Suvendu Adhikari News: মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত থেকে ক্ষমতা যেতেই পালাবদলের রাজ্যে এবার গুরুত্ব বাড়ল আইপিএস অফিসার দময়ন্তী সেনের। রাজ্যের এই দুঁদে আইপিএস অফিসারকে কোন পদে বসালেন শুভেন্দু অধিকারী? বিশদে জানতে পড়ুন সম্পূর্ণ প্রতিবেদন…
Suvendu Adhikari News: মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে রাজ্যবাসীর দায়িত্ব নিতেই ফুলফর্মে শুভেন্দু অধিকারী। এবার রাজ্যের নিরাপত্তার বিষয়ে আরও বড় পদক্ষেপ নবান্নের। বঙ্গে শাসক শিবিরের পালাবদল হতেই কর্মক্ষেত্রে মর্যাদা বাড়ল আইপিএস দময়ন্তী সেনের। মাত্র ২৬ বছরে আইপিএস অফিসার হওয়া দময়ন্তী সেনের সঙ্গে পূর্বতন সরকারের সঙ্ঘাত ছিলো চরমে। মূলত ২০১২ সালে পার্ক স্ট্রিট গণধর্ষণকাণ্ডে তার তৎপরতা শাসকের কাছে ক্ষুন্ন করেছিল তার ভাবমূর্তি। আর এবার রাজ্যে পালাবদল হতেই গুরুত্ব বাড়ল আইপিএস দময়ন্তী সেনের।

দময়ন্তীকে কোন পোস্টে বসালেন শুভেন্দু অধিকারী?
সূত্রের খবর, বিগত কয়েক বছরে বাংলায় নারী নির্যাতনের ঘটনা খতিয়ে দেখতে যে কমিশন গঠন করা হয়েছে, তার সদস্যসচিব করা হয়েছে আইপিএস দময়ন্তীকে। এমনকি, সোমবার এই কমিশনের কথা ঘোষণার সময় মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী দময়ন্তীকে ‘বাংলার অত্যন্ত জনপ্রিয় আইপিএস অফিসার’ বলে উল্লেখ করেন। আর তারপর ফের গুরুত্ব বাড়ল আইপিএস দময়ন্তী সেনের।
কে এই দময়ন্তী সেন?
দময়ন্তীর জন্ম ১৯৭০ সালে। অর্থনীতিতে স্নাতকোত্তর পাশ করেন। মাত্র ছাব্বিশ বছর বয়সে আইপিএস অফিসার হন। ২০১০ সালে কলকাতা পুলিশের যুগ্ম কমিশনার (অপরাধ দমন) পদে ছিলেন দময়ন্তী সেন। তিনিই লালবাজারের প্রথম মহিলা গোয়েন্দা প্রধান। এর আগে পার্ক স্ট্রিট গণধর্ষণ মামলার মতো অত্যন্ত সংবেদনশীল ঘটনার তদন্ত অত্যন্ত সাহসিকতার সাথে সামলেছিলেন দময়ন্তী সেন। তৎকালীন সময়ে পরিস্থিতির চাপে তাঁকে বদলি করা হলেও, তাঁর সততা ও তদন্তের ধার নিয়ে কোনো প্রশ্ন ছিল না।
অন্যদিকে, নারী নির্যাতন এবং প্রাতিষ্ঠানিক দুর্নীতির একাধিক অভিযোগ খতিয়ে দেখার জন্য দুটি আলাদা আলাদা তদন্ত কমিশন গঠন করলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (cm suvendu adhikari)। এই দুই কমিশনকে নেতৃত্ব দেবেন কলকাতা হাইকোর্টের দুই অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি। সোমবার, পশ্চিমবঙ্গের নতুন মন্ত্রিসভার দ্বিতীয় বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে (chief minister west bengal)।
তারপর দুপুুরে, সাংবাদিক বৈঠক করে এই সিদ্ধান্তের কথা ঘোষণা করেন শুভেন্দু নিজেই। মুখ্যমন্ত্রী পরিষ্কার জানিয়ে দিয়েছেন, এই দুটি তদন্ত কমিশনই আগামী ১ জুন থেকে কাজ আরম্ভ করবে। বিশেষ করে, প্রাতিষ্ঠানিক দুর্নীতির অভিযোগগুলি খতিয়ে দেখার জন্য তৈরি কমিশনের নেতৃত্ব দেবেন অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি বিশ্বজিৎ বসু এবং এই কমিশনের সদস্য সচিব করা হয়েছে রাজ্যের সিনিয়র আইপিএস কে জয়রামনকে। যিনি বর্তমানে এডিজি (উত্তরবঙ্গ)।
আরও খবরের জন্য চোখ রাখুন এশিয়ানেট নিউজ বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।


