রান্নার গ্যাসের দাম বৃদ্ধি এবং ভবিষ্যতে সিলিন্ডার মেলা নিয়ে অনিশ্চয়তার কারণে কলকাতায় হু হু করে বিক্রি বাড়ছে ইন্ডাকশন ওভেনের। শহরের খুচরো দোকানগুলিতে, বিশেষ করে চাঁদনি মার্কেট ও এজরা স্ট্রিটে রান্নার বৈদ্যুতিক সরঞ্জামের বিক্রি বেড়ে গিয়েছে। বিশেষ করে ইন্ডাকশন ওভেনের বিক্রি তিনগুণ বেড়েছে। 

রান্নার গ্যাসের দাম বৃদ্ধি এবং ভবিষ্যতে সিলিন্ডার মেলা নিয়ে অনিশ্চয়তার কারণে কলকাতায় হু হু করে বিক্রি বাড়ছে ইন্ডাকশন ওভেনের। শহরের খুচরো দোকানগুলিতে, বিশেষ করে চাঁদনি মার্কেট ও এজরা স্ট্রিটে রান্নার বৈদ্যুতিক সরঞ্জামের বিক্রি বেড়ে গিয়েছে। বিশেষ করে ইন্ডাকশন ওভেনের বিক্রি তিনগুণ বেড়েছে। শনিবার থেকে কেন্দ্রীয় সরকার রান্নার গ্যাসের দাম সিলিন্ডার প্রতি ৬০ টাকা বাড়িয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের আবহে ভারতে রান্নার গ্যাসের যোগানে আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। কেন্দ্রীয় সরকার জানিয়েছে, এখন ২৫ দিনের আগে নতুন সিলিন্ডার বুকিং করা যাবে না। তখন থেকেই রান্নার বিদ্যুতিক সরঞ্জামের বিক্রি বৃদ্ধি পেতে শুরু করে। খোসলা ইলেকট্রনিক্সের ডিরেক্টর মনীশ খোসলা বলেন, শনিবার সন্ধ্যা থেকে ইন্ডাকশন ওভেনের বিক্রি বেড়েছে। গ্যাসের দাম বৃদ্ধির কারণে মানুষ আতঙ্কিত এবং সিলিন্ডারের পাওয়া নিয়ে উদ্বিগ্ন। মণীশ আরও বলেন, "সাধারণত, আমরা শহরের ৮৬টি আউটলেটে প্রায় ৪০-৪৫টি ইন্ডাকশন ওভেন বিক্রি করি। এখন বিক্রি প্রতিদিন ১২০-১৩০টিতে পৌঁছেছে।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

তবে শুধু ইন্ডাকশন ওভেন নয়। রান্নার অন্য বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম, যেমন ইলেকট্রিক কেটলি, ইলেকট্রিক কুকার এবং হট প্লেটের বিক্রিও বৃদ্ধি পাচ্ছে। রায়পুর ইলেকট্রনিক্সের ডিরেক্টর রাজিন্দর সিং রায়পুর বলেন, "রান্নার গ্যাসের দাম বৃদ্ধির ঘোষণার পরেই মানুষ ইন্ডাকশন কুকার এবং সরঞ্জাম পাত্র কিনতে আমাদের দোকানে ভিড় করতে শুরু করে।"

গ্রেট ইস্টার্ন রিটেইলের ডিরেক্টর পুলকিত বৈদ বলেন, "রান্নাঘরের ইলেকট্রিক যন্ত্রপাতির বিক্রি কেবল ইন্ডাকশন ওভেনের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। আমরা ইলেকট্রিক কেটলির মতো অন্যান্য জিনিসও বিক্রি করছি। অনেকেই বিকল্প রান্নার বিকল্প প্রস্তুত রাখার জন্য নতুন মাইক্রোওয়েভ ওভেনও কিনছেন।"

গ্যাসের দাম বৃদ্ধি নিয়ে মোটেই খুশি নন নাগরিকরা। তাঁদের দাবি, অহেতুক পকেট থেকে টাকা বেরিয়ে যাবে অতিরিক্ত। যদিও ক্ষোভের মধ্যেই প্রয়োজনীয়তার কথা ভেবে অনেকেই রান্নার ইলেকট্রিক সরঞ্জাম কিনছেন। আশঙ্কার কথা মাথায় রেখেই বাড়িতে একটি ইন্ডাকশন কুকার রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন অনেকে। কারণ এতে গ্যাস সিলিন্ডারের উপর নির্ভরতা কমে যাবে। যদিও সমস্যা আরও একটি সামনে এসেছে। অনেকেই অভিযোগ করছেন, ই-কেওয়াইসি না থাকার জন্য তাঁদের গ্যাস দেওয়া হচ্ছে না। বুকিং হলেও অনেকে সিলিন্ডার ডেলিভারি পাচ্ছেন না। কারণ, ই-কেওয়াইসি করা নেই। গ্যাস অফিসে গিয়ে গ্রাহক জানতে পারছেন, ই-কেওয়াইসি প্রক্রিয়া সম্পন্ন না করলে গ্যাস মিলবে না।