর্জুন পুরের আমরা সবাই ক্লাবের হয়ে গান বাঁধলেন তিনিই। সারেগামাপা সংস্থা উপহার দিল একটি ক্যালভেরাও। এক সময় বিয়ে করে যে মেয়েরা মাকে ছেড়ে চলে গিয়েছিলেন, তারাও ফিরল মায়ের কাছে।