ব্যবধান সপ্তাহ খানেকের। এবার কাকার সঙ্গে বাড়ি ফেরার পথে গুলিবিদ্ধ কিশোর। গুরুতর জখম অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি সে। ফের শুটআউট মুর্শিদাবাদে।

বহরমপুরের খাগড়ার বাসিন্দা উৎপল সে। পেশায় তিনি স্বর্ণ ব্য়বসায়ী। দৌলতাবাদে সোনার দোকান চালান তিনি। দোকান বন্ধ করে প্রতিদিন রাতে ভাইপোকে সঙ্গে নিয়ে উৎপল স্কুটি চালিয়ে বাড়ি ফেরেন বলে জানা গিয়েছে। রবিবার রাতেও যথারীতি কাকা-ভাইপো একসঙ্গেই বাড়ি ফিরছিলেন। স্থানীয় বালিরঘাট এলাকায় কয়েকজন দুষ্কৃতী ওই স্বর্ণ ব্যবসায়ীর পথ আটকায় বলে অভিযোগ। স্কুটি থেকে পড়ে যান উৎপল ও তাঁর ভাইপো। আতঙ্কে যখন দু'জন দৌড়তে শুরু করেন, তখন দুষ্কৃতীরা পিছন থেকে গুলি চালায় বলে জানা গিয়েছে। স্বর্ণ ব্যবসায়ী উৎপল কোনওমতে রক্ষা পেলেও, তাঁর ভাইপোর পেটে গুলি লাগে।  রক্তাক্ত অবস্থায় রাস্তা লুটিয়ে পড়ে অষ্টম শ্রেণির ছাত্রটি। পরিস্থিতি বেগতিক বুঝে চম্পট দেয় দুষ্কৃতীরা। এদিকে কাকা-ভাইপোর চিৎকার শুনে ঘটনাস্থলে জড়ো হন স্থানীয় বাসিন্দারা। গুরুতর জখম ওই কিশোরকে উদ্ধার করে নিয়ে যাওয়া হয় মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে। সেখানেই ভর্তি সে। অল্পবিস্তর চোট পেয়েছেন উৎপলও।

আরও পড়ুন: সাত মাসের মেয়েকে খুন করে আত্মঘাতী গৃহবধূ, মামীর ভূমিকায় রহস্য ব্যান্ডেলে

কিন্ত স্বর্ণ ব্যবসায়ী উৎপল সেনকে লক্ষ্য করে গুলি চালালো দুষ্কৃতীরা?  তা কিন্তু স্পষ্ট নয়। ওই ব্যবসায়ীর কাছ থেকে কিছু লুঠও করা হয়নি বলে জানা গিয়েছে। অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে থানায়, তদন্তে নেমেছে পুলিশ। এর আগে মুর্শিদাবাদের খড়গ্রামে জেরক্স করতে বাড়ি থেকে বেরিয়ে গুলিবিদ্ধ হয় নবম শ্রেণির এক ছাত্র। সেক্ষেত্রে অবশ্য পারিবারিক বিবাদের কারণেই গুলি চলেছে দাবি করেছিলেন স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশ।