social media: অবশেষে সোশ্যাল মিডিয়ায় বদলে গেল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পরিচয়। তবে নিজেকে প্রাক্তন লিখলেন না মমতা। অন্যদিকে সোশ্যাল মিডিয়ায় বদলে গেল শুভেন্দু অধিকারীর পরিচয়ই। সোশ্যাল মিডিয়ায় তাঁর পরিচয়ে যুক্ত হল মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। 

অবশেষে সোশ্যাল মিডিয়ায় বদলে গেল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পরিচয়। তবে নিজেকে প্রাক্তন লিখলেন না মমতা। অন্যদিকে সোশ্যাল মিডিয়ায় বদলে গেল শুভেন্দু অধিকারীর পরিচয়ই। সোশ্যাল মিডিয়ায় তাঁর পরিচয়ে যুক্ত হল মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। ফেসবুক, ইন্টাগ্রাম, এক্স হ্যান্ডেল - সর্বত্রই নতুন পরিচয় যুক্ত হয়েছে।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম, এক্স হ্যান্ডেলে নিজের নামের পাশে এতদিন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী লেখেননি মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়। ৪ মে বিধানসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশের পরই মমতা জানিয়েছিলেন তিনি এই ফলাফল মানেন না। তিনি স্পষ্ট করে জানিয়ে দিয়েছিলেন যে, তিনি ভোটে হারেননি। ১০০ আসন লুঠ করা হয়েছে। আর তারপর বারবার দেখা গেছে তিনি সোশ্যাল মিডিয়ায় নিজের মুখ্যমন্ত্রী পরিচয় মোছেননি। এদিন সকালেও নিজের সোশ্যাল মিডিয়া থেকে মুখ্যমন্ত্রী পরিচয় মোছেননি। তবে বেলার দিকে শুভেন্দু অধিকারী মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণের পরই মমতা সোশ্যাল মিডিয়ায় নিজের পরিচয় বদলে ফেলেন। মমতা সোশ্যাল মিডিয়ায় নিজেকে তৃণমূল কংগ্রেসের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য আর পশ্চিমবঙ্গের ১৫তম, ১৬তম, ১৭তম বিধানসভার মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে পরিচয় দিয়েছেন।

শুভেন্দু অধিকারীও সোশ্যাল মিডিয়ায় নিজের পরিচয় বদলে ফেলেছেন। এবার তিনি সোশ্যাল মিডিয়ায় লিখেছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী। শনিবার ব্রিগেডে শপথ নেওয়ার পরেই শুভেন্দু অধিকারীর সোশ্যাল মিডিয়ায় পরিচয়।

পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফল বলছে ২৯৪ (ভোট হয়েছে ২৯৩ আসনে) আসনের মধ্যে ২০৭টি আসন বিজেপি জিতে নিয়েছে। শাসকদল তৃণমূল পেয়েছে ৮০টি আসন। নিজের কেন্দ্র ভবানীপুর থেকে শুভেন্দুর কাছে ১৫ হাজারের বেশি ভোটে পরাজিত হয়েছেন মমতা। এই পরিস্থিতিতে জনগণের রায় মেনে নিয়ে রাজ্যপালের কাছে ইস্তফাপত্র জমা দেওয়াই বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রীর রীতি। কিন্তু মমতা তা করেননি। উল্টে পদ আঁকড়ে ছিলেন। প্রথম থেকেই বিজেপির বিরুদ্ধে ভোট লুটের দাবি করে এসেছেন তিনি। অভিযোগ, ১০০টিরও বেশি কেন্দ্রে ভোট লুট করে নেওয়া হয়েছে। তাই বিজেপির এই জয়কে মান্যতা দিতে তিনি নারাজ। তাই বাধ্য হয়েই রাজ্যপাল বিধানসভা ভেঙে দেন। তাতেই শুভেন্দু অধিকারীর মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পথ তৈরি হয়।