ক্যানসার আক্রান্তের শরীরের সংক্রমণ ধরা পড়েছে। প্রবল শ্বাসকষ্টের সমস্যায় ভুগছেন এমন মানুষের সংখ্যাও সবচেয়ে বেশি। করোনা যুদ্ধে মুর্শিদাবাদ জেলা নিয়ে চিন্তা বাড়ছে রাজ্য প্রশাসনের। সোমবার একদিনের ঝটিকা সফরে লালাগোলায় আসেন রাজ্য পুলিশের ডিজি বীরেন্দ্র ও রাজ্যের নিরাপত্তা বিষয়ক উপদেষ্টা সুরজিৎ করপুরকায়স্ত। তাঁদের সঙ্গে ছিলেন মুর্শিদাবাদের রেঞ্জের ডিআইজি মুকেশ কুমার, জেলাশাসক জগদীশ প্রসাদ মিনা ও পুলিশ সুপার কে শরবী রাজকুমার ও মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক প্রশান্ত বিশ্বাসও। 

আরও পড়ুন: মুর্শিদাবাদ যোগ, কোয়ারেন্টাইনে বর্ধমান মেডিক্যালের চিকিৎসক ও নার্সরা

এ রাজ্যের প্রান্তিক জেলা মুর্শিদাবাদ। স্থানীয় বাসিন্দাদের সিংহভাগই কাজের সুবাদে বাইরে থাকেন। করোনা সংক্রমণের আশঙ্কা তো আছেই, লকডাউনের সময়ে সীমান্তবর্তী এই জেলায় অনুপ্রবেশ আটকানোই প্রশাসনের কাছে চ্যালেঞ্জ। সীমান্তে নজরদারিতে কোনও ফাঁক নেই তো?  তা খতিয়ে দেখতেই লালগোলা এসেছিলেন রাজ্য পুলিশের ডিজিকে সঙ্গে নিয়ে লালগোলায় এসেছিলেন নিরাপত্তা উপদেষ্টা সুরজিৎ করপুরকায়স্ত। লালাগোলা থানায় সংশ্লিষ্ট এলাকার পুলিশ আধিকারিকদের সঙ্গে করে বৈঠক করেন তিনি। সূত্রের খবর, বৈঠকে করোনা পরিস্থিতি মোকাবিলার রূপরেখা আলোচনা হয়। বাংলাদেশ থেকে অনুপ্রবেশ রুখতে সীমান্ত কড়া নজরদারি চালানোর পরামর্শ দেওয়া হয়। শুধু তাই নয়, বৈঠকের পর লালগোলায় সীমান্তবর্তী এলাকা ঘুরে দেখেন রাজ্য পুলিশের ডিজি বীরেন্দ্র ও নিরাপত্তা উপদেষ্টা সুরজিৎ করপুরকায়স্ত। ডিজি জানিয়েছেন, আতঙ্কিত হওয়ার কোনও কারণ নেই। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে। সীমান্ত লাগোয়া এলাকায় কড়া নজরদারি ও লকডাউন বলবৎ করার জন্য পুলিশকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন: পিপিই ডাস্টবিনে 'ফেলে দিলেন' চিকিৎসকরা, বিতর্ক তুঙ্গে বীরভূমে

আরও পড়ুন: আমরা সুরক্ষিত নই, এবার মুখ খুললেন মেডিক্যাল কলেজের ইনটার্নরা

উল্লেখ্য, মুর্শিদাবাদের সালারের বাসিন্দা এক বৃদ্ধের শরীরের করোনা সংক্রমণ ধরা পড়ে। দীর্ঘদিন ধরেই ক্যানসারে ভুগছেন তিনি। জানা গিয়েছে, শারীরিক অবস্থায় অবনতি হওয়ায় ওই বৃদ্ধকে নিয়ে যাওয়া হয় কলকাতায়।  শহরের একটি ক্যানসার হাসপাতালে ভর্তি হন তিনি। কিন্তু উপসর্গ সন্দেহজনক হওয়ায় রোগীকে পাঠিয়ে দেওয়া হয় এমআর বাঙুর হাসপাতালে। লালারস বা সোয়ার পরীক্ষায় করোনা পজিটিভি রিপোর্ট আসে।