করোনা আবহে পরিযায়ী পাখিদের আনাগোনা শীত পড়তেই পরিযায়ী পাখিদের ভিড় সুন্দরবনে সুন্দর পরিবেশে চোরা শিকারিদের আতঙ্ক পরিযায়ী পাখিদের বাঁচাতে রাত পাহারার ব্যবস্থা 

করোনাভাইরাস মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রার গতি থমকে দিয়েছে। কিন্তু করোনার কারনে লকডাউনে ফিরেছে জীব বৈচিত্রের ভারসাম্য। এমনটাই দাবি করেছেন গবেষকরা। সম্প্রতি, পরিবেশ বৈচিত্রেও নানান পরিবর্তন দেখা দিয়েছে। রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় বেড়েছে পরিযায়ী পাখিদের আনাগোনা। সেরকই ছবি দেখা গেল সুন্দরবনেও। শীত পড়তেই পরিযায়ী পাখিদের আনাগোনা বেড়েছে। পাখিদের আনাগোনায় সুন্দর পরিবেশ লক্ষ্য করা গেলেও চোরা শিকারিদের দৌরাত্ম্য বেড়েছে বলে অভিযোগ। লকডাউনের কারনে সুন্দরবনে নদী ও খাড়ি গুলিতে ভুটভুটি বা লঞ্চ চলেনি। সেকারনে দূষণ কম হওয়ায় শীত পড়তেই বেড়েছে পরিযায়ী শ্রমিকদের আনাগোনা। জানাচ্ছেন পরিবেশ প্রেমীরা।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

আরও পড়ুন-জেলেই মৃত্যু বেআইনি অর্থলগ্নি সংস্থার মালিকের, ভূবনেশ্বর জেলে মৃত্যু আইকোর কর্তার

দুর্গাপুজো শেষ হতেই হালকা শীতের আমেজ অনুভূব করছে রাজ্যবাসী। জীব বৈচিত্রে ভরা সুন্দরবনেও পরিযায়ী পাখিদের আনাগোনা বেড়েছে। সপ্তাহ খানেক আগে প্রচুর পরিমানে শামুখখোল, পানকৌড়ি, বিভিন্ন প্রজাতির বক, মদনটাক সহ বিভিন্ন পরিযায়ী পাখিদের আনাগোনা বেড়েছে সুন্দরবনের নদীর পাড় লাগোয়া ম্যানগ্রোভের জঙ্গলে। পাখিরা এলাকায় আসতেই চোরা শিকারিদের আনাগোনা বেড়েছে বলে অভিযোগ। রাতের অন্ধকারে চোরা শিকারি পাখিদের শিকার করছে বলে অভিযোগ স্থানীয় বাসিন্দাদের। এই অবস্থায় নতুন উপায় বের করলেন গ্রামবাসীরা।

আরও পড়ুন-আগুনে ভস্মীভূত পরপর ৬টি কারখানা, হাওড়ার ডোমজুড়ে আগুন-আতঙ্ক

বাসন্তী চুনাখালি ও বগুলাখালি এলাকায় চোরাশিকারিদের দৌরাত্ম্য বেড়েছে বলে অভিযোগ। এই অবস্থায় পরিযায়ী পাখিদের বাঁচাতে নয়া উদ্যোগ নিল স্থানীয় গ্রাম পঞ্চায়েত। একশো দিনের কাজে পরিযায়ী পাখিদের পাহারার জন্য রাত পাহারার ব্যবস্থা করা হয়েছে গ্রাম পঞ্চায়েতের তরফে। সকালে দুজন ও রাতে দুজন করে পাখিদের পাহারা দিচ্ছেন। চোরা শিকারিরা পরিযায়ী পাখিদের যাতে কোনও ক্ষতি করতে না পারে সেজন্য এই ব্যবস্থা নিয়েছেন গ্রামবাসীরা।