পুরসভা নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী সুজিত বসুকে প্রায় নয় ঘন্টা ধরে জেরা করে ইডি। শুক্রবার সিজিও কমপ্লেক্সে হাজিরা দেওয়ার পর বেরিয়ে এসে তিনি নিজেকে সাক্ষী বলে দাবি করেন এবং তদন্তে সহযোগিতার আশ্বাস দেন।
সিজিও কমপ্লেক্সে শুক্রবার ১ মে সকাল ১০টা ২৫ নাগাদ উপস্থিত হয়েছিল সুজিত বসু। ইডির দফতর থেকে ছাড়া পান সন্ধ্যা ৭ টা নাগাদ। প্রায় নয় ঘন্টা ইডি দফতরে ছিলেন সুজিত। এই বিশেষ মামলায় এর আগে তিন বার নোটিস পাঠানো হয়েছিল সুজিত বসুকে। ২ এপ্রিল থেকে তাকে সময় পাঠান ইডি। এরপর ভোটের কারণে এই কা স্থগিত ছিল। ভোট মিটতে আজ হাজিরা দেন সুজিত বসু। গতকাল ইডির দফতরে গিয়েছিলেন তিনি। প্রায় ৯ ঘন্টা সেখানে ছিলেন।
সিজিও কমপ্লেক্স থেকে বেরিয়ে তিনি বলেন, আমি সাক্ষী হিসেবে ছিলাম। তিনি আরও জানান যে, তদন্তের সহযোগিতার জন্য তাঁকে ডাকা হলে অবশ্যই আসবেন। তিনি বলেন, ‘কখনও যেন হেনস্থার জন্য ডাকা না- হয়। ’
তিনি আরও বলেন, আমি এই মামলায় নেই। সেটা আমিও জানি, ওরাও জানে।.. আমার দুটো রেস্তোরাঁ আছে, সেটা সবাই জানেন। ধাবা আমার নয়। ব্যবসা করা কখনও কোনও অপরাধ নয়। চুরি করাটা অপরাধ।
এখন প্রশ্ন কোন মামলার তদন্ত করতে ডাকা হয়েছিল তাঁকে? শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতির তদন্তের সময় ২০২২ সালের পুরসভা নিয়োগ দুর্নীতি সামনে আসে। অয়ন শীল নামে এক ব্যক্তির বাড়িতে তল্লাশি করে ইডি। সেই নথি সামনে আসতে সেই সূত্র ঘরে সুজিত বসুর বাড়ি ও অফিসে তল্লাশি করে ইডি। এই মামলায় এর আগে তিন বার নোটিস পাঠানো হয়েছিল সুজিত বসুকে। ২ এপ্রিল থেকে তাকে সময় পাঠান ইডি। এরপর ভোটের কারণে এই কা স্থগিত ছিল। ভোট মিটতে আজ হাজিরা দেন সুজিত বসু।
গতকাল অর্থাৎ শুক্রবার সকালে সিজিও কমপ্লেক্সে দেখা যায় তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী সুজিত বসুকে। সকাল ১০টা ২৬ মিনিটে তিনি সিজিও কমপ্লেক্সে আসেন। ইডির দফতর থেকে ছাড়া পান সন্ধ্যা ৭ টা নাগাদ। প্রায় নয় ঘন্টা ইডি দফতরে ছিলেন সুজিত। পুরসভা নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় জড়িয়েছেন তিনি।


