বিজেপি নেত্রী রূপা গঙ্গোপাধ্যায় টালিগঞ্জের একটি কেন্দ্রে সাধারণ ভোটারদের সঙ্গে লাইনে দাঁড়িয়ে ভোট দেন। ভোট দেওয়ার পর তিনি ইভিএম-এর যান্ত্রিক ত্রুটি নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেন ….কী হয়েছে ইভিএম-এ?
সাতসকালে ভোট দিয়ে গণতান্ত্রিক অধিকারের প্রয়োগ করলেন বিজেপি নেত্রী ও প্রার্থী রূপা গঙ্গোপাধ্যায়। টালিগঞ্জের রাজেন্দ্র প্রসাদ শিক্ষা সদন গার্লস হাইস্কুলে নিজের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন তিনি। উল্লেখযোগ্যভাবে, তিনি ছিলেন ওই কেন্দ্রে দিনের প্রথম ভোটারদের একজন। সাধারণ ভোটারদের সঙ্গে লাইনে দাঁড়িয়েই ভোট দেন এই অভিনেত্রী-রাজনীতিক, যা অনেকের নজর কেড়েছে।
ভোটদান প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার পর তিনি ইভিএম (EVM) নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেন। তাঁর অভিযোগ, যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে ভোট দিতে কিছুটা দেরি হয় এবং তাঁকে দীর্ঘক্ষণ লাইনে অপেক্ষা করতে হয়। যদিও এই বিষয়ে তিনি নির্বাচন কমিশনের কাছে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ জানাবেন না বলে স্পষ্ট করেন। তাঁর দাবি, সাধারণ মানুষই এই ধরনের সমস্যার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাবেন।
রূপা গঙ্গোপাধ্যায় আরও বলেন, নির্দিষ্ট একটি পার্ট নম্বরে প্রায়শই গলযোগের ঘটনা ঘটে বলে তিনি শুনেছেন। সেই প্রেক্ষিতে তিনি ভোটারদের উদ্দেশ্যে আহ্বান জানান—নিজের ভোট নিজে দিন, অন্য কাউকে ভোট দিতে দেবেন না।
আজ, ২৯ এপ্রিল, বাংলার রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দিন। দ্বিতীয় দফার ভোটগ্রহণ চলছে দক্ষিণবঙ্গের সাতটি জেলায়, যেখানে মোট ১৪২টি আসনে নির্বাচন হচ্ছে। এই দফায় মূল লড়াই তৃণমূল কংগ্রেস ও বিজেপির মধ্যে। পাশাপাশি, মতুয়া ভোটব্যাঙ্ক, আইএসএফ-এর প্রভাব এবং অন্যান্য আঞ্চলিক সমীকরণও বড় ফ্যাক্টর হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
সকাল সাতটা থেকে শুরু হওয়া ভোটগ্রহণে কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। সকাল আটটা পর্যন্ত কোথাও বড় ধরনের অশান্তির খবর পাওয়া যায়নি, যা প্রশাসনের জন্য স্বস্তির।
সব মিলিয়ে, বাংলার এই ‘শেষ ভোটযুদ্ধ’ ঘিরে উত্তেজনা তুঙ্গে, আর তারই মাঝে গণতন্ত্রের উৎসবে শামিল হচ্ছেন সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে রাজনৈতিক নেতারা।
