ফের কুসংস্কারের বলি হল বালিকা। এবার ঘটনাটি ঘটেছে দক্ষিণ ২৪ পরগণার ক্যানিং থানার অন্তর্গত গোলাবাড়ি এলাকায়। মৃতার নাম সুমনা নস্কর। বুধবার সন্ধ্যা থেকে নিখোঁজ ছিল সে। পরিবারের লোকজন অনেক খোঁজাখুঁজি করেও তাকে পাননি। বুধবার রাতে পুকুরে ভেসে ওঠে সুমনার দেহ। সাথে সাথে তাকে হাসপাতালে নিয়ে না গিয়ে পুকুরে ঘোরানো হয়, জল পেটানো হয়। প্রায় ১২ ঘন্টা পর যখন হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়, ততক্ষণে অনেক দেরি হয়ে গিয়েছে। চিকিৎসকরা ওই নাবালিকাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। মৃতদেহটি ময়নাতদন্তে পাঠিয়েছে ক্যানিং থানার পুলিশ।

আরও পড়ুন: বেতন অনিয়মিত, অভাবের তাড়নায় সরকারি কলেজে আত্মঘাতী অধ্যাপক

আরও পড়ুন: দোলে নকল হইতে সাবধান, কীভাবে চিনবেন ভেষজ আবির

স্থানীয় সূত্রে খবর, কুলতলি থানার গোপালগঞ্জ গ্রামের বাসিন্দা পতিত নস্করের ছয় বছরের মেয়ে সুমনা নস্কর। বুধবার গোলাবাড়িতে এক আত্মীয়ের বাড়িতে মন্দির এসেছিল সে। কিন্তু কখন ওই বালিকা পুকুরে পড়ে গিয়েছে, তা টেরই পাননি কেউ। অনেক খোঁজাখুজি করেও তার আর সন্ধান মেলেনি। শেষপর্যন্ত গভীর রাতে সুমনার দেহ ভেসে ওঠে পুকুরে। কীভাবে এমন ঘটনা ঘটল? পরিবারের লোকেদের ধারণা হয়, জলরাক্ষস নাকি তার প্রাণ কেড়ে নিয়েছে! গুনিনকে ডেকে রীতিমতো তাণ্ডব চলে পুকুরে। পুকুরের পাড়ে আগুন জ্বালিয়ে শিশুটিকে মাথায় নিয়ে এদিক ওদিক ঘোরানো হয় দেহে প্রান ফেরানোর জন্য।  কিন্তু এভাবে কি আর প্রাণ ফেরানো যায়!  জানা গিয়েছে, বৃহস্পতিবার দুপুরে বারোটা নাগাদ সুমনাকে নিয়ে পরিবারের লোকের হাজির হন ক্যানিং মহকুমা হাসপাতালে। কিন্তু তখন আর কিছু করার ছিল না।