Jalpaiguri Murder: জলপাইগুড়িতে বৃদ্ধার মুণ্ড কেটে খুনের রহস্যের এখনও পর্যন্ত কিনারা করতে পারেনি পুলিশ। তবে গ্রেফতার করেছে নিহতের মেজো জামাইকে। তবে কী কারণে খুন তা স্পষ্ট নয়। 

জলপাইগুড়িতে বৃদ্ধার মুণ্ড কেটে খুনের রহস্যের এখনও পর্যন্ত কিনারা করতে পারেনি পুলিশ। তবে গ্রেফতার করেছে নিহতের মেজো জামাইকে। প্রাথমিকভাবে মনে করছে কালাজাদু বা ব্ল্যাক ম্যাজিকের চর্চা করার জন্যই জামাই শাশুড়িতে নৃশংসভাবে খুন করেছে। যাইহোক এখনও পর্যন্ত বৃদ্ধার কাটা মুণ্ডটি উদ্ধার করতে পারেনি পুলিশ।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

জামাইয়ের হাতে শাশুড়ি খুন!

জলপাইগুড়িতে গলা কেটে বৃদ্ধাকে খুনের ঘটনায় নিহতের মেজ জামাইকে গ্রেফতার করল পুলিশ। ধৃতের নাম আলামিন হক। তিনি শ্বশুরবাড়িতে ঘর জামাই থাকতেন। পুলিশ তার স্ত্রী হাসিনা বিবিকেও জেরা করছে। যদিও ওই বৃদ্ধার কাটা মুণ্ড এখনও উদ্ধার করতে পারেনি পুলিশ। উদ্ধার হয়নি খুনে ব্যবহৃত অস্ত্রটি।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (হেড কোয়ার্টার) শৌভনিক মুখোপাধ্যায় বলেন, ধৃত যুবক অপরাধের কথা স্বীকার করেছেন। সম্পত্তি নিয়ে বিবাদ নাকি এর পিছনে কোনও কালা জাদুর ঘটনা রয়েছে, তা খতিয়ে দেখছি আমরা। ধৃত যুবক বৃদ্ধার কাটা মুণ্ড ও খুনে ব্যবহৃত অস্ত্র কোথায় লুকিয়ে রেখেছেন, তা জানিয়েছেন। সেইমতো খোঁজ চালাচ্ছে পুলিশ।

শিলিগুড়ি থেকে গ্রেফতার জামাই

ধৃত যুবক ঘটনার পর পালিয়ে যান। শিলিগুড়ির ভরতনগর এলাকা থেকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নিয়ে আসা হয় তাঁকে। গত শনিবার জলপাইগুড়ির বাহাদুর পঞ্চায়েত এলাকার চেকরচণ্ডী কামাত এলাকায় সামিজা খাতুন (৭৩) এক বৃদ্ধার ঘরের পিছনে গলা কাটা দেহ উদ্ধার হয়। মুণ্ডর খোঁজে পুলিশ কুকুর নামানো হয়। ওড়ানো হয় ড্রোন। গ্রামের সমস্ত পুকুরে সিভিল ডিফেন্সের কর্মীরা নেমে তল্লাশি চালান। ঘটনাস্থল থেকে নমুনা সংগ্রহ করে ফরেন্সিক টিম।

খুনের ঘটনা

মৃত মহিলার নাম সমিজা খাতুন (৭৩)। পরিবার সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার রাতে খাওয়া-দাওয়া সেরে নাতনির সঙ্গে একই ঘরে ঘুমিয়ে ছিলেন তিনি। পরিবারের সদস্যদের মধ্যে রয়েছেন তিন ছেলে ও এক জামাই। দুই ছেলে পাশেই আলাদা বাড়িতে থাকেন, আর এক ছেলে, জামাই ও শাশুড়ি একই বাড়িতে বসবাস করতেন।

শনিবার সকালে প্রতিদিনের মতো মাকে চা খাওয়ানোর জন্য ঘরে খুঁজতে যান ছেলে। কিন্তু ঘরে মাকে দেখতে না পেয়ে শুরু হয় খোঁজাখুঁজি। কিছুক্ষণ পর বাড়ির পিছনে পড়ে থাকতে দেখা যায় সমিজা খাতুনের দেহ। তবে দেহ থাকলেও মাথাটি খুঁজে পাওয়া যায়নি, যা নিয়ে চাঞ্চল্য ছড়ায় এলাকায়।