ক্ষোভ জমা হচ্ছিল অনেকদিন  থেকেই। এবার প্রেস রিলিজের মাধ্য়মে একেবারে বিস্ফোরণ। কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের পরিকাঠামো নিয়ে মুখ খুললেন এমবিবিএস ইন্টার্নরা। তাঁদের অভিযোগ, করেনা মোকাবিলায় হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা একেবারে ঠিক নয়। পরিস্থিতি যেদিকে এগোচ্ছে তাতে কোভিড মোকাবিলায় ঝুকিঁপূর্ণ পরিবেশের দিকে যাচ্ছেন ডাক্তাররা। 

লকডাউনে রাজ্য়ে কেন্দ্রের পর্যবেক্ষক দল,মোদীকে চিঠি পাঠালেন মমতা.

ইন্টার্নদের দাবি,বার বার বলা সত্ত্বেও তাদের বিশ্ব স্বাস্থ্য় সংস্থার পরামর্শ মেনে এন৯৫ মাস্ক দেওয়া হয়নি। এছাড়াও হাসপাতালে আইসোলেশন জ়োন কম রয়েছে। যথেষ্ট নিরাপত্তার সরঞ্জাম না থাকার কারণে এখন তারাই কোভিডের আশঙ্কায় ভুগছেন। গত ২৪ ঘণ্টায় কলকাতা মেডিক্যাল কলেজে সাতজন চিকিৎসক ও তিনজন রোগীর শরীরে কোভিড ১৯ ভাইরাস পাওয়া গিয়েছে। এই ঘটনায় কিছুটা হলেও আতঙ্ক ছড়িয়েছে মেডিক্যালে।  

কেন্দ্রের হিসেবে ৩৩৯, রাজ্য় বলছে করোনো আক্রান্ত ২৪৫.

এর আগে কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে খোঁজ মিলেছিল দুই করোনা আক্রান্তের৷ তাদের মধ্যে একজন প্রসূতি,অন্যজন কলকাতা মেডিক্যাল কলেজে হাসপাতালেরই এক স্বাস্থ্যকর্মী৷ এদিকে করোনা আক্রান্তের সংস্পর্শে আসায় কোয়ারেন্টিনে রয়েছেন ১২ চিকিৎ‍সক। জানা গিয়েছে, কলকাতা মেডিক্যাল কলেজের হস্টেলে থাকেন ওই ১২ জন চিকিৎ‍সক।

'কেন কেন্দ্রের দল আসবে রাজ্য়ে', মোদী-শাহকে কী টুইট মুখ্য়মন্ত্রীর.

 তবে নতুন করে চিকিৎসকরা এই আক্রান্তদের সংস্পর্শে এসেছিল কিনা, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে৷  এরই সঙ্গে এদের সংস্পর্শে কারা কারা এসেছিল তারও তালিকা বানানো হচ্ছে৷ পাশাপাশি যে দুই জন রোগী করোনা আক্রান্ত হয়েছে, তাদেরকে পাঠানো হয়েছে বারাসাত হাসপাতালে৷  অপরদিকে, প্রসূতির কাছাকাছি থাকা বা সংস্পর্শে আসা সকল চিকিৎসক, নার্স এবং স্বাস্থ্যকর্মীকে কোয়ারেন্টাইনে পাঠানো হয়েছে।