Salasar Balaji Temple Howrah: রাজস্থানের বিখ্যাত সালাসার বালাজি মন্দিরের আদলে হাওড়ার সাঁকরাইলে তৈরি হয়েছে ‘শ্রী সালাসার ধাম’। গোলাপি মার্বেল, কারুকার্য করা স্তম্ভ, হনুমানজির ১১ ফুট মূর্তি নিয়ে মন্দিরটি ইতিমধ্যেই উইকএন্ডে ভিড় টানছে। হাওড়া স্টেশন থেকে ১২ কিমি, সাঁতরাগাছি থেকে ৭ কিমি। বাস, ট্রেন, গাড়ি তিনভাবেই যাওয়া যায়।
Pakuria Salasar Dham Balaji Hanuman Mandir: উইকএন্ডে লং ড্রাইভ না গিয়ে ঠাকুর দর্শন আর ছবি তোলা, দুটোই হবে একসঙ্গে। হাওড়ার সাঁকরাইল, মানিকপুরে তৈরি হয়েছে রাজস্থানের সালাসার বালাজি মন্দিরের রেপ্লিকা। নাম ‘শ্রী সালাসার ধাম’। রাজস্থানী কারিগর দিয়ে ৩ বছর ধরে বানানো হয়েছে। ঢুকলেই মনে হবে যেন চুরু জেলায় চলে এসেছো।

মন্দিরের বিশেষত্ব কী?
পুরো মন্দির রাজস্থানের মাকরানা মার্বেল দিয়ে তৈরি। গর্ভগৃহে আছেন সালাসার বালাজি অর্থাৎ দাড়ি-গোঁফওয়ালা হনুমানজি। সাথে রাম-সীতা, শিব-পার্বতী, রাধা-কৃষ্ণের বিগ্রহ। মন্দিরের বাইরে ১১ ফুট উঁচু বজরংবলীর মূর্তি। দেওয়ালে রামায়ণের কাহিনি পাথরে খোদাই করা। সন্ধ্যায় লাইট জ্বললে গোলাপি মার্বেল ঝলমল করে। মঙ্গলবার আর শনিবার সন্ধ্যা ৭টায় মহাআরতি হয়, ২০০০ লোক ধরে। প্রসাদে পাওয়া যায় সালাসারের বিখ্যাত লাড্ডু।
কীভাবে যাবেন?
রুট ম্যাপ ঠিকানা: শ্রী সালাসার ধাম, মানিকপুর, সাঁকরাইল, হাওড়া - ৭১১৩১৩। আন্দুল রোডের উপর, সাঁকরাইল থানার কাছে।
ট্রেনে: হাওড়া স্টেশন থেকে দক্ষিণ-পূর্ব রেলের লোকাল ধরে সাঁকরাইল স্টেশন। সময় লাগবে ২৫ মিনিট, ভাড়া ১০ টাকা। স্টেশন থেকে টোটো রিজার্ভ ৪০ টাকা, শেয়ারে ১৫ টাকা। মন্দির ১.৫ কিমি। সাঁতরাগাছি থেকেও ট্রেন আছে, ১৫ মিনিট।
বাসে: ধর্মতলা থেকে WBTC এর S-23, হাওড়া স্টেশন থেকে 57A, 79, Bagnan-Howrah মিনিবাস। ‘সাঁকরাইল থানা’ স্টপেজে নামবেন। রাস্তা ক্রস করলেই মন্দিরের গেট। বাসে হাওড়া থেকে ৪৫ মিনিট।
গাড়ি/বাইকে: দ্বিতীয় হুগলি ব্রিজ বা সাঁতরাগাছি ব্রিজ ধরে কোনা এক্সপ্রেসওয়ে। আন্দুল রোড ধরুন। সাঁকরাইল মোড়ের ১ কিমি আগে ডান দিকে মন্দিরের বড় গেট পড়বে। হাওড়া স্টেশন থেকে ৩৫ মিনিট, সাঁতরাগাছি থেকে ২০ মিনিট। পার্কিং ফ্রি। গুগল ম্যাপে “Shree Salasar Dham Sankrail” লিখলেই দেখাবে।
কখন যাবেন, কী নিয়ম?
সময়: রোজ সকাল ৬টা-দুপুর ১২টা, বিকাল ৪টা-রাত ৯টা। দুপুরে বন্ধ। ভোগ: রোজ দুপুর ১২টায় খিচুড়ি-লাবড়া ভোগ। কুপন ৫১ টাকা। সকাল ১০টার মধ্যে কাটতে হয়। মঙ্গল-শনি ২০০ টাকার স্পেশাল ভোগ। পুজো: নারকেল, চোলা বাঁধা যায়। দোকান মন্দির গেটেই। নিয়ম: শর্টস, ছেঁড়া জিন্স, স্লিভলেস অ্যালাউ না। মেয়েদের মাথা ঢাকতে ওড়না লাগে, গেটে ফ্রি পাওয়া যায়। চামড়ার বেল্ট, ব্যাগ বাইরে রাখো। ফোন সাইলেন্ট। গর্ভগৃহে ছবি তোলা বারণ।
আশেপাশে আর কী দেখবেন?
একঘণ্টা হাতে থাকলে ৪ কিমি দূরে আন্দুল রাজবাড়ি আর মা আনন্দময়ী কালী মন্দির দেখে নিন। সাঁতরাগাছি ঝিলে পরিযায়ী পাখি দেখতে পারেন শীতকালে। ফেরার পথে আন্দুল বাসস্ট্যান্ড থেকে মোগলাই, চপ খেতে ভুলবেন না।
সোজা কথা: ট্রেনভাড়া ২০ টাকা, টোটো ৩০ টাকা। ১০০ টাকায় উইকএন্ডে রাজস্থান ঘোরা। ভিড় এড়াতে শনি-মঙ্গল বাদ দিয়ে সকাল ৮টায় যান।
আরও খবরের আপডেট পেতে চোখ রাখুন আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।


